ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
কারাগারকে হত্যা কারখানায় পরিণত করা হয়েছে অবৈধ ইন্টারিম থেকে বিএনপি…
পঞ্চগড় জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ হারুন কারাগারে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে দিনাজপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
এটি কি সত্যিই স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি কারাগারের ভেতরে আরেকটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড?
অবৈধ ইন্টারিম প্রশাসন থেকে শুরু করে বর্তমান বিএনপি সরকার মিলে কারাগারের ভেতরে একটি সুসংগঠিত “আওয়ামী লীগ নিধন প্রজেক্ট” চালু করেছে। পরিকল্পিত অবহেলা, চিকিৎসা বঞ্চনা, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি এমন কিছু ওষুধ ব্যবহার হচ্ছে যা সরাসরি হৃদ্যন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে।
বিশেষ করে ডিজিটালিস গ্রুপের হৃদরোগের ওষুধ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়াই এই ধরনের ওষুধ
ব্যবহার হচ্ছে জেলখানাতে—যেখানে শরীরে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন থাকে না, অথচ মৃত্যুকে সহজেই “স্বাভাবিক হার্ট ফেইলিওর” বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব আওয়ামী লীগ নেতা স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং জনসমর্থন শক্তিশালী, তাদেরই একে একে টার্গেট করা হচ্ছে। যেন কারাগারকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রশ্ন এখন পুরো জাতির সামনে—কারাগার কি ন্যায়বিচারের জায়গা, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গোপন মৃত্যুকূপ? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনের সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। কারাগার কি ন্যায়বিচারের জায়গা, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গোপন মৃত্যুকূপ? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনের সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। এবং এই সকল হত্যা কাণ্ডের
বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে।
ব্যবহার হচ্ছে জেলখানাতে—যেখানে শরীরে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন থাকে না, অথচ মৃত্যুকে সহজেই “স্বাভাবিক হার্ট ফেইলিওর” বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব আওয়ামী লীগ নেতা স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং জনসমর্থন শক্তিশালী, তাদেরই একে একে টার্গেট করা হচ্ছে। যেন কারাগারকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রশ্ন এখন পুরো জাতির সামনে—কারাগার কি ন্যায়বিচারের জায়গা, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গোপন মৃত্যুকূপ? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনের সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। কারাগার কি ন্যায়বিচারের জায়গা, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গোপন মৃত্যুকূপ? এই ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনের সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। এবং এই সকল হত্যা কাণ্ডের
বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে।



