ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই
ভাগ না পেয়ে কাজ বন্ধ করলেন এমপি চাঁদ!
সীমান্ত নিয়ে নতুন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা
বিদেশিদের অপরাধের জাল
পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই বাংলাদেশ শুধু রাজনৈতিকভাবে না ভৌগোলিকভাবেও অনিরাপদ হয়ে গেছে।
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই বাংলাদেশ শুধু রাজনৈতিকভাবে না ভৌগোলিকভাবেও অনিরাপদ হয়ে গেছে। দেশের ভেতরে অস্থিতিশীলতা, আর সীমান্তে রক্তপাত দুই দিক থেকেই মানুষ আজ অসহায়।
মিয়ানমার সীমান্তে প্রতিনিয়ত গুলি, মর্টার, বোমা এসে আমাদের ঘরে আঘাত করছে। মানুষ আহত হচ্ছে, নিহত হচ্ছে আর রাষ্ট্র নির্বিকার দর্শক। সমুদ্রে জেলেরা মাছ ধরতে গেলে আরাকান আর্মি তাদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে, মুক্তিপণ দাবি করছে। মাসের পর মাস পেরিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু জিম্মিদের উদ্ধারে রাষ্ট্রের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। নেই কোনো কূটনৈতিক তৎপরতা, নেই কোনো দৃশ্যমান অভিযান। শুধু নীরবতা, শুধু অবহেলা।
এদিকে বন্দি জেলেরা মৃত্যুর আশঙ্কায় দিন গুনছে। আর তাদের পরিবার, মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তান প্রতিদিন ঘুম
থেকে উঠে অপেক্ষা করছে একটুখানি আশার খবরের জন্য। চোখে ঘুম নেই, ঘরে হাসি নেই, জীবনে শুধু আতঙ্ক...আজ ফোন এলে কি মুক্তির খবর আসবে, নাকি লাশের? এই রাষ্ট্রে আজ সাহায্যের আশায় মানুষ তাকিয়ে থাকে, কিন্তু সাহায্য করার কেউ নেই। কারণ দেশটাই এখন অবৈধ ইউনুসের দখলে। যখন পুরো জাতি নিজেই জিম্মি, তখন জিম্মিদের উদ্ধার করার দায়িত্ব নেবে কে? দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে দায়িত্বহীন দর্শক। রাষ্ট্রের এই নীরবতা কোনো কূটনৈতিক দুর্বলতা না, এটা অপরাধ। এই অবহেলা কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা না, এটা মানবিকতা হত্যার শামিল। আজ যারা সমুদ্রে গিয়ে আর ফেরেনি, আজ যারা সীমান্তে গোলার আঘাতে রক্তাক্ত তারা পরিসংখ্যান না, তারা কারও বাবা, কারও
ছেলে, কারও স্বামী। আর তাদের পরিবার আজ রাষ্ট্রের দরজায় দাঁড়িয়ে শুধু একটাই প্রশ্ন করছে, আমাদের মানুষগুলো কোথায়? তাদের কি উদ্ধার করা হবেনা? এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে দখলদার ইউনুসকে। এই জিম্মিদশার দায় এড়াতে পারবে না এই অবৈধ শাসন।
থেকে উঠে অপেক্ষা করছে একটুখানি আশার খবরের জন্য। চোখে ঘুম নেই, ঘরে হাসি নেই, জীবনে শুধু আতঙ্ক...আজ ফোন এলে কি মুক্তির খবর আসবে, নাকি লাশের? এই রাষ্ট্রে আজ সাহায্যের আশায় মানুষ তাকিয়ে থাকে, কিন্তু সাহায্য করার কেউ নেই। কারণ দেশটাই এখন অবৈধ ইউনুসের দখলে। যখন পুরো জাতি নিজেই জিম্মি, তখন জিম্মিদের উদ্ধার করার দায়িত্ব নেবে কে? দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে দায়িত্বহীন দর্শক। রাষ্ট্রের এই নীরবতা কোনো কূটনৈতিক দুর্বলতা না, এটা অপরাধ। এই অবহেলা কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা না, এটা মানবিকতা হত্যার শামিল। আজ যারা সমুদ্রে গিয়ে আর ফেরেনি, আজ যারা সীমান্তে গোলার আঘাতে রক্তাক্ত তারা পরিসংখ্যান না, তারা কারও বাবা, কারও
ছেলে, কারও স্বামী। আর তাদের পরিবার আজ রাষ্ট্রের দরজায় দাঁড়িয়ে শুধু একটাই প্রশ্ন করছে, আমাদের মানুষগুলো কোথায়? তাদের কি উদ্ধার করা হবেনা? এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে দখলদার ইউনুসকে। এই জিম্মিদশার দায় এড়াতে পারবে না এই অবৈধ শাসন।



