১৯৮৮ সালের পর ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত পাঞ্জাব, নিহত ৩০ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
     ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ

১৯৮৮ সালের পর ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত পাঞ্জাব, নিহত ৩০

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | ৭:৪৭ 73 ভিউ
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশ। ১৯৮৮ সালের পর এমন পরিস্থিতি এ অঞ্চলে আর দেখা যায়নি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৩ জেলা এবং মারা গেছে অন্তত ৩০ জন। খবর এনডিটিভি হিমাচল প্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীরে ভারী বৃষ্টির ফলে শতদ্রু, বিয়াস ও রাভি নদীর পানি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। যার প্রভাব পড়ে পাঞ্জাবে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে উদ্ধার কাছে নেমেছে সেনা-নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা। সরকারি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাবের ২৩ জেলা। প্রায় ১৪০০ গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঠানকোট, এখানে মৃত্যু হয়েছে ছয়জনের, নিখোঁজ আরও তিনজন। লুধিয়ানায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের। ক্ষতির দিক থেকে

শীর্ষে রয়েছে গুরুদাসপুর জেলা। এখানে ৩২৪টি গ্রাম ডুবে গেছে, এরপর অমৃতসরে ১৩৫টি এবং হোশিয়ারপুর ১১৯টি গ্রাম ডুবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে বার্নালা, বাথিন্ডা, ফিরোজপুর, পাতিয়ালা, এসএএস নগর, সাঙ্গরুর, তরন তারান এবং ফাজিলকা। বন্যায় ১ লাখ ৪৮ হাজার হেক্টরেরও বেশি ফসল নষ্ট হয়েছে, প্রায় ৩.৭৫ লাখ হেক্টর কৃষিজমি ডুবে গেছে। বন্যায় বহু গবাদি পশুর ভেসে যাওয়ায় দুগ্ধ উৎপাদন এবং পশুপালনেও প্রভাব পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রকে চিঠি লিখে ৬০ হাজার কোটি টাকা সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে পঞ্জাবের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ওই রাজ্যে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। শিবরাজ কাল সকালে অমৃতসরে পৌঁছাবেন। এরপর বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে কৃষক ও

সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন। ফেরার পথে রাজ্যের মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও করবেন তিনি। উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বার্তা দিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার তিনি এক্স পোস্টে মোদির উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘মোদিজি পাঞ্জাব বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই কঠিন সময়ে, আপনার নজর এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সক্রিয় সাহায্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। হাজার হাজার পরিবার তাদের বাড়িঘর, জীবন এবং প্রিয়জনদের বাঁচাতে লড়াই করছে। আমি অনুরোধ করছি, এই রাজ্যগুলোর জন্য, বিশেষ করে কৃষকদের জন্য, অবিলম্বে একটি বিশেষ ত্রাণ ঘোষণা করার পাশাপাশি, ত্রাণ ও উদ্ধার

অভিযানের গতি বাড়ানো হোক।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে? কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার ২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার খবর কী সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া রাজধানীতে আজ কোথায় কী পাকিস্তানের ভুলে ফের শুরু হতে পারে হামলা বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ চীনকে রুখতে একজোট হচ্ছে জি৭ ও মিত্ররা আইসিসির অনুরোধেও অনড় বিসিবি ইরানে সরকার টিকবে কি