ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চবিতে পোস্টার হাতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের টাকায় এনজিও অভিযোগ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের
এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা
রাশেদ প্রধান লিমিট ক্রস করে বক্তব্য দিচ্ছে: রাশেদ খাঁন
বরিশাল নগরের প্রাণকেন্দ্রে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
জামায়াত জোট জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ; পিএস জনি আটক
কারাগারকে হত্যা কারখানায় পরিণত করা হয়েছে অবৈধ ইন্টারিম থেকে বিএনপি…
পঞ্চগড় জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ হারুন কারাগারে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে দিনাজপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
এটি কি সত্যিই স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি কারাগারের ভেতরে আরেকটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড?
অবৈধ ইন্টারিম প্রশাসন থেকে শুরু করে বর্তমান বিএনপি সরকার মিলে কারাগারের ভেতরে একটি সুসংগঠিত “আওয়ামী লীগ নিধন প্রজেক্ট” চালু করেছে। পরিকল্পিত অবহেলা, চিকিৎসা বঞ্চনা, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি এমন কিছু ওষুধ ব্যবহার হচ্ছে যা সরাসরি হৃদ্যন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে।
বিশেষ করে ডিজিটালিস গ্রুপের হৃদরোগের ওষুধ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়াই এই ধরনের ওষুধ
ব্যবহার হচ্ছে জেলখানাতে—যেখানে শরীরে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন থাকে না, অথচ মৃত্যুকে সহজেই “স্বাভাবিক হার্ট ফেইলিওর” বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব আওয়ামী লীগ নেতা স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং জনসমর্থন শক্তিশালী, তাদেরই একে একে টার্গেট করা হচ্ছে। যেন কারাগারকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রশ্ন এখন পুরো জাতির সামনে—কারাগার কি ন্যায়বিচারের জায়গা, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গোপন মৃত্যুকূপ? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনের সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। কারাগার কি ন্যায়বিচারের জায়গা, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গোপন মৃত্যুকূপ? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনের সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। এবং এই সকল হত্যা কাণ্ডের
বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে।
ব্যবহার হচ্ছে জেলখানাতে—যেখানে শরীরে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন থাকে না, অথচ মৃত্যুকে সহজেই “স্বাভাবিক হার্ট ফেইলিওর” বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব আওয়ামী লীগ নেতা স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং জনসমর্থন শক্তিশালী, তাদেরই একে একে টার্গেট করা হচ্ছে। যেন কারাগারকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রশ্ন এখন পুরো জাতির সামনে—কারাগার কি ন্যায়বিচারের জায়গা, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গোপন মৃত্যুকূপ? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনের সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। কারাগার কি ন্যায়বিচারের জায়গা, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গোপন মৃত্যুকূপ? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনের সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। এবং এই সকল হত্যা কাণ্ডের
বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে।



