নোবেল বিজয়ী মহাজন, দেউলিয়া জাতি: ক্যুর সতেরো মাসে তলানিতে অর্থনীতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নোবেল বিজয়ী মহাজন, দেউলিয়া জাতি: ক্যুর সতেরো মাসে তলানিতে অর্থনীতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ জানুয়ারি, ২০২৬ |
দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণি এখন এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যেখানে মাস শেষে হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে খরচ হয়ে যাচ্ছে আয়ের চেয়েও বেশি। পিপিআরসির জরিপ যা বলছে, তা আসলে প্রতিটি ঘরের মানুষ প্রতিদিন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। চাল কিনতে গেলে দাম শুনে চোখ কপালে ওঠে, ডাল কিনতে গেলে মনে হয় সোনা কিনছি, আর সবজির বাজার করতে গেলে মাথায় হাত। এই যে অবস্থা, এর জন্য দায়ী কারা? যারা ০২৪ সালের জুলাই মাসে রক্তের বন্যা বইয়ে, দেশজুড়ে লুটপাট আর ভাঙচুর চালিয়ে একটি নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজেরা গদিতে বসেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনুস আর তার তথাকথিত উপদেষ্টা পরিষদ গত ছয় মাস ধরে যা করছে, তাকে

শাসন বলা যায় না, বরং দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া বলাই ঠিক। তারা ক্ষমতায় এসেছিল কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে নয়, জনগণের রায়ে নয়, বরং সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থন আর বিদেশি শক্তির আর্থিক মদদে। ইসলামি জঙ্গি সংগঠনগুলো যেভাবে জুলাই মাসে রাস্তায় তাণ্ডব চালিয়েছিল, পুলিশ হত্যা করেছিল, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিল, সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এই অবৈধ শাসনব্যবস্থা। এখন মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। টানা ৪৬ মাস ধরে মানুষের আয় বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। মানে সহজ কথায়, আপনার বেতন যতটুকু বাড়ছে, দাম বাড়ছে তার চেয়ে বেশি। ফলাফল? মাস শেষে হাতে পয়সা থাকছে না, সঞ্চয় ভাঙতে হচ্ছে, কেউ কেউ ঋণ নিতে বাধ্য

হচ্ছে। একজন সাধারণ চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী যখন বাজারে যাচ্ছে, তখন তার মনে হচ্ছে সে যেন অন্য কোনো দেশে চলে এসেছে, যেখানে টাকার কোনো দাম নেই। ইউনুস সাহেব আর তার দল ক্ষমতায় আসার পর থেকে অর্থনীতি সামলানোর কোনো পরিকল্পনা দেখাতে পারেনি। বরং তারা ব্যস্ত থেকেছে প্রতিশোধ নিতে, বিরোধীদের ধরপাকড় করতে, আর নিজেদের লোকজনকে বিভিন্ন পদে বসাতে। দেশের অর্থনীতি যে ডুবে যাচ্ছে, মানুষ যে খেতে পারছে না, সেদিকে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। ক্ষমতা দখলের পর এত দিনে তারা কী করেছে? মূল্যস্ফীতি কমানোর কোনো উদ্যোগ নিয়েছে? বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে? সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেছে? কিছুই না। উল্টো যেটা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগ একেবারে থেমে গেছে।

কোনো ব্যবসায়ী বা শিল্পপতি এমন একটি অবৈধ সরকারের আমলে বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছে না, যে সরকারের নিজের ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত। ফলে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না, নতুন চাকরির সুযোগ আসছে না। যারা চাকরি হারিয়েছে জুলাইয়ের তাণ্ডবে, তারা এখনো বেকার বসে আছে। আর যাদের চাকরি আছে, তারা টানাটানি করে দিন কাটাচ্ছে। ইউনুস সাহেব মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, কিন্তু দেশ চালানোর কোনো যোগ্যতা তার নেই। একজন সুদি মহাজন যিনি সারাজীবন গরিব মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা আদায় করে ধনী হয়েছেন, তার কাছে সাধারণ মানুষের দুর্দশা বোঝার মতো মানসিকতা আশা করাটাই বোকামি। তিনি আর তার উপদেষ্টারা বসে আছেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে, গাড়িতে চড়ে চলাফেরা

