ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ড: ইউনুস রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক দালাল
দাঙ্গা করে ক্ষমতায় বসা মানুষ ইউনুসের কাছে শিশুর জীবনের মূল্য কত?
ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে স্ত্রী-সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে না দেওয়া ‘চরম অমানবিক’: আ.লীগের নিন্দা
বিকেএমইএ-এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেছেন, গত এক বছরে ২০০ থেকে ২৫০ গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে
‘দল হ্যারাই ভালো চালায়’—গ্যাস সংকটের ক্ষোভের মাঝেও আওয়ামী লীগসহ নির্বাচন চাইলেন চালক
বন্ধ ৩২৭ কারখানা, কর্মহীন দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক
ইউনুসের গণভোট প্রহসন : সংবিধান ও গণতন্ত্রের সাথে নগ্ন প্রতারণা
চোখে গুলি নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে রাশেদের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হয় দোকান কর্মচারী মো. রাশেদ। চিকিৎসা হলেও বর্তমানে তার চোখের নিচে একটি, মাথায় ৩টি ও বামহাতে ৩টিসহ মোট ৭টি বুলেট নিয়ে অতি কষ্টে দিন পার করছে তিনি।
রাশেদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কাদির হানিফ ইউনিয়নের মনপুর গ্রামে।
জানা যায়, গত ২ আগস্ট বিকেলে ঢাকার নীলক্ষেত মোড়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালায় পুলিশ। এসময় ঢাকা নিউমার্কেটের মরিয়ম লেইস হাউসের কর্মচারী মো. রাশেদ গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ রাশেদকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আন্দোলনকারী ও স্থানীয়রা পপুলার হসপিটালে নিয়ে যায়। সেখানে অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকায় এবং তার কোনো গার্ডিয়ান না থাকায় ডাক্তার কয়েকটি বুলেট বের করে এবং
প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রিলিজ করে দেয়। পরে শিকদার মেডিকেল কলেজের এক নার্স রাশেদকে বাসায় নিয়ে যায় এবং বাসার নিচে চিকিৎসা দেয়। পরে মোটামুটি সুস্থ হলে নোয়াখালীর গ্রামের বাড়িতে ফিরে যান তিনি। নোয়াখালীতে ফেরার পর তার পরিবার তাকে নোয়াখালী ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ডা. সাইফ মোহাম্মদ ফাহাদকে দেখালে ডাক্তার তাকে জরুরিভিত্তিতে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে অথবা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পক্ষ থেকে কেউ তার খোঁজখবর নেয়নি। শরীরে বুলেট বহন করে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জীবনের কথা ভেবে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছে রাশেদ ও তার পরিবার।
প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রিলিজ করে দেয়। পরে শিকদার মেডিকেল কলেজের এক নার্স রাশেদকে বাসায় নিয়ে যায় এবং বাসার নিচে চিকিৎসা দেয়। পরে মোটামুটি সুস্থ হলে নোয়াখালীর গ্রামের বাড়িতে ফিরে যান তিনি। নোয়াখালীতে ফেরার পর তার পরিবার তাকে নোয়াখালী ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ডা. সাইফ মোহাম্মদ ফাহাদকে দেখালে ডাক্তার তাকে জরুরিভিত্তিতে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে অথবা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পক্ষ থেকে কেউ তার খোঁজখবর নেয়নি। শরীরে বুলেট বহন করে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জীবনের কথা ভেবে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছে রাশেদ ও তার পরিবার।



