ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ |
"মা, মিছিলে যাচ্ছি, যদি ফিরে না আসি মা, মনে করবে তোমার ছেলে বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য, শেখ মুজিবের মুক্তির জন্য জীবন দিয়ে গেছে।" ইতি— মতিয়ুর রহমান দশম শ্রেণি, নবকুমার ইনস্টিটিউট। ২৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯ এই গণ-অভ্যুত্থান ছিল বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মাইলফলক। মুক্তিকামী নিপীড়িত জনগণের পক্ষে দেওয়া ৬ দফা এবং পরবর্তীতে ছাত্র সমাজের দেওয়া ১১ দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছিল এ গণঅভ্যুত্থান। ৬ দফা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। এর মধ্যে নিহিত ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ । ৬ দফা না হলে কোনদিন ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান হতো না। আর গণ-অভ্যুত্থান না হলে সত্তরের নির্বাচন হতো না এবং নির্বাচন না হলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না, মুক্তিযুদ্ধ না হলে

দেশ স্বাধীন হতো না। ৬ দফা ছিল নির্যাতিত, নিপীড়িত, শোষিত এবং ন্যায্য সুবিধাবঞ্চিত বাঙালি জাতিকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর নাগপাশ থেকে মুক্ত করার জন্য বাঙালিদের প্রাণের দাবি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন ১৯৬৬ সালের ৭ জুন। অনেকের ধারণা ছিল ৬ দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা করতে স্বক্ষম হবেন না। তার দল আওয়ামী লীগ ধ্বংস হবে। কিন্তু বাস্তবে এই ৬ দফার কারণেই শেখ মুজিব বঙ্গবন্ধু জাতির জনক, সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। ৬ দফার কারণে বাংলাদেশ আজ স্বাধীন। রাজনীতিতে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে পারলে যে কি আকাশ

চুম্বি সফলতা অর্জন করা যায়ে এই ৬ দফাই তার প্রমাণ । ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণার পর তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠে। আন্দোলনকে নস্যাৎ করতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করে। মামলার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা দুর্বার ও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন গড়ে তোলে। পাকিস্তানী সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে এদিন ঢাকায় সচিবালয়ের সামনের রাজপথে নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর ও রুস্তম শহীদ হন। প্রতিবাদে সংগ্রামী জনতা সেদিন সচিবালয়ের দেয়াল ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষুব্ধ জনগণ আইয়ুব মোনায়েম চক্রের দালাল, মন্ত্রী, এমপিদের বাড়িতে এবং তাদের মুখপত্র হিসাবে

পরিচিত তৎকালীন দৈনিক পাকিস্তান ও পাকিস্তান অবজারভারে আগুন লাগিয়ে দেয়। জনগণ আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে আসাদ গেট নামকরণ করেন। জনতার রুদ্ররোষ এবং গণ অভ্যুত্থানের জোয়ারে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে প্রধান আসামি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব আসামিকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পতন ঘটে আইয়ুবের স্বৈরতন্ত্রের। স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ......

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাস্তায় প্রকাশ্যে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা জার্মানিতে ১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে চিকিৎসকের যাবজ্জীবন রামমন্দির হলেও তহবিল সংকটে বাবরি মসজিদের বিকল্প প্রকল্প ছোট করার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে চার দিনে ৩৮ নিরাপত্তাকর্মী ও ৫৪ সন্ত্রাসী নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত শুরু হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৭৪৫ সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব রেলস্টেশনে হামলা-লুটের শিকার বাক্‌প্রতিবন্ধী বুবি বেগম আর নেই Y ক্রোমোজোম হ্রাসে পুরুষ জাতি বিলুপ্তির শঙ্কা কতটা যৌক্তিক, বিজ্ঞান কী বলছে ষড়যন্ত্র করে ভোটে হারানো হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারও জড়িত: জামায়াত আমির লৈঙ্গিক সমতা অর্জনের এক অনন্য বৈশ্বিক সুযোগ এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী বললেন, আর বিয়ে করতে চাই না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার কোটি টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গে শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা: পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মূল অভিযুক্ত অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা পাকিস্তানে ৫ আরোহীসহ নিখোঁজ কার্গো বিমান ‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’