ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শুধু ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রো রেল
বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে আবেদন
হরিলুট বাধা দিলেই তাণ্ডব চালায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা
আবারো সংকটে জাতি, আবারো তিনিই প্রেরণা
বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি: ১৬ মার্চ আলোচনার টেবিলে অধিকার ও চূড়ান্ত ফয়সালার ক্ষণ
রায়েরবাজার থেকে মিরপুর: মেধাশূন্য করার সেই নীল নকশা
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ: নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে নারী-শিশু এবং সংখ্যালঘুদের ওপর বাড়ছে সহিংসতা
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশে নারী, কিশোরী এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটির মতে, ২০২৪ সালের আগস্টের মনসুন বিপ্লবের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে।
বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে পুলিশি পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ড. ফৌজিয়া মোসলেম বলেন, ধর্মীয় কট্টরপন্থি গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা ও বক্তব্য বৃদ্ধির সঙ্গে এই সহিংসতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর মতে, এসব গোষ্ঠী নারীদের চলাচল, মতপ্রকাশ ও সামাজিক
অংশগ্রহণ সীমিত করতে চাইছে। ২০২৫ সালের মে মাসে কয়েকটি কট্টর ধর্মীয় সংগঠন নারী অধিকার ও জেন্ডার সমতা জোরদারে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে এবং সেগুলোকে “ইসলামবিরোধী” বলে আখ্যা দেয়। এর পর থেকেই নারী ও কিশোরীরা মৌখিক, শারীরিক ও ডিজিটাল নির্যাতনের মুখে পড়ছেন। মানবাধিকার কর্মীদের ভাষ্য, সহিংসতার আশঙ্কায় অনেক ভুক্তভোগী মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধেও সহিংসতা বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর অন্তত ৫১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ১০টি হত্যাকাণ্ড। গত ডিসেম্বরে কথিত ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ২৭ বছর বয়সী গার্মেন্টস কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে পার্বত্য
চট্টগ্রামে জাতিগত সংখ্যালঘুরা এখনো নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও নারীদের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে অতীতে দুইজন নারী প্রধানমন্ত্রী থাকলেও এবং ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা থাকলেও, আসন্ন নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ সীমিত। ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩০টি দলে কোনো নারী প্রার্থী নেই। ইসলামী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী তাদের ২৭৬ জন প্রার্থীর মধ্যেও একজন নারীকে মনোনয়ন দেয়নি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ অন্তর্বর্তী সরকারকে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, জাতিসংঘের ‘উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি’ এজেন্ডা অনুসরণ এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি সিডও (CEDAW) ও
আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদ (ICCPR) অনুযায়ী দায়বদ্ধতা পূরণ। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় সংবিধানিক বিধান কার্যকর করারও তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এসব দাবি নতুন নয়। মনসুন বিপ্লবের আগে ও পরে বাংলাদেশিরা বারবার এসব প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের এখনই লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সুস্পষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
অংশগ্রহণ সীমিত করতে চাইছে। ২০২৫ সালের মে মাসে কয়েকটি কট্টর ধর্মীয় সংগঠন নারী অধিকার ও জেন্ডার সমতা জোরদারে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে এবং সেগুলোকে “ইসলামবিরোধী” বলে আখ্যা দেয়। এর পর থেকেই নারী ও কিশোরীরা মৌখিক, শারীরিক ও ডিজিটাল নির্যাতনের মুখে পড়ছেন। মানবাধিকার কর্মীদের ভাষ্য, সহিংসতার আশঙ্কায় অনেক ভুক্তভোগী মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধেও সহিংসতা বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর অন্তত ৫১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ১০টি হত্যাকাণ্ড। গত ডিসেম্বরে কথিত ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ২৭ বছর বয়সী গার্মেন্টস কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে পার্বত্য
চট্টগ্রামে জাতিগত সংখ্যালঘুরা এখনো নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও নারীদের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে অতীতে দুইজন নারী প্রধানমন্ত্রী থাকলেও এবং ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা থাকলেও, আসন্ন নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ সীমিত। ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩০টি দলে কোনো নারী প্রার্থী নেই। ইসলামী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী তাদের ২৭৬ জন প্রার্থীর মধ্যেও একজন নারীকে মনোনয়ন দেয়নি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ অন্তর্বর্তী সরকারকে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, জাতিসংঘের ‘উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি’ এজেন্ডা অনুসরণ এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি সিডও (CEDAW) ও
আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদ (ICCPR) অনুযায়ী দায়বদ্ধতা পূরণ। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় সংবিধানিক বিধান কার্যকর করারও তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এসব দাবি নতুন নয়। মনসুন বিপ্লবের আগে ও পরে বাংলাদেশিরা বারবার এসব প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের এখনই লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সুস্পষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।



