ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
‘জুলাই জাদুঘর’ পরিদর্শন: প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কূটনীতিকদের উপস্থিতি নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ
গণভবনে আয়োজিত ‘জুলাই জাদুঘর’ পরিদর্শন কর্মসূচি নিয়ে সরকারের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া গেছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বিদেশি কূটনীতিকদের ব্যাপক উপস্থিতির দাবি করা হলেও, অনুসন্ধানে জানা গেছে আমন্ত্রিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য জালিয়াতি ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
উপস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি
সরকারের প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এমন কয়েকজন কূটনীতিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যারা বাস্তবে ওই অনুষ্ঠানে যোগদান করেননি। ‘আজকের কণ্ঠ’-এর অনুসন্ধানে অন্তত তিনজন শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিকের অনুপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে, অথচ সরকারি নথিতে তাদের উপস্থিত দেখানো হয়েছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন— বিমসটেক (BIMSTEC)-এর সেক্রেটারি জেনারেল
ইন্দ্রা মনি পান্ডে, নেপালের রাষ্ট্রদূত এবং জাপানের একজন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি। সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা নিশ্চিত করেন যে, তারা ওই কর্মসূচিতে অংশ নেননি। এমনকি অনুষ্ঠানস্থলের কোনো ছবি বা ভিডিও ফুটেজেও তাদের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। কূটনৈতিক ক্ষোভ বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিমসটেক-এর সেক্রেটারি জেনারেল ইন্দ্রা মনি পান্ডে। নিজের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও উপস্থিত হিসেবে নাম প্রচার করাকে তিনি অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে বলেন, “এটি পুরোপুরি কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন।” সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোতে যোগাযোগ করেও তাদের উপস্থিতির কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে ‘নামের ব্যবহার’ সরকারি ওয়েবসাইট ও ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমগুলোতে এই পরিদর্শন কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের
এক কর্মকর্তা জানান, “ইভেন্টটিকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বড় করে দেখানোর উদ্দেশ্যেই হয়তো অনুপস্থিত কূটনীতিকদের নাম যুক্ত করা হয়েছে। ধারণা করা হয়েছিল, এতে দেশের ভেতরে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।” ফারুকীর বিরুদ্ধে ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এদিকে, তথাকথিত এই ‘জুলাই জাদুঘর’ প্রকল্প ঘিরে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও সামনে এসেছে। প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত এক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে ১৪০ কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে খোদ সরকারের অন্দরমহলেও অস্বস্তি ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। কূটনৈতিক মহলে ভুয়া তথ্য প্রচার এবং আর্থিক অনিয়মের এসব অভিযোগ সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইন্দ্রা মনি পান্ডে, নেপালের রাষ্ট্রদূত এবং জাপানের একজন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি। সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা নিশ্চিত করেন যে, তারা ওই কর্মসূচিতে অংশ নেননি। এমনকি অনুষ্ঠানস্থলের কোনো ছবি বা ভিডিও ফুটেজেও তাদের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। কূটনৈতিক ক্ষোভ বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিমসটেক-এর সেক্রেটারি জেনারেল ইন্দ্রা মনি পান্ডে। নিজের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও উপস্থিত হিসেবে নাম প্রচার করাকে তিনি অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে বলেন, “এটি পুরোপুরি কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন।” সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোতে যোগাযোগ করেও তাদের উপস্থিতির কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে ‘নামের ব্যবহার’ সরকারি ওয়েবসাইট ও ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমগুলোতে এই পরিদর্শন কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের
এক কর্মকর্তা জানান, “ইভেন্টটিকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বড় করে দেখানোর উদ্দেশ্যেই হয়তো অনুপস্থিত কূটনীতিকদের নাম যুক্ত করা হয়েছে। ধারণা করা হয়েছিল, এতে দেশের ভেতরে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।” ফারুকীর বিরুদ্ধে ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এদিকে, তথাকথিত এই ‘জুলাই জাদুঘর’ প্রকল্প ঘিরে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও সামনে এসেছে। প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত এক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে ১৪০ কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে খোদ সরকারের অন্দরমহলেও অস্বস্তি ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। কূটনৈতিক মহলে ভুয়া তথ্য প্রচার এবং আর্থিক অনিয়মের এসব অভিযোগ সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