করছেন, তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষ যখন বাজারে যায়, তখন সে বুঝতে পারে এই দেশের অবস্থা কতটা খারাপ। সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, এই অবৈধ সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই। তারা কাউকে কোনো হিসাব দিতে বাধ্য নয়, কারণ তারা জনগণের ভোটে আসেনি। সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় আর বিদেশি প্রভুদের মদদে তারা টিকে আছে। দেশের মানুষের দুর্দশা তাদের কোনো চিন্তার বিষয় নয়। তারা শুধু ক্ষমতায় থাকতে চায়, যেকোনো মূল্যে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে শুধু মুদ্রানীতি নয়, বাজার ব্যবস্থাপনা আর সরবরাহ চেইন ঠিক করা জরুরি। কিন্তু এই সরকার সেই দিকে নজর দেবে কেন? তাদের উদ্দেশ্যই তো ভিন্ন। তারা এসেছিল ক্ষমতা দখল

করতে, দেশের উন্নয়ন করতে নয়। জুলাই মাসে যে রক্তের দাগ তারা রাস্তায় ফেলে এসেছে, সেই দায় থেকে তারা কোনোদিন মুক্ত হতে পারবে না। এখন পরিস্থিতি এমন জায়গায় গেছে যে সাধারণ মানুষ নিজের প্রতি, সরকারের প্রতি, এমনকি দেশের প্রতিও আস্থা হারাচ্ছে। মানুষ ভাবছে, এই দেশে কি আর সুদিন ফিরবে? একজন রাজধানীর বাসিন্দা যা বলেছেন, তা আসলে সবার কথা। আয় বাড়ছে না, কিন্তু খরচ আকাশচুম্বী। এভাবে চলা অসম্ভব হয়ে উঠছে। কিন্তু ইউনুস সাহেবের কানে এসব কথা পৌঁছাবে না, কারণ তিনি ব্যস্ত আছেন নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে। যে সরকার বিদেশি টাকায় পরিচালিত, যে সরকার জঙ্গিদের সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছে, যে সরকার সামরিক বাহিনীর দয়ায় টিকে আছে,

সেই সরকারের কাছ থেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণ আশা করা বৃথা। এই অবৈধ শাসনব্যবস্থা যতদিন চলবে, ততদিন দেশের অর্থনীতির অবনতি হতেই থাকবে। মধ্যবিত্ত শ্রেণি ধীরে ধীরে নিঃস্ব হয়ে যাবে, আর ধনীরা আরো ধনী হবে। এটাই ইউনুস সাহেবের উন্নয়নের মডেল, যেখানে গরিবের পকেট কেটে নিজেদের পেছন মোটা করা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
শেখ মুজিব-বাঙালির একমাত্র মাহানায়ক গোপালগঞ্জের সন্তান- হেমায়েত বাহিনীর ক্যাপ্টেন হেমায়েত বীর বিক্রম, যাঁর নামে কলজে শুকিয়ে যেত পাকিস্তানিদের ঈদে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানো নিয়েও ইউনুসের ছলচাতুরী ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয় লোক নেওয়া হলে আদালতে যাওয়ার হুশিয়ারি রাশেদা কে চৌধুরীর বাংলার মাটি ও মানুষের প্রতি মমতায় গড়া এক নেতৃত্বের নাম শেখ মুজিব কাবুলে হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ ও বর্বরতা ১৯৭১ এর মতোই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলার কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি হচ্ছে স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত শেখ হাসিনার ডেল্টা প্লানকে তারেক রহমান চালাচ্ছেন খালকাটা কর্মসূচি হিসেবে ‘ইউনূসকে ঠিকই চিনেছিলেন শেখ হাসিনা’, কারামুক্ত হয়ে আনিস আলমগীর ইতিহাস থেকে রাষ্ট্র বিনির্মাণ: দেশবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধু কামরুল হাসান বেঁচে থাকলে ড. ইউনূসকে ‘বিশ্ব বাটপার’ উপাধি দিতেন: আনিস আলমগীর রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, বিপাকে যেসব জেলা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব শুধু ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রো রেল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি, অডিও ফাঁস পদত্যাগ করেছেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান চীনে আল্ট্রা-ট্রেইল শিয়ামেনে অংশ নিলেন ইমামুর রহমান ১০০ দেশ ভ্রমণের লক্ষ্য তরুণ তুর্কী শাকিব উদ্দিনের