ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বুকিং ডটকমে প্রতারণার ঝুঁকি তদন্ত করছে ইইউ
ফোনের র্যাম বাড়াতে যা করবেন
এআইকে এই ৫টি প্রশ্ন করবেন না
পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬ ড্রোন চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চীন
গুগলকে ৪০৩ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা
এআই ব্যবহার করে যেভাবে বোমা বানাচ্ছে আইএস!
‘আইফোন ডুও’ উন্মোচনের পর গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮-এর বিক্রি বাড়ল ১০ শতাংশ!
ঘুমানোর সময় ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখলে শরীরে কী হয়, জানলে অবাক হবেন
আজকের দিনে ইন্টারনেট ছাড়া জীবন কল্পনা করা কঠিন। এমনকি ঘুমের সময়ও অনেকের ওয়াই-ফাই চালু থাকে। তবে সম্প্রতি প্রশ্ন উঠেছে—রাতের ঘুমের সময় রাউটার বন্ধ রাখলে কি তা শরীরের জন্য সত্যিই উপকারী? চিকিৎসকেরা বলছেন, সরাসরি শারীরিক পরিবর্তন না এলেও, এটি মানসিক শান্তির মাধ্যমে ঘুমের মান উন্নত করতে পারে।
ভারতের ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদনে চিকিৎসকরা এই বিষয়ে মত দিয়েছেন। হায়দরাবাদের গ্লেনিগলস হাসপাতালের ডা. হিরণ রেড্ডি বলেন, ওয়াই-ফাই রাউটার থেকে বের হওয়া রেডিয়েশন অত্যন্ত কম। তিনি বলেন, শুধু সাত দিন রাতের সময় রাউটার বন্ধ রাখলেও তেমন কোনো বড় শারীরিক পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যাদের শরীর রেডিয়েশনে সংবেদনশীল বলে মনে হয়, তারা হয়তো মাথাব্যথা বা ঘুমের সমস্যা
থেকে কিছুটা আরাম পেতে পারেন। তবে এই সংবেদনশীলতা বৈজ্ঞানিকভাবে পুরোপুরি প্রমাণিত নয়। অ্যাপোলো হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. সুধীর কুমার বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই যে ওয়াই-ফাই রাউটার মেলাটোনিন হরমোনে প্রভাব ফেলে, যা ঘুমের জন্য দায়ী। বরং সমস্যার মূল কারণ হলো ফোন বা ল্যাপটপের নীল আলো, যা ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন কমিয়ে দেয়। ডা. রেড্ডি আরও উল্লেখ করেন, যারা রাতের সময় রাউটার বন্ধ রাখেন, তারা সাধারণত স্ক্রিন টাইমও কমান। এই স্ক্রিন এড়িয়ে চলার কারণে মন শান্ত থাকে এবং ঘুম ভালো হয়। ভালো ঘুমের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং মস্তিষ্ক কার্যকরভাবে কাজ করে। চিকিৎসকদের মতে, রাতের সময় ওয়াই-ফাই বন্ধ
রাখার কারণে শরীরে কোনো বড় পরিবর্তন হয় না। তবে এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়, যা স্বাস্থ্যকর ঘুম এবং মানসিক শান্তির জন্য একটি উপকারী অভ্যাস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
থেকে কিছুটা আরাম পেতে পারেন। তবে এই সংবেদনশীলতা বৈজ্ঞানিকভাবে পুরোপুরি প্রমাণিত নয়। অ্যাপোলো হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. সুধীর কুমার বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই যে ওয়াই-ফাই রাউটার মেলাটোনিন হরমোনে প্রভাব ফেলে, যা ঘুমের জন্য দায়ী। বরং সমস্যার মূল কারণ হলো ফোন বা ল্যাপটপের নীল আলো, যা ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন কমিয়ে দেয়। ডা. রেড্ডি আরও উল্লেখ করেন, যারা রাতের সময় রাউটার বন্ধ রাখেন, তারা সাধারণত স্ক্রিন টাইমও কমান। এই স্ক্রিন এড়িয়ে চলার কারণে মন শান্ত থাকে এবং ঘুম ভালো হয়। ভালো ঘুমের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং মস্তিষ্ক কার্যকরভাবে কাজ করে। চিকিৎসকদের মতে, রাতের সময় ওয়াই-ফাই বন্ধ
রাখার কারণে শরীরে কোনো বড় পরিবর্তন হয় না। তবে এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়, যা স্বাস্থ্যকর ঘুম এবং মানসিক শান্তির জন্য একটি উপকারী অভ্যাস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।





