❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ |
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে উদ্বেগজন যে বিষয়টি তা হলো পোস্টাল ব্যালটকে ঘিরে সম্ভাব্য সংগঠিত কারসাজি। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ পোস্টাল ভোটার নিবন্ধিত হয়েছে। যেখানে প্রায় ১ কোটিরও বেশি প্রবাসী রয়েছে আমাদের। নিবন্ধিত পোস্টাল ভোটের ৮০ শতাংশের বেশি একটি নির্দিষ্ট জোট জামাত এনসিপির পক্ষে যাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে। এর অর্থ দাঁড়ায়, প্রায় চার লক্ষের বেশি ভোট একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। গাণিতিক ভাবে হিসাব করলে স্পষ্ট হয় প্রতি নির্বাচনী আসনে গড়ে মাত্র ১০ হাজার ভোট স্থানান্তর বা কেন্দ্রীভূত করতে পারলেই ৪০টিরও বেশি আসনের ফল কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। জামাত এমন একটি দল, যাদের রাজনীতি

সবসময়ই সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও গোপন পরিকল্পনার উপর দাঁড়িয়ে। তারা নির্বাচনের বহু আগেই তাদের সমর্থকদের নির্দিষ্ট কিছু আসনে ভোটার হিসেবে স্থানান্তর করে একটি কৃত্রিম ভোটব্যাংক তৈরি করেছে। বিএনপি হয়তো এই নির্বাচনকে গড় পড়তা রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখছে, কিন্তু জামাত তা করছে না। তারা এটিকে গাণিতিক সমীকরণে সাজিয়েছে কোথায় কত ভোট, কোন আসনে কত প্রভাব, কোন পথে কীভাবে ফল বের করা যায়। এই বাস্তবতায় ইসলামিক দলগুলোর মধ্যকার অনৈক্যই একমাত্র বাধা তা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো এই প্রক্রিয়াকে কি আদৌ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলা যায়? যেখানে দেশের সবচেয়ে বড় দল নেই, যেখানে ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ, যেখানে পোস্টাল ব্যালটের

স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন এটাকে কি নির্বাচন বলা যায়? বিএনপির সহ কিছু মানুষ হয়তো আওয়ামী লীগের অতীতের নির্বাচন নিয়ে খোঁচা দিয়ে বলবেন আপনারা কি করেছেন? আঁরে ভাই আমরা ত কাউকে নির্বাচন করতে প্রকাশ্যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করি নাই। বিএনপি নির্বাচন বয়কট করেছে তাদের রাজনৈতিক কৌশলে আর আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে চাই। এখানেই আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। আওয়ামী লীগ কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয় এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতান্ত্রিক ধারার প্রতিনিধিত্বকারী শক্তি। এই দলকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে, সেখানে স্বাভাবিক ভাবেই মাঠ ফাঁকা। আর ফাঁকা মাঠে সংগঠিত, কিন্তু সীমিত জনভিত্তির দলগুলো সংখ্যার খেলায় সুবিধা নেবে এটাই বাস্তবতা। আওয়ামী লীগ

ছাড়া এই নির্বাচন জনগণের নির্বাচন নয় এটি একটি পরিকল্পিত, সীমিত অংশগ্রহণমূলক এবং অবধারিতভাবে বিতর্কিত নির্বাচন। ইতিহাস সাক্ষী বাংলাদেশে যখনই আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে রাজনৈতিক প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছে, তখনই রাষ্ট্র, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনও তার ব্যতিক্রম হবে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
একই পরিবারের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে সিআইডির মানিলন্ডারিং মামলা মোদির উদ্বোধনের আগেই আগুনে পুড়ল ভারতের তেল শোধনাগার ‘সুরভি স্কুলে’ মার্কিন বিশেষ দূত, শিশু কল্যাণে সহযোগিতার আশ্বাস ‘অর্থকষ্টে’ সরকার! নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে? কোরআন আত্ম-পরিচয়ের আয়না বিশ্ববাজারে কমে গেল স্বর্ণের দাম একটি ছাড়া সবই ১৪০ কিমি গতির বল করেছেন নাহিদ রানা সকাল ৮টার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে এসএসসি পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থী কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধি দল যাবে না ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন, শান্তি চুক্তি ‘হবে’ : ট্রাম্প দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি