লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ মার্চ, ২০২৬

লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ মার্চ, ২০২৬ |
একজন বিদ্যুৎমন্ত্রী যখন বলেন “লোডশেডিংয়ের কষ্ট সহ্য করা ভালো”, তখন সবার আগে জিজ্ঞেস করা দরকার, কার কষ্ট? উনি কি নিজে সেই কষ্ট ভাগ করে নেবেন? মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, নারায়ণগঞ্জের মানুষ যখন ৩৫-৩৬ ডিগ্রি গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকারে বসে থাকে, গুলশান-বনানী তখন ঠান্ডা এসিতে ঘুমায়। এই সত্যটা কিন্তু মন্ত্রী সাহেব বেমালুম এড়িয়ে গেলেন। বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই একটা ন্যারেটিভ তৈরি করছিল যে দেশের বিদ্যুৎ খাত আসলে ঋণের বোঝার উপর দাঁড়িয়ে আছে। কথাটা সম্পূর্ণ মিথ্যা না, বিপিডিবির আর্থিক সংকট বাস্তব। কিন্তু এই সত্যটাকে ব্যবহার করে তারা আসলে যা করছে সেটা হলো, ভবিষ্যতের যেকোনো ব্যর্থতার জন্য আগাম একটা এক্সকিউজ তৈরি করে রাখছে। “আমরা

কী করব, আগেরটাই তো এমন পেয়েছিলাম।” এই খেলা বিএনপি আগেও খেলেছে, এখনো খেলছে। তারেক রহমান একসময় বলেছিলেন বাসাবাড়ি আর শপিংমলে একসাথে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব না। এখন তার দলের মন্ত্রী বলছেন ঋণের চেয়ে লোডশেডিং ভালো। মানে দলীয় দর্শনটা একটাই, জনগণ অন্ধকারে থাকুক, সেটাই স্বাভাবিক। এই দলের কাছে বিদ্যুৎ কখনো অধিকার ছিল না, সুবিধা ছিল। আর সুবিধা দেওয়া না দেওয়া তাদের ইচ্ছার ব্যাপার। এখন যে প্রশ্নটা কেউ জিজ্ঞেস করছে না সেটা হলো, এই মন্ত্রণালয় তাহলে আছে কীসের জন্য? যদি লোডশেডিং দেওয়াটাই নীতি হয়, তাহলে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় বন্ধ করে দিলেই তো হয়। কোটি কোটি টাকার বেতন, গাড়ি, অফিস, সচিবালয় এগুলো কি ঋণের বোঝা না? সেই

বোঝা কমানোর কথা কিন্তু মন্ত্রী বললেন না। সিস্টেম লস ১০ শতাংশ, এটা মন্ত্রী নিজেই স্বীকার করলেন। প্রতি ১ শতাংশ লস মানে ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি মানে বছরে শুধু এই খাতে যাচ্ছে কয়েক শ কোটি টাকা। এই লসের পেছনে দশকের পর দশক ধরে যে চুরি, লাইন ট্যাম্পারিং, রাজনৈতিক সংযোগে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ নেওয়ার সংস্কৃতি চলে আসছে, সেটা কিন্তু বিএনপির আমলেই সবচেয়ে শিকড় গেড়েছিল। সেই একই দল এখন সিস্টেম লস কমানোর কথা বলছে, এটা অনেকটা যে আগুন লাগিয়েছে সে-ই ফায়ার ব্রিগেড ডাকতে এসেছে এরকম। বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের ১৩-১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া। এই বকেয়াটা কীভাবে তৈরি হলো? রাতারাতি হয়নি। বছরের পর বছর ধরে ক্যাপাসিটি চার্জের

নামে বিদ্যুৎ না কিনেও টাকা দেওয়ার যে চুক্তিগুলো হয়েছিল, সেগুলোর অনেকগুলোই হয়েছিল রাজনৈতিক বিবেচনায়। এখন সেই বকেয়ার দায় চাপানো হচ্ছে গোটা ব্যবস্থার ওপর, আর সমাধান হিসেবে বলা হচ্ছে জনগণ অন্ধকারে থাকুক। ১৭ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচন হয়ে গেল, সেখানে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো ছিল না। জনগণের একটা বড় অংশ ভোট দিতে যায়নি। সেই প্রশ্নবিদ্ধ বৈধতার উপর দাঁড়িয়ে এই সরকার এখন জনগণকে বলছে কষ্ট সহ্য করতে। যাদের ম্যান্ডেট নেই তাদের কাছ থেকে ত্যাগ স্বীকারের বক্তৃতা শোনা আর যা তা একটা ব্যাপার। “বিএনপির উন্নতি, ঘরে ঘরে মোমবাতি” এই স্লোগান পুরনো না। এটা বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি থেকে বের হওয়া একটা সত্যি কথা। আর সেই সত্যি কথাটা

২০২৬ সালেও মিথ্যা হয়নি, বরং নতুন করে প্রমাণিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্রাদার্সকে হারিয়ে ফের ফাইনালে কিংস পদত্যাগ না করার ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার আমিরাতে হামলার জন্য ‘মার্কিন সামরিক দুঃসাহসিকতা’ দায়ী পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বদলাবে না বিজেপি নয়, তৃণমূলের লড়াই ছিল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে: মমতা বিদ্যুতের দাম কত বাড়ছে হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৪৫ জন তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, আইনজীবী জানালেন ‘স্মৃতি শক্তি নেই’ ঈদ সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি লন্ডনে চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ৬ সিনেমা নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে তিন দিনব্যাপী ফোবানা সম্মেলন ৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে মানববন্ধন: বাংলাদেশে আটক সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি ‘গুম’ থাকা আয়েশা ৭ বছর পর ফিরলেন জীবিত! চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৪ কর্মী গ্রেপ্তার, ‘পুলিশের বস্তাপচা নাটকের স্ক্রিপ্ট’ বদলের দাবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তিন জেলায় তুলকালাম: সড়ক অবরোধ, ককটেল নিক্ষেপ ও ১৪৪ ধারা মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে দেশান্তরি ঢাকা পোস্ট সম্পাদকের স্মৃতিচারণ: শফিক ও তার প্রেশারগ্রুপ থেকে সন্তানদের রক্ষায় দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যে দড়ি বেঁধে চলছে প্রশাসনের মেলা, শুকানো হচ্ছে লুঙ্গিও বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত আরও চার ব্যাংকের, ১০ ব্যাংক এক কাতারে উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে লভ্যাংশ দিতে পারবে না ১৭ ব্যাংক, বিধিনিষেধ আরোপ ফিফার তহবিলে উন্নয়নের জন্য তিনটি স্টেডিয়াম পাচ্ছে বাফুফে