৫ আগস্টের পর দেশজুড়ে জঙ্গিবাদের প্রসার: মাদ্রাসায় টিটিপি জঙ্গির আত্মগোপন টের পায়নি গোয়েন্দা সংস্থা, চলে যাওয়ার পর তত্ত্ব-তালাশ! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ মে, ২০২৬

৫ আগস্টের পর দেশজুড়ে জঙ্গিবাদের প্রসার: মাদ্রাসায় টিটিপি জঙ্গির আত্মগোপন টের পায়নি গোয়েন্দা সংস্থা, চলে যাওয়ার পর তত্ত্ব-তালাশ!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ মে, ২০২৬ |
রাজধানীর অদূরে একটি কওমি মাদ্রাসাকে ব্যবহার করে বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টার উদ্বেগজনক তথ্য পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করা এক আফগান নাগরিক ওই মাদ্রাসায় প্রায় এক মাস আত্মগোপনে থাকার সময় টিটিপির বাংলাদেশ শাখার প্রধানের সঙ্গে একাধিক শিক্ষার্থীর পরিচয় করিয়ে দেন বলে জানা গেছে। এখন সেই মাদ্রাসারই এক শিক্ষার্থী ‘উচ্চশিক্ষার’ অজুহাতে পাকিস্তান যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গণমাধ্যমের হাতে আসা পাসপোর্ট ও নথি অনুযায়ী, নিয়ামাতুল্লাহ মাঙ্গাল একজন আফগান নাগরিক। তার বাবার নাম আসিল খান। জন্ম ১৯৯১ সালের ৩১শে জুলাই, পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশে। তার পাসপোর্ট ইস্যু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২৩শে ডিসেম্বর এবং মেয়াদ শেষ

হয় ২০২২ সালের ২৩শে ডিসেম্বর। এরপর আর পাসপোর্ট নবায়ন করেননি নিয়ামাতুল্লাহ। ফলে বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ব্যবহারের কোনো সুযোগ ছিল না বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে। মাদ্রাসায় তার অবস্থানকালীন কোনো তথ্য পায়নি দেশের কোনো নিরাপত্তা সংস্থাই। তার চলে যাওয়ার খবর জানার পর টনক নড়েছে কর্তৃপক্ষের। এরপরই উঠে আসতে শুরু করে একে একে নানা তথ্য। পুলিশ জানায়, গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিয়ামাতুল্লাহ পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই ভারত থেকে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এরপর রাজধানীর অদূরে কওমি ধারার একটি মাদ্রাসায় প্রায় এক মাস অবস্থান করে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করেন। পরে এখান থেকে দুই মাসের ‘ট্রাভেল পাস’ জোগাড় করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাড়ি জমান। ওই ট্রাভেল

পাস দিয়ে তিনি কেবল আফগানিস্তান যেতে পারবেন।
“মাদ্রাসায় যতদিন ওই আফগান নাগরিক ছিলেন, ততদিন আমরা কিছুই জানতে পারিনি। চলে যাওয়ার পরে খবর পেয়ে মাদ্রাসা পরিদর্শন করা হয়।” জঙ্গিবাদ দমনে কাজ করা রাষ্ট্রীয় সংস্থার উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার ভাষ্য

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নিয়ামাতুল্লাহ বাংলাদেশে আসেন, মাদ্রাসায় প্রায় এক মাস থেকে ট্রাভেল পাস নিয়ে দুবাই চলে যান

টিটিপির প্রধানের সঙ্গে সংযোগ, শিক্ষার্থীর ফোনে মিলল প্রমাণ

নিরাপত্তা বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে, মাদ্রাসায় অবস্থানকালে নিয়ামাতুল্লাহ টিটিপির বাংলাদেশ শাখার প্রধান ইমরান হায়দারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ

রাখতেন এবং মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাকে আলাপ করিয়ে দেন। জঙ্গি কার্যক্রমে নজর রাখে পুলিশের এমন একটি বিশেষায়িত সংস্থার পদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “মাদ্রাসায় যতদিন ওই আফগান নাগরিক ছিলেন, ততদিন আমরা কিছুই জানতে পারিনি। চলে যাওয়ার পরে খবর পেয়ে মাদ্রাসা পরিদর্শন করা হয়।” তিনি জানান, সেখানকার শিক্ষার্থীরা আফগান নাগরিকের মাধ্যমে ইমরান হায়দারের সঙ্গে আলাপ করেছেন — এমন তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। বিশেষত ২১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোনে টিটিপি প্রধানের সঙ্গে ভয়েস ও টেক্সট মেসেজ চালাচালির তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশে তালেবান নেটওয়ার্কের বিস্তার: কূটনীতির

নামে উগ্রবাদী তৎপরতা, উদ্বেগ ও বিবিধ প্রশ্ন

‘উচ্চশিক্ষার’ নামে পাকিস্তানযাত্রার প্রস্তুতি

উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ওই মাদ্রাসা পরিচালকের খাস খাদেম হিসেবে কর্মরত ২১ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী এখন পাকিস্তান যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নিরাপত্তা বিবেচনায় তার নাম প্রকাশ না করে জানানো হচ্ছে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খাসিয়া পাহাড় লাগোয়া একটি গ্রামে ২০০৫ সালে তার জন্ম। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে নম্র-ভদ্র ছেলে হিসেবে চেনেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মেধাবী ও আচার-আচরণে প্রশংসনীয় হওয়ায় মাদ্রাসার পরিচালক তাকে নিজের বিশেষ ব্যক্তিগত সহকারী মনোনীত করেন। বিভিন্ন ওয়াজ-মাহফিলে পরিচালকের সঙ্গে নিয়মিত সফর এবং নানা মহলে “ইসলামে জিহাদের গুরুত্ব” তুলে ধরার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে উগ্র মতাদর্শের দিকে ঝুঁকে পড়েন তিনি। আফগান নাগরিক মাদ্রাসায়

আসার পর তার মধ্যে উৎসাহ আরও বেড়ে যায় এবং নিয়ামাতুল্লাহর মাধ্যমে সরাসরি ইমরান হায়দারের সঙ্গেও কথা বলেন। শিক্ষার্থীর এক নিকট আত্মীয় প্রতিবেদককে জানান, পরিবারকে ‘উচ্চশিক্ষার’ জন্য পাকিস্তান যাচ্ছেন বলে রাজি করিয়েছেন তিনি। একাধিকবার তার মোবাইলে কল করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

আফগানিস্তানের তথ্য: পাকিস্তানেই ছিলেন নিয়ামাতুল্লাহ

নিয়ামাতুল্লাহর বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংস্থা আফগানিস্তানের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘জেনারেল ডিরেক্টরেট অব ইন্টেলিজেন্স (জিডিআই)’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে। জিডিআই জানায়, নিয়ামাতুল্লাহ মাঙ্গাল দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানে অবস্থান করছেন এবং তার বাংলাদেশে যাওয়ার ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

width="900" height="505" aria-describedby="caption-attachment-51474" />

বায়তুল মোকাররমের বইমেলা চলাকালে প্রকাশনীর ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া স্ট্যাটাস

মাদ্রাসা পরিচালক: আনসার আল ইসলামের অভিযোগ, টিটিপির পক্ষে প্রকাশ্য সমর্থন

যে মাদ্রাসায় আফগান নাগরিককে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল, সেটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকের বাড়ি কুমিল্লায়। এই পরিচিত ধর্মীয় বক্তার বিরুদ্ধে আনসার আল ইসলামের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালের ১৫ই জুলাই রাতে রাজধানীর শাহ আলী থানার বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব তখন জানায়, ওয়াজকে ব্যবহার করে উগ্রবাদ প্রচারে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট সরকার পতনের মাত্র এক মাস পরে, ২রা সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এরপর ঢাকার অদূরে একটি ভাড়া ভবনের দ্বিতীয় তলায় মাদ্রাসার কার্যক্রম নতুন করে শুরু করেন। তার টিটিপি সমর্থনের প্রমাণ পাওয়া যায় সরাসরি তার ওয়াজে। গত বছরের ১৩ই জানুয়ারি ‘আদর্শ টিভি’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি মাহফিলের ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কিন্তু মুসলমান না, এরা হলো মুরতাদ। এইটা খোরাসানের বাহিনী (টিটিপি), তোগো পাকিস্তানের বেইল নাই।” এবং “টিটিপিও তো বলতেছে আমরা কুরআনি শাসন চাই। কুরআনকে একমাত্র সংবিধান চাই। তো টিটিপির কথা মাইনা নে।”

