ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা
ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়
বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী
বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স-২০২৬ কি আদৌ মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদ মাধ্যমের পক্ষে?
‘সক্ষমতা বাড়াতে’ দরপত্র ছাড়াই র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন
২০০১ থেকে ২০০৬ এই সময়কাল মানেই দেশের মানুষের স্মৃতিতে আতঙ্ক
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে কিছু অধ্যায় আছে, যা মানুষ ভুলতে চাইলেও ভুলতে পারে না। ২০০১ থেকে ২০০৬ এই সময়কাল মানেই দেশের মানুষের স্মৃতিতে আতঙ্ক, অস্থিরতা আর অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে আছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সহিংসতা, সারাদেশে একযোগে বোমা হামলার ঘটনা, জঙ্গিবাদের উত্থান, তীব্র লোডশেডিং, সারের সংকট, দ্রব্যমূল্য লাগামহীন সব মিলিয়ে বিএনপি-জামাতের শাসনামলে বাংলাদেশ এক ভয়ংকর অরাজকতার দেশে পরিণত হয়েছিল।
সেসময় রাষ্ট্র আগের আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে তো পারেইনি বরং কমিয়েছিল। সারাদেশে লোডশেডিং ছিল নিত্যদিনের যন্ত্রণা। বিদ্যুৎ সংকট শিল্প, কৃষি, ব্যবসা সব খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে গিয়েছিল, উদ্যোক্তারা অনিশ্চয়তায় ছিলেন। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব এসব মানুষ দেখেছে বিএনপি-জামাতের
শাসনামলে। রাষ্ট্রিয়ভাবে দমন-পীড়ন, হত্যা, সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতের মানুষের উপর নির্যাতন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করা হয়েছিল। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছিল। দশ ট্রাক অস্ত্র, ২১শে আগস্টে গ্রেনেড হামলা এগুলো সবই রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছিল। অর্থাৎ রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। আজ আবার অবৈধ সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে সেই পুরোনো দেশবিরোধী শক্তি আবার রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখল করেছে। এই দেশবিরোধি শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। ক্ষমতা দখল করতে না করতেই সারাদেশে আবার সহিংসতা শুরু হয়ে গেছে। আবারও প্রতিফলিত হচ্ছে বিএনপি জামাতের সেই চিরাচরিত সন্ত্রাসের রাজনীতি। সংখ্যালঘুদের ঘর বাড়িতে হামলা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বোমা হামলা, গুলির ঘটনা ঘটছে। বোমা বানাতে গিয়ে শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণে কুষ্টিয়ায় ২ জন
নিহত হয়েছে। এগুলো সবই আবার সেই পুরোনো বিএনপি জামাতের দুঃশাসনের আলামত। আমাদের দেশকে বাঁচাতে হলে সবাইকে এক হয়ে রাস্তায় নামতে হবে, প্রতিবাদ জানতে হবে। দেশ বাঁচে ঐক্যে। দেশ এগিয়ে যায় আইনের শাসনে। দেশ টিকে থাকে জনগণের অংশগ্রহণে। সহিংসতা বা ঘৃণা নয়, সংগঠিত গণআন্দোলনই ইতিহাস বদলায়। অরাজকতা থেকে রক্ষা করতে দেশবাসী সংগঠিত হোন, বাংলাদেশকে বাঁচান। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
শাসনামলে। রাষ্ট্রিয়ভাবে দমন-পীড়ন, হত্যা, সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতের মানুষের উপর নির্যাতন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করা হয়েছিল। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছিল। দশ ট্রাক অস্ত্র, ২১শে আগস্টে গ্রেনেড হামলা এগুলো সবই রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছিল। অর্থাৎ রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। আজ আবার অবৈধ সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে সেই পুরোনো দেশবিরোধী শক্তি আবার রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখল করেছে। এই দেশবিরোধি শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। ক্ষমতা দখল করতে না করতেই সারাদেশে আবার সহিংসতা শুরু হয়ে গেছে। আবারও প্রতিফলিত হচ্ছে বিএনপি জামাতের সেই চিরাচরিত সন্ত্রাসের রাজনীতি। সংখ্যালঘুদের ঘর বাড়িতে হামলা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বোমা হামলা, গুলির ঘটনা ঘটছে। বোমা বানাতে গিয়ে শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণে কুষ্টিয়ায় ২ জন
নিহত হয়েছে। এগুলো সবই আবার সেই পুরোনো বিএনপি জামাতের দুঃশাসনের আলামত। আমাদের দেশকে বাঁচাতে হলে সবাইকে এক হয়ে রাস্তায় নামতে হবে, প্রতিবাদ জানতে হবে। দেশ বাঁচে ঐক্যে। দেশ এগিয়ে যায় আইনের শাসনে। দেশ টিকে থাকে জনগণের অংশগ্রহণে। সহিংসতা বা ঘৃণা নয়, সংগঠিত গণআন্দোলনই ইতিহাস বদলায়। অরাজকতা থেকে রক্ষা করতে দেশবাসী সংগঠিত হোন, বাংলাদেশকে বাঁচান। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু



