ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে
‘গাইনি’ সমস্যায় জরুরি অস্ত্রোপচার এনসিপি নেত্রী মিতুর, বেড়েছে জটিলতা-সংক্রমণ
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
ঢালাও অভিযোগ, দুর্বল ভিত্তি : কার স্বার্থে এই মামলা?
বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাংলাদেশের জাতির পিতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন পৃথিবীর প্রতিটি নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূলে ছিল একটাই কথা যেখানেই অন্যায়, যেখানেই জুলুম, সেখানে বাংলাদেশ নীরব থাকবে না। আর এই দর্শনেরই এক অনন্য প্রতিফলন ছিল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি তাঁর অটল সমর্থন।
ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা ইয়াসির আরাফাতের সাথে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কটা ছিল একেবারে অন্যরকম। দুজনেই নিজের মানুষের জন্য সব কিছু বাজি রেখেছিলেন। দুজনেই জানতেন স্বাধীনতার মূল্য কতটা, কারণ দুজনেই সেই মূল্য নিজের জীবন দিয়ে চুকিয়েছেন বা চুকাতে চেয়েছেন। ১৯৭৪ সালে লাহোরে ওআইসি সম্মেলনে যখন বঙ্গবন্ধু আর আরাফাত মুখোমুখি হলেন, সেটা ছিল দুই সংগ্রামী আত্মার মিলন।
বঙ্গবন্ধু সেই সম্মেলনে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলেছিলেন। বাংলাদেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর একটি, এটা এমনি এমনি হয়নি। এর পেছনে ছিল বঙ্গবন্ধুর সেই বিশ্বাস যে স্বাধীনতা প্রতিটি জাতির অধিকার। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হলো, ইয়াসির আরাফাত গভীরভাবে শোকাহত হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে তিনি একজন ভাইকে হারিয়েছেন। এই কথাটা শুনলেই বোঝা যায় দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা কতটা গভীর ছিল। এটা শুধু রাষ্ট্রনায়কদের আনুষ্ঠানিক সৌজন্য ছিল না, এটা ছিল হৃদয়ের টান। পরবর্তীতে ইয়াসির আরাফাত বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেই সাক্ষাৎটা ছিল অত্যন্ত আবেগঘন। আরাফাত শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন যে তাঁর পিতা ফিলিস্তিনের
সত্যিকারের বন্ধু ছিলেন, ফিলিস্তিনের মানুষ কোনোদিন বঙ্গবন্ধুকে ভুলবে না। শেখ হাসিনাও তাঁর পিতার পথ ধরে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন সবসময়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি বারবার ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কথা বলেছেন, ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ফিলিস্তিন প্রশ্নে এই দলের অবস্থান কখনো টলেনি। বঙ্গবন্ধুর সময় থেকে শুরু করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে সোচ্চার থেকেছে। পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট। জাতিসংঘে হোক বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক ফোরামে, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের পক্ষে ভোট দিয়েছে, কথা বলেছে, দাঁড়িয়েছে। আসলে বাংলাদেশ আর ফিলিস্তিনের
মধ্যে যে বন্ধন সেটা শুধু কূটনৈতিক হিসেবনিকেশের বিষয় না। এটা অনেক গভীর। আমরা বাংলাদেশের মানুষ জানি স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে কেমন লাগে। আমরা জানি নিজের মাটি থেকে উৎখাত হওয়ার যন্ত্রণা কী। একাত্তরে আমাদের মানুষ রক্ত দিয়েছে, সম্ভ্রম হারিয়েছে, সব হারিয়ে শূন্য থেকে শুরু করেছে। তাই ফিলিস্তিনের মানুষের কান্না আমাদের বুকে লাগে। গাজায় যখন বোমা পড়ে, যখন ছোট ছোট বাচ্চারা বাবা মা হারায়, যখন পুরো একটা জাতিকে তাদের নিজের ভূমি থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় তখন বাংলাদেশের মানুষ চুপ থাকতে পারে না। কারণ আমাদের রক্তে মিশে আছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আর সেই চেতনাই আমাদের শেখায় যে নিপীড়িতের পাশে দাঁড়ানো শুধু রাজনীতি
না, এটা মানবতা। বঙ্গবন্ধু আমাদের এই শিক্ষাটাই দিয়ে গেছেন। তিনি দেখিয়ে গেছেন যে বাংলাদেশ ছোট একটা দেশ হতে পারে, কিন্তু ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এই দেশ কখনো পিছপা হবে না।
বঙ্গবন্ধু সেই সম্মেলনে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলেছিলেন। বাংলাদেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর একটি, এটা এমনি এমনি হয়নি। এর পেছনে ছিল বঙ্গবন্ধুর সেই বিশ্বাস যে স্বাধীনতা প্রতিটি জাতির অধিকার। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হলো, ইয়াসির আরাফাত গভীরভাবে শোকাহত হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে তিনি একজন ভাইকে হারিয়েছেন। এই কথাটা শুনলেই বোঝা যায় দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা কতটা গভীর ছিল। এটা শুধু রাষ্ট্রনায়কদের আনুষ্ঠানিক সৌজন্য ছিল না, এটা ছিল হৃদয়ের টান। পরবর্তীতে ইয়াসির আরাফাত বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেই সাক্ষাৎটা ছিল অত্যন্ত আবেগঘন। আরাফাত শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন যে তাঁর পিতা ফিলিস্তিনের
সত্যিকারের বন্ধু ছিলেন, ফিলিস্তিনের মানুষ কোনোদিন বঙ্গবন্ধুকে ভুলবে না। শেখ হাসিনাও তাঁর পিতার পথ ধরে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন সবসময়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি বারবার ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কথা বলেছেন, ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ফিলিস্তিন প্রশ্নে এই দলের অবস্থান কখনো টলেনি। বঙ্গবন্ধুর সময় থেকে শুরু করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে সোচ্চার থেকেছে। পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট। জাতিসংঘে হোক বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক ফোরামে, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের পক্ষে ভোট দিয়েছে, কথা বলেছে, দাঁড়িয়েছে। আসলে বাংলাদেশ আর ফিলিস্তিনের
মধ্যে যে বন্ধন সেটা শুধু কূটনৈতিক হিসেবনিকেশের বিষয় না। এটা অনেক গভীর। আমরা বাংলাদেশের মানুষ জানি স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে কেমন লাগে। আমরা জানি নিজের মাটি থেকে উৎখাত হওয়ার যন্ত্রণা কী। একাত্তরে আমাদের মানুষ রক্ত দিয়েছে, সম্ভ্রম হারিয়েছে, সব হারিয়ে শূন্য থেকে শুরু করেছে। তাই ফিলিস্তিনের মানুষের কান্না আমাদের বুকে লাগে। গাজায় যখন বোমা পড়ে, যখন ছোট ছোট বাচ্চারা বাবা মা হারায়, যখন পুরো একটা জাতিকে তাদের নিজের ভূমি থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় তখন বাংলাদেশের মানুষ চুপ থাকতে পারে না। কারণ আমাদের রক্তে মিশে আছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আর সেই চেতনাই আমাদের শেখায় যে নিপীড়িতের পাশে দাঁড়ানো শুধু রাজনীতি
না, এটা মানবতা। বঙ্গবন্ধু আমাদের এই শিক্ষাটাই দিয়ে গেছেন। তিনি দেখিয়ে গেছেন যে বাংলাদেশ ছোট একটা দেশ হতে পারে, কিন্তু ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এই দেশ কখনো পিছপা হবে না।



