ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দুই বিদেশি নারীকে অপহরণের পর গণধর্ষণে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যসহ আটক ৪
ট্রাম্পের এক ফোন কলেই বদলে গেল ফিফার নিয়ম, বিতর্কের ঝড়
তেহরানে খামেনির শোক র্যালিতে লাখো মানুষের ঢল
মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আদর্শকে হত্যা করা যায় না, ট্রাম্পের ‘এক আঘাতেই সবাই শেষ’ মন্তব্যের জবাবে ইরান
২০২৫ সালে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যুদণ্ড
সৌদি আরবে সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫ সালে মোট ৩৫৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে কর্তৃপক্ষ। এক বছরে এত বেশি মৃত্যুদণ্ড এর আগে কখনো হয়নি। এএফপির হিসাব অনুযায়ী, এর মাধ্যমে দেশটি নতুন রেকর্ড গড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শুরু হওয়া সৌদি আরবের কঠোর ‘মাদকবিরোধী অভিযান’-এর সঙ্গে এই মৃত্যুদণ্ড বৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। সরকারি তথ্য বলছে, শুধু ২০২৫ সালেই মাদকসংক্রান্ত মামলায় ২৪৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগের বছর ২০২৪ সালে সৌদি আরবে ৩৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল। ফলে টানা দুই বছর ধরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নতুন রেকর্ড হলো। ২০২২ সালের শেষ দিকে মাদক মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান আবার চালু করে দেশটি।
মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সৌদি
আরবে সীমান্ত ও মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয় এবং বহু পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মৃত্যুদণ্ডের এই হার বৃদ্ধির কারণে সৌদি আরব আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার মুখে পড়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এত বেশি মৃত্যুদণ্ড দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন-২০৩০’ সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে এ ধরনের কঠোর শাস্তি সাংঘর্ষিক। এতে সৌদি আরবকে একটি আধুনিক ও সহনশীল দেশ হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আরবে সীমান্ত ও মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয় এবং বহু পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মৃত্যুদণ্ডের এই হার বৃদ্ধির কারণে সৌদি আরব আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার মুখে পড়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এত বেশি মৃত্যুদণ্ড দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন-২০৩০’ সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে এ ধরনের কঠোর শাস্তি সাংঘর্ষিক। এতে সৌদি আরবকে একটি আধুনিক ও সহনশীল দেশ হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।



