ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে
ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের
পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’
প্রেমের ফাঁদে ফেলে পর্নোগ্রাফি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল: চট্টগ্রামে শিবির নেতা গ্রেপ্তার
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের প্রার্থী ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। প্রশাসনের যে দ্বিচারিতামূলক আচরণ, তাতে নিরপেক্ষ-সুষ্ঠু, অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন কতটা হতে পারে সেটি নিয়ে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি।
শুক্রবার কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে সাংবাদিকদের তিনি এমন মন্তব্য করেন। যাচাই বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলেন। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত আধা ঘণ্টা আলোচনা হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের নিয়মানুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ
করে অভিযোগ করতে বলেন। এতে সম্মেলন কক্ষের ভেতরই উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়াতে দেখা যায়। এর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তবে যাচাই বাছাই শেষে দুইজনেরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। পর্যাপ্ত যুক্তি ও তথ্য থাকার পরও আমাদের একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেন। এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পরে। নির্বাচনী বিধিমালয় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, যদি কোনও প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে
- তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও সেখানে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। মনে হয় প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সহজ কথা। তবে মঞ্জু মুন্সির আইনজীবী অ্যাড. খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, মুন্সীর নিজের কোনও ঋণ নেই। কোম্পানির ঋণ ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে আদালতে স্থগিতাদেশ ছিল। মামলা চলমান থাকার বিষয়ে হাসনাতের কাছে যথেষ্ট তথ্য ছিল না। তাই বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের কোনও কারণ ছিল না।
করে অভিযোগ করতে বলেন। এতে সম্মেলন কক্ষের ভেতরই উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়াতে দেখা যায়। এর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তবে যাচাই বাছাই শেষে দুইজনেরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। পর্যাপ্ত যুক্তি ও তথ্য থাকার পরও আমাদের একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেন। এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পরে। নির্বাচনী বিধিমালয় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, যদি কোনও প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে
- তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও সেখানে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। মনে হয় প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সহজ কথা। তবে মঞ্জু মুন্সির আইনজীবী অ্যাড. খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, মুন্সীর নিজের কোনও ঋণ নেই। কোম্পানির ঋণ ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে আদালতে স্থগিতাদেশ ছিল। মামলা চলমান থাকার বিষয়ে হাসনাতের কাছে যথেষ্ট তথ্য ছিল না। তাই বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের কোনও কারণ ছিল না।



