ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি
এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন
নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী
জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত
চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন বিভাগে নতুন করে ৯ জন কর্মচারীকে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নামকে শিবির–এনসিপি কোটাধারী হিসেবে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা চলছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কোটা আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে নতুন করে কোটায় নিয়োগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ প্রতিক্রীয়া দেখাচ্ছেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি অফিস আদেশে দেখা যায়—বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা ৯ জনকে ‘প্রশিক্ষণ সেবা সহকারী’ পদসহ কয়েকটি শূন্য পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পদায়নের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে আলোচনা শুরু হয়।
এ ৯ জন হচ্ছে- ছবিতে থাকা তালিকা অনুযায়ী ব্যক্তির নাম ও তাদের পদ নিচে দেওয়া হলো— প্রশিক্ষণ সেবা সহকারী পদে মোহাম্মদ মিরাজ, মোহাম্মাদ
শাকিল, মেহেরাজ হোসেন, মাহবুবুল আলম, শেফাতুল কাদের, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ তারেক আমির হোসেন ও মোহাম্মাদ ইব্রাহিম। সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন,শিবির–এনসিপি কোটার বিরোধিতায় এবং চাকরিতে রাজনৈতিক কোটা বাতিলের দাবিতে হওয়া বিস্তৃত আন্দোলনের পরেও কীভাবে একই কোটার প্রভাবে নিয়োগ/পদায়ন অব্যাহত থাকতে পারে। খোদ এনসিপির গণমাধ্যম শাখার পদত্যাগী প্রধান মুশফিকুস সালেহীন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “গত দেড় বছরে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও পদায়ন সম্পর্কে খোঁজ নিলে জামায়াতের ‘সৎ লোকের শাসন’ কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। চট্টগ্রামের ঘটনা শুধু একটি নিদর্শন।” অনেকে দাবি করছেন, রাজনৈতিক কোটা প্রয়োগে দলে দলে বিতর্কিত ব্যক্তিদের ঢুকে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো
মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অফিস আদেশে কেবল সংশ্লিষ্ট ৯ জন কর্মচারীর নামে পদায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার তথ্য উল্লেখ রয়েছে। নিয়োগ–পদায়ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনার মধ্যেই নতুন এই নথি প্রকাশ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে—চাকরিতে রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তা কতটা কার্যকর হচ্ছে।
শাকিল, মেহেরাজ হোসেন, মাহবুবুল আলম, শেফাতুল কাদের, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ তারেক আমির হোসেন ও মোহাম্মাদ ইব্রাহিম। সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন,শিবির–এনসিপি কোটার বিরোধিতায় এবং চাকরিতে রাজনৈতিক কোটা বাতিলের দাবিতে হওয়া বিস্তৃত আন্দোলনের পরেও কীভাবে একই কোটার প্রভাবে নিয়োগ/পদায়ন অব্যাহত থাকতে পারে। খোদ এনসিপির গণমাধ্যম শাখার পদত্যাগী প্রধান মুশফিকুস সালেহীন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “গত দেড় বছরে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও পদায়ন সম্পর্কে খোঁজ নিলে জামায়াতের ‘সৎ লোকের শাসন’ কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। চট্টগ্রামের ঘটনা শুধু একটি নিদর্শন।” অনেকে দাবি করছেন, রাজনৈতিক কোটা প্রয়োগে দলে দলে বিতর্কিত ব্যক্তিদের ঢুকে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো
মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অফিস আদেশে কেবল সংশ্লিষ্ট ৯ জন কর্মচারীর নামে পদায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার তথ্য উল্লেখ রয়েছে। নিয়োগ–পদায়ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনার মধ্যেই নতুন এই নথি প্রকাশ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে—চাকরিতে রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তা কতটা কার্যকর হচ্ছে।



