ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১—অস্ত্রহীন এক ভারতীয় সেনা আর বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সাহসী উদ্ধার
১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১।
বাংলাদেশ স্বাধীন—কাগজে কলমে।
কিন্তু বাস্তবে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর তখনও পাকিস্তানি সেনাদের বন্দিশালা—মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত এক ঘাঁটি।
সেই ভয়ংকর মুহূর্তে ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন একজন মানুষ— কর্নেল অশোক কুমার তারা (তৎকালীন মেজর), ভারতীয় সেনাবাহিনী।
কোনো ট্যাংক নয়।
কোনো ব্যাটালিয়ন নয়।
কোনো গোলাগুলিও নয়।
অস্ত্রহীন, একা—মৃত্যুকে চোখে চোখ রেখে—তিনি ঢুকে পড়েছিলেন পাকিস্তানি সেনাদের ঘাঁটিতে।
ভিতরে বন্দি ছিলেন— বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, শেখ হাসিনা (কোলজুড়ে নবজাতক সজীব ওয়াজেদ জয়), শেখ রেহানা, শিশু শেখ রাসেল।
আর বাইরে— রাইফেল তাক করা পাকিস্তানি সেনা। আজ যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে,
মিত্র বাহিনীর ভূমিকা অস্বীকার করে,
বঙ্গবন্ধু পরিবার নিয়ে কুৎসা ছড়ায়—
তাদের এই সত্য জানা বাধ্যতামূলক:
''বঙ্গবন্ধুর পরিবার সেদিন কোনো আপসের কারণে বাঁচেনি। তারা বেঁচেছিল একজন ভারতীয়
সেনার অদম্য সাহসে।" প্রায় ৩০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস স্নায়ুযুদ্ধ।একজন নিরস্ত্র মানুষ বনাম সশস্ত্র ঘাতক বাহিনী। শেষ পর্যন্ত— পাকিস্তানি সেনারা অস্ত্র নামাতে বাধ্য হয়। বঙ্গবন্ধুর পরিবার মুক্ত হয়।বাংলাদেশ ইতিহাসের এক ভয়াবহ সম্ভাব্য ধ্বংস থেকে রক্ষা পায়। এই হচ্ছে প্রকৃত সৈনিক। এই হচ্ছে প্রকৃত মিত্র।
সেনার অদম্য সাহসে।" প্রায় ৩০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস স্নায়ুযুদ্ধ।একজন নিরস্ত্র মানুষ বনাম সশস্ত্র ঘাতক বাহিনী। শেষ পর্যন্ত— পাকিস্তানি সেনারা অস্ত্র নামাতে বাধ্য হয়। বঙ্গবন্ধুর পরিবার মুক্ত হয়।বাংলাদেশ ইতিহাসের এক ভয়াবহ সম্ভাব্য ধ্বংস থেকে রক্ষা পায়। এই হচ্ছে প্রকৃত সৈনিক। এই হচ্ছে প্রকৃত মিত্র।