খণ্ডকালীন শিক্ষক: জিহাদি বই, বদলানো নাম, দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গির লেখা প্রকাশ

মাদ্রাসার যে খণ্ডকালীন শিক্ষক আফগান নাগরিককে মাদ্রাসায় নিয়ে এসেছিলেন, তিনি একই জেলায় আরেকটি মাদ্রাসা পরিচালনার পাশাপাশি রাজধানীর বাংলাবাজারে একটি প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দীর্ঘদিন জেল খেটে জামিনে মুক্তির পর মধ্যপ্রাচ্যে চলে গিয়েছিলেন। সরকার পতনের পর দেশে ফিরে আসেন। লক্ষণীয়, এই শিক্ষক আগে ‘আয়াতুল জিহাদ’, ‘ফাযায়েলে জিহাদ’, ‘জিহাদে অর্থব্যয়’, ‘কেন জিহাদ করবো’সহ একাধিক বই লিখেছেন। তবে দেশে ফেরার পর নতুন প্রকাশিত বইগুলোতে আগের নাম ব্যবহার না করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের সঙ্গে নিজের উপজেলার নাম জুড়ে দিয়েছেন। তার প্রকাশনী থেকে বের হওয়া একটি বইয়ের ক্ষেত্রেও নামের বিভ্রান্তি দেখা গেছে। ‘নবী যুগের মুমিন-মুনাফিক ও আজকের মুসলিম’ নামে গত বছর প্রকাশিত বইটিতে প্রচ্ছদে লেখকের নাম শাইখ ইবনে আব্দুল মালেক, প্রকাশনীর ফেসবুক পেজে শায়খ আবু তাহের, আর রকমারি ডটকমে ২০২৩ সালে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণে নাম শাইখ মাওলানা আবু তাহের রহমানী।

বইয়ের প্রচারে ব্যবহৃত পোস্টারে আবু তাহের ও কারামুক্ত আরেক দুর্ধর্ষ জঙ্গি জসিম উদ্দীন রাহমানী

ফেসবুক পেজের প্রচারে ব্যবহৃত ছবি ও নাম থেকে জানা যায়, এই আবু তাহের রমনা বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় হত্যা মামলায় দণ্ড পাওয়া আসামি। ওই মামলায় ২০১৪ সালে হুজি-বির অন্যতম শীর্ষ নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ আটজনকে মৃত্যুদণ্ড; অন্য ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন দেন আদালত। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া হাফেজ আবু তাহেরের ব্যাপারে রায়ে বলা হয়, হামলার পরিকল্পনায় সহযোগিতা করার অভিযোগে আবু তাহেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি মুক্ত। বইটি জেলে বসেই লিখেছেন বলেও প্রকাশনীর পেজ থেকে প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালের অক্টোবরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা চলাকালে প্রকাশনীটির ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, “আফগান মুজাহিদরা আমার ঘরে। আমি বরকতপূর্ণ।” ছবিতে মাদ্রাসার পরিচালক ও খণ্ডকালীন শিক্ষককে প্রকাশনীর স্টলে একসঙ্গে বসে থাকতে দেখা যায়।

