দাঙ্গা করে ক্ষমতায় বসা মানুষ ইউনুসের কাছে শিশুর জীবনের মূল্য কত? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

দাঙ্গা করে ক্ষমতায় বসা মানুষ ইউনুসের কাছে শিশুর জীবনের মূল্য কত?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ |
মুহাম্মদ ইউনুস যখন বিদেশি টাকায় পোষা সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশে আগুন জ্বালিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন, তখন থেকে এখন পর্যন্ত চারশো দশটা শিশু খুন হয়েছে এই দেশে। চারশো দশ। একটা নয়, দুটো নয়। প্রতিদিন গড়ে দুটো করে শিশুর মৃত্যু। কিন্তু এই মানুষটা, যিনি নিজেকে দেশের ত্রাণকর্তা বলে দাবি করেন, তার মুখ থেকে একবারও এই ভয়াবহতা নিয়ে কোনো কথা শোনা যায়নি। রাজনৈতিক হত্যা নিয়ে, মব জাস্টিস নিয়ে, কারাগারে মৃত্যু নিয়ে তার সরকার যত বড় বড় কথা বলে, ততটুকু উচ্চবাচ্যও নেই শিশুহত্যা নিয়ে। কারণটা পরিষ্কার। রাজনৈতিক হত্যা দিয়ে আগের সরকারকে দোষারোপ করা যায়, ভোট ব্যাংক তৈরি হয়। কিন্তু শিশুহত্যার দায় তো সমাজের, রাষ্ট্রযন্ত্রের, আইনশৃঙ্খলার। সেই

দায় নিতে গেলে তো নিজের অক্ষমতা স্বীকার করতে হয়। ইউনুস সাহেব বিদেশে গিয়ে মানবাধিকার নিয়ে বক্তৃতা দেন। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে গরীবের বন্ধু সেজে ফটোসেশন করেন। কিন্তু যে দেশের শাসক হিসেবে তিনি বসে আছেন, সেখানে পাঁচ বছরের মুনতাহাকে তার গৃহশিক্ষক অপহরণ করে খুন করে ডোবায় ফেলে দিলো। ছোট্ট আছিয়াকে পরিবারের লোকজনই ধর্ষণ করে মেরে ফেলার চেষ্টা করলো। এসব ঘটনার পর কোথায় ছিলেন উপদেষ্টারা? কোথায় ছিল তাদের মানবিকতা? ইউনুসের তথাকথিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পুলিশ বাহিনী মনোবল হারিয়েছে। বিচারব্যবস্থা পঙ্গু হয়ে আছে। আর সেই সুযোগে শিশুরা আরও বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। যে দেশে রাজনৈতিক হত্যা বছরে

একশ দুয়েকটা, সেখানে শিশুহত্যা পাঁচশ ছাড়িয়ে যায় কেন? কারণ শিশুরা ভোট দেয় না, রাজনীতি করে না, তাই তাদের মৃত্যু নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই। ইউনুস যে পদ্ধতিতে ক্ষমতায় এসেছেন, সেটা নিজেই একটা নৈরাজ্যের বার্তা। দাঙ্গা করে, রক্তপাত ঘটিয়ে, নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে যখন কেউ ক্ষমতায় বসে, তখন সেটা সমাজে কী বার্তা দেয়? বার্তা দেয় যে আইনের কোনো মূল্য নেই, বিচারের কোনো দরকার নেই, শক্তি আর সহিংসতাই শেষ কথা। আর সেই বার্তা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগায় যারা শিশুদের ওপর অত্যাচার করে। কারণ তারা জানে, এই রাষ্টে বিচার হয় না। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে ২০২৪ সালে ৫৭৫টি শিশু খুন হয়েছে। এটা কোনো গৃহযুদ্ধের

পরিসংখ্যান নয়, এটা শান্তিকালীন বাংলাদেশের সংখ্যা। আর ২০২৫ সালে, ইউনুসের শাসনামলে, মাত্র জানুয়ারি মাস শেষ হতে না হতেই সেই সংখ্যা ৪১০ ছুঁয়ে গেছে। এই গতিতে চললে বছর শেষে কত হবে সেটা হিসাব করতেও ভয় লাগে। ইউনুস সাহেবের কাছে প্রশ্ন একটাই। আপনি যে নৈতিক উচ্চতা থেকে আগের সরকারকে দোষারোপ করেন, সেই নৈতিকতা কোথায় যখন প্রতিদিন দুটো করে শিশু মারা যাচ্ছে? আপনার উপদেষ্টারা কী করছেন? আপনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায়? নাকি শিশুদের জীবনের কোনো দাম নেই কারণ তাদের দিয়ে আন্দোলন করানো যায় না, রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়া যায় না? যে মানুষ বিদেশি সাহায্যে, ইসলামি জঙ্গিদের লেলিয়ে দিয়ে, সেনাবাহিনীর মদদে একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেছেন, তার কাছে

শিশুদের জীবন রক্ষার আশা করাটাই বোকামি। কারণ যে মানুষ নিজেই সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন, তিনি সহিংসতা কীভাবে রোধ করবেন? যে ব্যবস্থা নিজেই অবৈধ, সেখান থেকে ন্যায়বিচারের আশা করা অলীক কল্পনা। দেশের শিশুরা আজ সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ তাদের নিজেদের পরিবারে, প্রতিবেশীদের কাছে, স্কুলে, রাস্তায়। আর এই অনিরাপত্তার সবচেয়ে বড় কারণ হলো রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা। যে রাষ্ট্র নিজেই অবৈধভাবে চলছে, সেই রাষ্ট্র কীভাবে তার নাগরিকদের সুরক্ষা দেবে? ইউনুস এবং তার দল ক্ষমতায় টিকে আছে বিদেশি প্রভুদের আশীর্বাদে। দেশের মানুষের ভোট নয়, জনগণের সমর্থন নয়। আর এই কারণেই তাদের কাছে জনগণের কোনো জবাবদিহিতা নেই। শিশুরা মরুক আর বাঁচুক, তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। কারণ

তাদের আসল কাজ তো দেশকে দুর্বল করা, সমাজকে ভাঙা, আইনশৃঙ্খলাকে ধ্বংস করা। আর সেই লক্ষ্যে তারা সফলও হচ্ছে। যে দেশে প্রতিবছর পাঁচশ ছয়শ শিশু খুন হয়, সেই দেশ কোনো সভ্য দেশ নয়। আর যে শাসক এই ভয়াবহতা দেখেও নীরব থাকে, সে কোনো নেতা নয়, অপরাধী।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী বললেন, আর বিয়ে করতে চাই না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার কোটি টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গে শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা: পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মূল অভিযুক্ত অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা পাকিস্তানে ৫ আরোহীসহ নিখোঁজ কার্গো বিমান ‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’ ‘এত বিভীষিকাময় পরিস্থিতি হবে ভাবিনি, কক্সবাজারের আনন্দটাই মাটি’ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে সেরা ১০ গ্রাজুয়েটের তালিকায় ৭ জনই বাংলাদেশি ফিফার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ফিফার কাছে অভিযোগ করল মিশর পেনাল্টি মিস করার পর যা ভেবেছিলেন মেসি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু পাঁচ ক্রুসহ পাকিস্তানের মালবাহী উড়োজাহাজ নিখোঁজ ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু মহিলা লীগ নেত্রী ফরিদা গ্রেফতার ১৩ বছর পর পিতৃত্বের স্বীকৃতি পেল ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশু ‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব