ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যান্টোনিও সেগুরোর জয়
ইসলামপন্থি বা ইসরাইল কোনোটিই নয়, যুবরাজ সালমান হাঁটছেন ভিন্ন পথে
লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবে শিশুসহ ৫৩ প্রাণহানী
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন পতাকাবাহী জাহাজগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে জাহাজগুলোকে ইরানের জলসীমা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।
সোমবার ইউএস মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই নির্দেশনা দেয় বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
সেখানে মার্কিন জাহাজের ক্যাপ্টেনদের প্রতি ইরানি বাহিনীকে জাহাজে ওঠার অনুমতি না দিতেও বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘এই এলাকায় চলাচলকারী মার্কিন বাণিজ্যিক জাহাজগুলো যেন নৌ-নিরাপত্তা বজায় রেখে ইরানের জলসীমা থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে পূর্ব দিকে যাওয়ার সময় জাহাজগুলোকে ওমানের জলসীমার কাছ দিয়ে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
সপ্তাহব্যাপী পাল্টাপাল্টি হুমকি ও উত্তেজনার পর গত শুক্রবার ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এক দফা
পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনার পরেই নতুন নির্দেশনা এল। নৌপথে হামলা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিশ্বব্যাপী নৌপথ ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো হুমকির মুখে পড়েছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে। আশির দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় উভয় দেশই বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল, ফলে সেই যুদ্ধ ‘ট্যাঙ্কার যুদ্ধ’ নামেও পরিচিত। সম্প্রতি ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোতে আক্রমণ শুরু করেছে। তাদের দাবি, গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধের লক্ষ্যেই তাদের এই অভিযান। গত বছরের জুনে ইসরায়েল ইরানে বোমা হামলা চালালে একজন ইরানি সংসদ সদস্য মন্তব্য করেছিলেন যে, যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে পারস্য উপসাগর ও ভারত মহাসাগরকে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে। জানুয়ারির শেষের দিকে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি
গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই প্রণালীতে নৌ-মহড়া করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী তেহরানকে কোনো ধরনের ‘অনিরাপদ ও অপেশাদার’ আচরণ না করার বিষয়ে সতর্ক করে। পরে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায় যে, তারা ওই এলাকায় তাদের একটি বিমানবাহী রণতরীর দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন এর আগেও ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে। ২০১৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ওমান উপসাগরে তাদের জলসীমায় চারটি জাহাজে নাশকতামূলক হামলার খবর দিয়েছিল। তবে সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে বা এর আশপাশে জাহাজগুলোর প্রতি ইরান বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে কোনো প্রকাশ্য হুমকি আসেনি। তার পরেও যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম
বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিতভাবে ইরানের ওপর নতুন করে হামলার হুমকি দিচ্ছেন, যেখানে গত মাসেই দেশটিতে একদফা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে।
পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনার পরেই নতুন নির্দেশনা এল। নৌপথে হামলা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিশ্বব্যাপী নৌপথ ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো হুমকির মুখে পড়েছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে। আশির দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় উভয় দেশই বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল, ফলে সেই যুদ্ধ ‘ট্যাঙ্কার যুদ্ধ’ নামেও পরিচিত। সম্প্রতি ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোতে আক্রমণ শুরু করেছে। তাদের দাবি, গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধের লক্ষ্যেই তাদের এই অভিযান। গত বছরের জুনে ইসরায়েল ইরানে বোমা হামলা চালালে একজন ইরানি সংসদ সদস্য মন্তব্য করেছিলেন যে, যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে পারস্য উপসাগর ও ভারত মহাসাগরকে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে। জানুয়ারির শেষের দিকে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি
গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই প্রণালীতে নৌ-মহড়া করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী তেহরানকে কোনো ধরনের ‘অনিরাপদ ও অপেশাদার’ আচরণ না করার বিষয়ে সতর্ক করে। পরে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায় যে, তারা ওই এলাকায় তাদের একটি বিমানবাহী রণতরীর দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন এর আগেও ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে। ২০১৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ওমান উপসাগরে তাদের জলসীমায় চারটি জাহাজে নাশকতামূলক হামলার খবর দিয়েছিল। তবে সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে বা এর আশপাশে জাহাজগুলোর প্রতি ইরান বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে কোনো প্রকাশ্য হুমকি আসেনি। তার পরেও যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম
বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিতভাবে ইরানের ওপর নতুন করে হামলার হুমকি দিচ্ছেন, যেখানে গত মাসেই দেশটিতে একদফা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে।