আইনি দায় ও নিরাপত্তার ফাঁকফোকর

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জিয়াউর রশিদ টিপু জানান, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশে দুটি আইন রয়েছে। একটি নির্দিষ্টভাবে ভারতের ক্ষেত্রে- প্রধান প্রতিবেশী দেশ হিসেবে; অন্যটি অন্যান্য দেশের জন্য। ‘দ্য কন্ট্রোল অব এন্ট্রি অ্যাক্ট ১৯৫২’– এ ভারতের কেউ অবৈধভাবে এলে এক বছরের কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর ভিসা ছাড়া অন্যান্য দেশের কেউ অনুপ্রবেশ করলে ‘দ্য ফরেনার্স অ্যাক্ট ১৯৪৬’ অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ হবে। অনুপ্রবেশকারী ও তাকে সহায়তাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে বলে জানান এই আইনজীবী। আফগান নাগরিকের ব্যাপারে যোগাযোগ করলে মাদ্রাসাটির পরিচালক দাবি করেন, উনাকে (নিয়ামাতুল্লাহ মাঙ্গাল) ইউরোপে নেওয়ার কথা বলে দালাল চক্র পাকিস্তান থেকে উঠিয়ে বাংলাদেশে ফেলেছে। এরপর তিনি হারায়া গেছেন। পরে তাকে মেহমান হিসেবে মাদ্রাসার এক খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়ে আসেন। মাসখানেক ছিলেন। তবে ওয়াজের মৌসুমে ব্যস্ততার কারণে নিয়ামাতুল্লাহর সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ হয়নি আমার। বিদেশি নাগরিককে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া রাখা যে বেআইনি, তা জানতেন না বলেও দাবি করেন পরিচালক। খণ্ডকালীন এই শিক্ষক জানান, আফগান নাগরিক বাংলাদেশ ছাড়ার পর ঢাকা থেকে গোয়েন্দারা মাদ্রাসায় এসে যোগাযোগ করেন। বিস্তারিত তাদের থেকেই জানতে হবে। পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থার ওই কর্মকর্তা অবশ্য এই দাবি নাকচ করে দেন। তিনি জানান, মাদ্রাসা থেকে পুলিশে কেউ যোগাযোগ করেছেন — এমন কোনো তথ্য সব বিভাগে খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি সরকার পতনের পরের পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর “অত্যন্ত নাজুক অবস্থার” কারণে তখন কারও বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল না বলেও স্বীকার করেন তিনি। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগে দেশের ভেতরে জঙ্গি নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা চলছে। মাদ্রাসার পরিচালনা থেকে শুরু করে প্রকাশনা, ওয়াজ মাহফিল এবং সীমান্ত পেরিয়ে সংযোগ তৈরি — পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সুসংগঠিত কাঠামোর ইঙ্গিত দেয়।

বাংলা স্ট্রিম

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাঁশখালীতে কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মাদ্রাসায় নিয়োগের এক সপ্তাহের মধ্যেই শিশু ছাত্রকে বলাৎকার করে শ্রীঘরে হাফেজ ‘গুপ্ত, গুপ্ত, ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে আমির হামজাকে কলেজে অবরুদ্ধ ৫ আগস্টের পর দেশজুড়ে জঙ্গিবাদের প্রসার: মাদ্রাসায় টিটিপি জঙ্গির আত্মগোপন টের পায়নি গোয়েন্দা সংস্থা, চলে যাওয়ার পর তত্ত্ব-তালাশ! ‘ইউনূরজাহান’ গংয়ের ওপি বন্ধের খেসারত: হামের পর র‌্যাবিস টিকার সংকট, ‘বাদ যাবেনা একটি রোগও’ যবিপ্রবিতে জামায়াতপন্থি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বৈছা নেতাদের বৈষম্যমূলক গণমামলা: শত শত মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন হুমকিতে ইউনূস সরকারের সকল নৈরাজ্যের সুরক্ষা দিয়ে অবশেষে ব্যারাকে ফিরছে সেনাবাহিনী মিশন ব্যর্থ নাকি সফলতার পর দৃশ্যপট ত্যাগ? থমকে গেছে এমআরটির উন্নয়নমূলক কাজ, বারিধারা-নতুনবাজার এলাবাসীর ভোগান্তি চরমে সরকারি গুদামে ধান বিক্রির আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে কৃষকদের ভোগান্তি, সিন্ডিকেটের অভিযোগ বিজেপি সভাপতির কাছে তারেক রহমানের চিঠি:মোদিকে খুশির চেষ্টা? আরও ১২টি পরিবার হারালো তাদের শিশু সন্তান মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে অবহেলার মামলা ভেঙে গেল বিধানসভা, মমতা আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নন করের টাকা কী করেন, সরকারের কাছে প্রশ্ন বিটিএমএ সভাপতির ফিক্সিংকাণ্ডে ৪ জনকে সাময়িক বহিষ্কার ঈদুল আযহায় চলবে ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন, অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১৩ মে থেকে ইন্টারপোলের সাহায্যে হত্যা মামলার আসামিকে দেশে আনল পিবিআই জোড়াতালি দিয়ে বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট করব না: তামিম আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম