ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নাটোরে পুকুরে লাশ, রাষ্ট্রে ডুবে যাচ্ছে সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা। অবৈধ জামাতি ইউনুসের শাসনে সংখ্যালঘুর জীবন এখন সবচেয়ে সস্তা।
টাকা কম পাওয়ায় ফের ডাকাতির হুমকি ডাকাত দলের
ভবনমালিকের দায় দেখছেন মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী
রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ৪ নারীর মরদেহ উদ্ধার
সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনীতি: অলিউল্লাহ নোমানকে ঘিরে অভিযোগের বিস্তৃত চিত্র
*নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন
চবি ল্যাবরেটরি কলেজে উপেক্ষিত যোগ্যতা, প্রশ্নের মুখে নিয়োগ বোর্ড লবিংয়ের কাছে হার মানল যোগ্যতা চবি ল্যাবরেটরি কলেজে নিয়োগবঞ্চিত উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী
পুকুরে লাশ, রাষ্ট্রের মুখে তালা: সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ভেঙে পড়েছে—জবাবদিহির দায় কার?
নাটোরের হালসা ইউনিয়নের নবীন কৃষ্ণপুর গ্রামে চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকা সনাতন ধর্মাবলম্বী শ্রমজীবী নিমাই চন্দ্র দাস (৫০)-এর মরদেহ একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, নিখোঁজের পর পরিবার ও এলাকাবাসী উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কার্যকর নিরাপত্তা বা দ্রুত অনুসন্ধানের দৃশ্যমান উদ্যোগ ছিল না—এমন অভিযোগ উঠছে।
এই মৃত্যু ঘিরে যে প্রশ্নগুলো সামনে আসছে, সেগুলো কোনো একক ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, নিখোঁজ, নির্যাতন ও সন্দেহজনক মৃত্যুর খবর একের পর এক সামনে আসছে—এমনটাই বলছেন মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকেরা। কখনো নদী, কখনো পুকুর—লাশ উদ্ধারের খবর বাড়ছে, কিন্তু রাষ্ট্রীয় প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ছে না বলেই অভিযোগ।
সমালোচকেরা বলছেন, এটি কেবল
‘নিরাপত্তা ব্যর্থতা’ নয়; বরং সংখ্যালঘু নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার না দেওয়ার ধারাবাহিকতার ফল। একজন শ্রমজীবী মানুষ নিখোঁজ হয়ে চার দিন পর পুকুরে ভেসে ওঠেন—এতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব কোথায় ছিল, সেই প্রশ্ন এড়ানো যাচ্ছে না। তদন্তের গতি, দায় নির্ধারণ এবং দোষীদের বিচারের বিষয়ে স্পষ্টতা না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। নাটোরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের উদ্বেগ স্পষ্ট—আজ নাটোর, কাল কোথায়? এই নীরবতা ভাঙা না গেলে তালিকা দীর্ঘ হবে, আর দায় এড়ানোর সুযোগ পাবে না কেউ। সংখ্যালঘু নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব—এই সত্য অস্বীকারের জায়গা নেই। দ্রুত, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দৃশ্যমান জবাবদিহি ছাড়া আস্থা ফিরবে না—এটাই এখন সবচেয়ে জোরালো দাবি।
‘নিরাপত্তা ব্যর্থতা’ নয়; বরং সংখ্যালঘু নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার না দেওয়ার ধারাবাহিকতার ফল। একজন শ্রমজীবী মানুষ নিখোঁজ হয়ে চার দিন পর পুকুরে ভেসে ওঠেন—এতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব কোথায় ছিল, সেই প্রশ্ন এড়ানো যাচ্ছে না। তদন্তের গতি, দায় নির্ধারণ এবং দোষীদের বিচারের বিষয়ে স্পষ্টতা না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। নাটোরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের উদ্বেগ স্পষ্ট—আজ নাটোর, কাল কোথায়? এই নীরবতা ভাঙা না গেলে তালিকা দীর্ঘ হবে, আর দায় এড়ানোর সুযোগ পাবে না কেউ। সংখ্যালঘু নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব—এই সত্য অস্বীকারের জায়গা নেই। দ্রুত, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দৃশ্যমান জবাবদিহি ছাড়া আস্থা ফিরবে না—এটাই এখন সবচেয়ে জোরালো দাবি।



