ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন
নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি
এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন
নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী
জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার অপেক্ষায় থাকা অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে প্রকল্প সংশোধন ও ব্যয় বৃদ্ধির জন্য নজিরবিহীন তৎপরতা চালাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এই তৎপরতাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পনা কমিশন, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মহলে দুর্নীতি ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি (বিফট)-এর প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের (৭০ একর জমিতে মূল ব্যয় ১৫০০ কোটি টাকা) কাজ প্রায় স্থবির থাকা সত্ত্বেও, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব তার বন্ধু এএসএম আশরাফ (EDGE প্রকল্পের পরামর্শক) এবং শফিক উদ্দিন ভুঁইয়ার সহযোগিতায় প্রকল্পটির ব্যয় ১৩৩% বাড়িয়ে প্রায় ৩ হাজার ৮ কোটি টাকায় (৩৮৮৯৯২.১৬ লাখ)
নিয়ে যাওয়ার জন্য অস্বাভাবিক চাপ প্রয়োগ করছেন। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো—প্রকল্পের ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) সংশোধনের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পৌঁছানোর আগেই সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে কাজ শুরুর জন্য আইসিটি বিভাগ থেকে পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মূল প্রকল্পের পরিবর্তে বুয়েট ক্যাম্পাসে মাত্র ১.৫৮ একর জমিতে ২ হাজার কোটি (কোনো কোনো পত্রে ২৩০০ কোটি) টাকার নতুন বরাদ্দের জন্য তদবির চলছে। অভিযোগ উঠেছে, বুয়েটের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিকে ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তাবিত সংশোধনীতে অসংখ্য অসঙ্গতি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ: বুয়েট ক্যাম্পাসে বুয়েটের শিক্ষকদের জন্য ইতিমধ্যে আবাসন থাকা সত্ত্বেও নতুন করে স্টুডিও এপার্টমেন্ট ও ফ্যাকাল্টি এপার্টমেন্ট নির্মাণের প্রস্তাব প্রকল্প
পরিচালকের জন্য মাসিক ৮ লাখ টাকা এবং অন্যান্যদের জন্য ৩.৫ লাখ টাকা বেতনের প্রস্তাব—যার কোনো সরকারি পরিপত্র বা যৌক্তিকতা নেই প্রকল্পের ২ বছরের অপারেশনাল ব্যয় হিসেবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পরিকল্পনা কমিশনের একজন পদস্থ কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, ডিপিপি যাচাই-বাছাইয়ের আগেই চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দ্বিতীয় সংশোধনীর প্রস্তাবে নেতিবাচক মতামত দেওয়ার পরও অব্যাহত চাপ চলছে। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—পিপিআর-২০২৫ অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্রের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রথমে ২ হাজার কোটি, পরে ২৩০০ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে—যা অনেকের কাছে শুরুতেই ৩০০ কোটি টাকার ‘দুরভিসন্ধি’ বলে মনে হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক হিসেবে
নিয়োগ দেওয়া হয়েছে শফিক উদ্দিন ভুঁইয়াকে, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মসিউর রাহমান হুমায়ুনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অতীতে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব পলিসি পরামর্শক থাকাকালীন শফিক উদ্দিন ভুঁইয়ার সঙ্গে গাড়ি-তেলের ভুয়া ভাউচার ও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে দ্বন্দ্বের ঘটনাও উঠে এসেছে। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, রপ্তানি পতন ও বেকারত্বের চরম পর্যায়ে এমন বিপুল ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবকে অনেকে ‘ক্ষমতার শেষ মুহূর্তের দুর্নীতির মচ্ছব’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। জনগণের প্রশ্ন উঠেছে—যখন দেশের অর্থনীতি হিমশিম খাচ্ছে, তখন এই তড়িঘড়ি কার স্বার্থে?
নিয়ে যাওয়ার জন্য অস্বাভাবিক চাপ প্রয়োগ করছেন। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো—প্রকল্পের ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) সংশোধনের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পৌঁছানোর আগেই সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে কাজ শুরুর জন্য আইসিটি বিভাগ থেকে পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মূল প্রকল্পের পরিবর্তে বুয়েট ক্যাম্পাসে মাত্র ১.৫৮ একর জমিতে ২ হাজার কোটি (কোনো কোনো পত্রে ২৩০০ কোটি) টাকার নতুন বরাদ্দের জন্য তদবির চলছে। অভিযোগ উঠেছে, বুয়েটের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিকে ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তাবিত সংশোধনীতে অসংখ্য অসঙ্গতি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ: বুয়েট ক্যাম্পাসে বুয়েটের শিক্ষকদের জন্য ইতিমধ্যে আবাসন থাকা সত্ত্বেও নতুন করে স্টুডিও এপার্টমেন্ট ও ফ্যাকাল্টি এপার্টমেন্ট নির্মাণের প্রস্তাব প্রকল্প
পরিচালকের জন্য মাসিক ৮ লাখ টাকা এবং অন্যান্যদের জন্য ৩.৫ লাখ টাকা বেতনের প্রস্তাব—যার কোনো সরকারি পরিপত্র বা যৌক্তিকতা নেই প্রকল্পের ২ বছরের অপারেশনাল ব্যয় হিসেবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পরিকল্পনা কমিশনের একজন পদস্থ কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, ডিপিপি যাচাই-বাছাইয়ের আগেই চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দ্বিতীয় সংশোধনীর প্রস্তাবে নেতিবাচক মতামত দেওয়ার পরও অব্যাহত চাপ চলছে। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—পিপিআর-২০২৫ অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্রের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রথমে ২ হাজার কোটি, পরে ২৩০০ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে—যা অনেকের কাছে শুরুতেই ৩০০ কোটি টাকার ‘দুরভিসন্ধি’ বলে মনে হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক হিসেবে
নিয়োগ দেওয়া হয়েছে শফিক উদ্দিন ভুঁইয়াকে, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মসিউর রাহমান হুমায়ুনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অতীতে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব পলিসি পরামর্শক থাকাকালীন শফিক উদ্দিন ভুঁইয়ার সঙ্গে গাড়ি-তেলের ভুয়া ভাউচার ও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে দ্বন্দ্বের ঘটনাও উঠে এসেছে। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, রপ্তানি পতন ও বেকারত্বের চরম পর্যায়ে এমন বিপুল ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবকে অনেকে ‘ক্ষমতার শেষ মুহূর্তের দুর্নীতির মচ্ছব’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। জনগণের প্রশ্ন উঠেছে—যখন দেশের অর্থনীতি হিমশিম খাচ্ছে, তখন এই তড়িঘড়ি কার স্বার্থে?



