ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
অনলাইনে গেম খেলতে নিষেধ করায় ভারতে ৩ বোনের আত্মহত্যা
ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সামনে মানববন্ধন, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের দাবি
দুবাইয়ে যৌন ব্যবসা চক্রের প্রধান গ্রেপ্তার
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ে অসহায় নারীদের শোষণ-নির্যাতনের এবং তাদের দিয়ে যৌন ব্যবসা করাচ্ছে একটি চক্র। এ নিয়ে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ইউএইর গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান শুরু করে। অবশেষে চক্রটির মূল হোতা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম চার্লস ‘অ্যাবি’ মোসিগা। তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত প্রকাশ্য কোনো ঘোষণা দেয়নি। ইউএইর আদালতে মোসিগাকে তোলা হয়েছে কি না বা তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একটি সূত্র বলছে, তাকে আল আওয়াইরে কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রাখা হয়েছে।
বিবিসি জানায়, এ ব্যক্তি বিবিসির প্রতিবেদককে বলেছিলেন, একটি সেক্স
পার্টির জন্য তিনি ন্যূনতম এক হাজার ডলার দরে নারী সরবরাহ করতে পারবেন। তাকে টাকা পরিশোধ করলে নারীদের দিয়ে যে কোনো কাজ করানো যাবে বলেও তিনি জানান। মোসিগার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন উগান্ডার কয়েকজন তরুণী। তারা জানান, চাকরি ও সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের দুবাই এনে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়। এরপর থেকে তারা এক প্রকারের জিম্মি। এদিকে গত সপ্তাহে ইউএইর উগান্ডা দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, মানব পাচারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। ইউএই কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নিয়েছে। মোসিগার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ইন্টারপোলের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উগান্ডা দূতাবাস ।
পার্টির জন্য তিনি ন্যূনতম এক হাজার ডলার দরে নারী সরবরাহ করতে পারবেন। তাকে টাকা পরিশোধ করলে নারীদের দিয়ে যে কোনো কাজ করানো যাবে বলেও তিনি জানান। মোসিগার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন উগান্ডার কয়েকজন তরুণী। তারা জানান, চাকরি ও সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের দুবাই এনে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়। এরপর থেকে তারা এক প্রকারের জিম্মি। এদিকে গত সপ্তাহে ইউএইর উগান্ডা দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, মানব পাচারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। ইউএই কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নিয়েছে। মোসিগার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ইন্টারপোলের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উগান্ডা দূতাবাস ।



