ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের ‘জাতীয় সমাবেশ’ আজ
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘জাতীয় সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হবে আজ শনিবার। দুপুর ২টা থেকে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সমাবেশ ঘিরে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। আজও সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে যেতে দেখা গেছে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীদের।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াত জানিয়েছে, সমাবেশে তারা বিএনপি, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তারাও বক্তব্য দেবেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
দলটির নেতারা জানিয়েছেন, সমাবেশে বড় ধরনের জমায়েত নিশ্চিত করতে সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীরা আসতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রেলপথ, নৌপথ ও
সড়কপথে আসছেন তারা। মূলত সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ জাতীয় সমাবেশ করছে জামায়াত। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, সব গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার, ‘জুলাই সনদ’ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন ও এক কোটিরও বেশি প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ।
সড়কপথে আসছেন তারা। মূলত সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ জাতীয় সমাবেশ করছে জামায়াত। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, সব গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার, ‘জুলাই সনদ’ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন ও এক কোটিরও বেশি প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ।



