ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন
সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ
ইউনূস সরকার ২০২৪ সালের ৮ই আগস্ট দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘোষণা দিয়েছিল, বারবার প্রকল্প সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় বাড়ানোর প্রবণতা বন্ধ করা হবে। অর্থনৈতিক সংস্কার করা হবে, রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় বন্ধ হবে। বিশেষ করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)ভুক্ত প্রকল্পগুলো কঠোরভাবে যাচাইয়ের আশ্বাসও দিয়েছিল। কিন্তু কাজে ছিল উল্টো।
ইউনূসের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এর বৈঠকের কার্যবিবরণী বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। যেখানে অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। ব্যায় বাড়িয়ে প্রকল্পের বরাদ্দ লোপাট করা হয়েছে বলে মনে করেন সুধীজন।
জানা গেছে, উন্নয়ন প্রকল্পে অপচয় কমানো ও দক্ষতা বাড়ানোর অঙ্গীকার নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছিল ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। তবে বাস্তবে দেড়
বছরের মেয়াদে অন্তত ৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানোর তথ্য পাওয়া গেছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, এসব প্রকল্পে অতিরিক্ত যোগ হয়েছে প্রায় ৭৯ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত দেড় বছরে একনেকের ১৯টি বৈঠকে মোট ৮৭টি চলমান প্রকল্প সংশোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৭টি প্রকল্পের ব্যয় কমানো হয়েছে, যেখানে সাশ্রয় হয়েছে ৯৫০ কোটি টাকা। আগের ব্যয়ের মাত্র ২.৪৫ শতাংশ। বিপরীতে ৬৫টি প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। আরও ১৫টি প্রকল্পে ব্যয় অপরিবর্তিত থাকলেও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এভাবে ব্যয় ও মেয়াদ বাড়িয়ে সরকারি বরাদ্দ লোপাট করা হয়েছে বলে মনে করেন সুধীজন। জানা গেছে, এই ৬৫টি প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ছিল ২ লাখ
২৪ হাজার কোটি টাকা। সংশোধনের পর তা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকায়। যা গড়ে প্রায় ৩৫.৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি। সরকারের প্রথম একনেক বৈঠকেই একটি গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ১ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা করা হয়। একই বৈঠকে নারী ক্ষমতায়নের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক একটি কর্মসূচির ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়। মেয়াদের শেষ দিকে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা। ২০১৬ সালে অনুমোদনের সময় যার ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ব্যয় বেড়েছে ২৫ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা বা প্রায় ২২.৬৩ শতাংশ। ঢাকায় সুপেয় পানি সরবরাহে পানি শোধনাগার প্রকল্পের
তৃতীয় ধাপে ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ১৫ কোটি টাকা, যা শুরুর ব্যয়ের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ। এ ছাড়া সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২-এ (এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ) ব্যয় বেড়েছে ৭ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা। মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম নগরের পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্পে অতিরিক্ত বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৪১০ কোটি টাকা এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার একটি প্রকল্পে বেড়েছে ১ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। উপজেলা পর্যায়ে ছোট স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ব্যয় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। দেড় বছরে অন্তর্র্বতী সরকার ১৩৫টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২
লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। এসবের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পে সর্বাধিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে ২১টি জেলার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়নি। অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্র্বতী সরকারের কাছ থেকে প্রকল্প অনুমোদনে কঠোরতা ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রত্যাশা ছিল বেশি। কিন্তু একনেক বৈঠকের তথ্য বলছে, প্রকল্প সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় বৃদ্ধির পুরোনো ধারা পুরোপুরি থামানো যায়নি। ফলে জনঅর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বছরের মেয়াদে অন্তত ৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানোর তথ্য পাওয়া গেছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, এসব প্রকল্পে অতিরিক্ত যোগ হয়েছে প্রায় ৭৯ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত দেড় বছরে একনেকের ১৯টি বৈঠকে মোট ৮৭টি চলমান প্রকল্প সংশোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৭টি প্রকল্পের ব্যয় কমানো হয়েছে, যেখানে সাশ্রয় হয়েছে ৯৫০ কোটি টাকা। আগের ব্যয়ের মাত্র ২.৪৫ শতাংশ। বিপরীতে ৬৫টি প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। আরও ১৫টি প্রকল্পে ব্যয় অপরিবর্তিত থাকলেও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এভাবে ব্যয় ও মেয়াদ বাড়িয়ে সরকারি বরাদ্দ লোপাট করা হয়েছে বলে মনে করেন সুধীজন। জানা গেছে, এই ৬৫টি প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ছিল ২ লাখ
২৪ হাজার কোটি টাকা। সংশোধনের পর তা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকায়। যা গড়ে প্রায় ৩৫.৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি। সরকারের প্রথম একনেক বৈঠকেই একটি গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ১ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা করা হয়। একই বৈঠকে নারী ক্ষমতায়নের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক একটি কর্মসূচির ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়। মেয়াদের শেষ দিকে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা। ২০১৬ সালে অনুমোদনের সময় যার ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ব্যয় বেড়েছে ২৫ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা বা প্রায় ২২.৬৩ শতাংশ। ঢাকায় সুপেয় পানি সরবরাহে পানি শোধনাগার প্রকল্পের
তৃতীয় ধাপে ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ১৫ কোটি টাকা, যা শুরুর ব্যয়ের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ। এ ছাড়া সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২-এ (এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ) ব্যয় বেড়েছে ৭ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা। মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম নগরের পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্পে অতিরিক্ত বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৪১০ কোটি টাকা এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার একটি প্রকল্পে বেড়েছে ১ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। উপজেলা পর্যায়ে ছোট স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ব্যয় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। দেড় বছরে অন্তর্র্বতী সরকার ১৩৫টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২
লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। এসবের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পে সর্বাধিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে ২১টি জেলার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়নি। অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্র্বতী সরকারের কাছ থেকে প্রকল্প অনুমোদনে কঠোরতা ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রত্যাশা ছিল বেশি। কিন্তু একনেক বৈঠকের তথ্য বলছে, প্রকল্প সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় বৃদ্ধির পুরোনো ধারা পুরোপুরি থামানো যায়নি। ফলে জনঅর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।



