ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
এবার নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তারের দাবিতে ফুঁসে উঠলেন আর্জেন্টাইন নোবেল বিজয়ী
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিরুদ্ধে একটি ফেডারেল আদালতে পিটিশন দাখিল করে আর্জেন্টিনার নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী আদোলফো পেরেজ এস্কুইভেল দাবি করেছেন, আর্জেন্টিনাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-এর অধীনে তার আইনি বাধ্যবাধকতা পালনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং যদি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশটিতে আসেন, তবে তাকে অবশ্যই গ্রেপ্তার করতে হবে। এ খবর জানিয়েছে আল মায়াদিন।
সোমবার আর্জেন্টিনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এস্কুইভেল জানান, তিনি তার আনুষ্ঠানিক আবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনার উচিত আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং আইসিসি যে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে, তা কার্যকর করা।
দিনি বলেন, “যদি তিনি (নেতানিয়াহু) এখানে আসেন প্রেসিডেন্ট মিলেয়ের আমন্ত্রণে, তাহলে
অবশ্যই প্রতিরোধের মুখে পড়বেন। আমরা আশা করি, তিনি এই দেশে না আসেন।” তিনি সরকারের স্মরণ করিয়ে দেন যে, আর্জেন্টিনা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এখতিয়ারকে স্বীকৃতি দেয়, ফলে আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। পেরেজের ভাষায়, “ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং এতে আনুমানিক ২০ হাজার ০০০ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে জবাবদিহি এড়ানো সম্ভব নয়।” পেরেজ প্রেসিডেন্ট মিলেয়ের সরকারের সমালোচনা করে বলেন, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর না করার অবস্থান গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। তিনি বলেন, “আদালতের অবস্থান স্পষ্ট। প্রেসিডেন্টের অস্বীকৃতি গণতন্ত্রের জন্য একটি নেতিবাচক বার্তা এবং এটি আর্জেন্টিনার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্রমবর্ধমান একত্রীকরণের ইঙ্গিত দেয়।” লাতিন আমেরিকায়
মানবাধিকার আন্দোলনের একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পেরেজ ১৯৮০ সালে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিরোধের অগ্রভাগে। সে সময় তাকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হয়েছিল। এবারও তিনি রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের পক্ষে তার আজীবন অঙ্গীকারের পুনরায় প্রকাশ ঘটালেন। সূত্র: মেহের নিউজ
অবশ্যই প্রতিরোধের মুখে পড়বেন। আমরা আশা করি, তিনি এই দেশে না আসেন।” তিনি সরকারের স্মরণ করিয়ে দেন যে, আর্জেন্টিনা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এখতিয়ারকে স্বীকৃতি দেয়, ফলে আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। পেরেজের ভাষায়, “ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং এতে আনুমানিক ২০ হাজার ০০০ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে জবাবদিহি এড়ানো সম্ভব নয়।” পেরেজ প্রেসিডেন্ট মিলেয়ের সরকারের সমালোচনা করে বলেন, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর না করার অবস্থান গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। তিনি বলেন, “আদালতের অবস্থান স্পষ্ট। প্রেসিডেন্টের অস্বীকৃতি গণতন্ত্রের জন্য একটি নেতিবাচক বার্তা এবং এটি আর্জেন্টিনার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্রমবর্ধমান একত্রীকরণের ইঙ্গিত দেয়।” লাতিন আমেরিকায়
মানবাধিকার আন্দোলনের একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পেরেজ ১৯৮০ সালে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিরোধের অগ্রভাগে। সে সময় তাকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হয়েছিল। এবারও তিনি রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের পক্ষে তার আজীবন অঙ্গীকারের পুনরায় প্রকাশ ঘটালেন। সূত্র: মেহের নিউজ



