চট্টগ্রাম বন্দর ও সেন্ট মার্টিনের দখল নেবার পটভূমি তৈরি শুরু – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর ও সেন্ট মার্টিনের দখল নেবার পটভূমি তৈরি শুরু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ |
“রয়টার্সের একটি তদন্তমূলক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে, ইরান মিয়ানমারের সামরিক জান্তা (তাতমাদাও)-কে জেট ফুয়েল এবং ইউরিয়া সরবরাহ করে চলেছে, যা মিয়ানমারের সামরিক অভিযানকে শক্তিশালী করছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত, ইরানের দুটি নিষিদ্ধ ট্যাঙ্কার—রিফ এবং নোবেল—দিয়ে প্রায় ১৭৫,০০০ টন জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হয়েছে, যা মিয়ানমারের বিমান বাহিনীকে সক্ষম করেছে ১,০২২টিরও বেশি বিমান হামলা চালাতে, যার ফলে ১,৭২৮ জনেরও বেশি বেসামরিক মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়া, বার্ষিক ৪০০,০০০-৬০০,০০০ টন ইউরিয়া সরবরাহ করা হচ্ছে, যা সার হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। রিপোর্টটি জানায় ইরানের বন্দর আব্বাস থেকে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনের কাছে মায়ান অয়েল টার্মিনালে ৫,৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে এই

জ্বালানী সরবরাহ করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ব্যবহার করা হচ্ছে, যেখানে AIS (অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম) স্পুফিং করে অবস্থান ভুয়া দেখানো হয়—যেমন, ইরাকের বাসরাহ বা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছে বলে দেখানো হয়, কিন্তু আসলে মিয়ানমারে পৌঁছায়। স্যাটেলাইট ছবি এবং শিপিং নথি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরানী কোম্পানি যেমন NIORDC (IRGC-এর সাথে যুক্ত) এবং মিয়ানমারের Myan Oil Terminal, Swan Energy, Shoon Energy ইত্যাদি জড়িত। বাংলাদেশের উল্লেখ শুধু স্পুফিং-এ: জাহাজগুলো চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছে বলে ভুয়া সিগন্যাল পাঠানো হয়, কিন্তু চট্টগ্রামের কর্মকর্তারা এর সাথে অজানা। ইরান-মিয়ানমার সম্পর্ক মিয়ানমারের ২০২১-এর অভ্যুত্থানের পর শক্তিশালী হয়েছে; ইরান অস্ত্র বিক্রি করছে। ইরানের জন্য এটি নতুন বাজার (সিরিয়া, ভেনেজুয়েলা হারানোর

পর), এবং মিয়ানমারের জন্য সামরিক সুবিধা। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ টম অ্যান্ড্রুস বলেছেন, “এই ফুয়েল গণহত্যাকে জ্বালানি দিচ্ছে।” পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইইউ) সত্ত্বেও এটি চলছে, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কে চাপ সৃষ্টি করছে।” শেখ হাসিনা একাধিকবার নিজে দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ঘাঁটি চেয়েছিল, যা তিনি দিতে অস্বীকার করায় তার পতন ঘটানো হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি ভূমিকা অস্বীকার করলেও, তার প্রাক্তন মন্ত্রী অভিযোগ করেছেন যে, USAID এবং ক্লিনটন পরিবার ২০২৪-এর বিক্ষোভকে সমর্থন করেছে, যা “সুচিন্তিত কু” বলে দাবি। জেফ্রি স্যাক্সের মতো বিশ্লেষক বলেছেন যে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চুক্তি (GSOMIA এবং ACSA) স্বাক্ষর না করায় চাপ দেওয়া হয়েছে। এটি পাকিস্তানের ইমরান খানের

পতনের সাথে তুলনা করা হয়েছে। দেশের দখল নেবার পর এবার চট্টগ্রাম বন্দর ও সেন্ট মার্টিনের দখল নেবার পটভূমি তৈরি শুরু।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী বললেন, আর বিয়ে করতে চাই না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার কোটি টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গে শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা: পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মূল অভিযুক্ত অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা পাকিস্তানে ৫ আরোহীসহ নিখোঁজ কার্গো বিমান ‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’ ‘এত বিভীষিকাময় পরিস্থিতি হবে ভাবিনি, কক্সবাজারের আনন্দটাই মাটি’ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে সেরা ১০ গ্রাজুয়েটের তালিকায় ৭ জনই বাংলাদেশি ফিফার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ফিফার কাছে অভিযোগ করল মিশর পেনাল্টি মিস করার পর যা ভেবেছিলেন মেসি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু পাঁচ ক্রুসহ পাকিস্তানের মালবাহী উড়োজাহাজ নিখোঁজ ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু মহিলা লীগ নেত্রী ফরিদা গ্রেফতার ১৩ বছর পর পিতৃত্বের স্বীকৃতি পেল ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশু ‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব