ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি
চট্টগ্রামের অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে ধানের শীষ
‘রাজাকার, আলবদর, কিছুই রবে নারে’, স্লোগানে ঢাবি ক্যাম্পাসে ঘুরল পিকআপ
গুলশানে শতকোটি টাকার জমি দখল করলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা
শেখ হাসিনা শান্তি ও অগ্রগতির এক দৃঢ় প্রতীক
ডিসিরা বাসায়, গণভোটের ফল ঝুলছে : কী বানানো হয়েছে রাতভর?
ভোট প্রত্যাখান করায় দেশবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন শেখ হাসিনা
১১ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থীদের প্রতি জামায়াতের অসহযোগিতা: অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও মুনাফেকির অভিযোগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা ও ভোটের মাঠে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যর অভ্যন্তরে উত্তেজনা ও অসন্তোষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র প্রার্থীদের (শাপলা কলি প্রতীকধারী) প্রতি জামায়াতের নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে অসহযোগিতা ও বিরোধিতার অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রমতে, অন্তত ১৫-২০টি আসনে জামায়াতের কর্মীরা এনসিপি প্রার্থীদের কোনো সহযোগিতা করে নাই; বরং সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে তাদের দমিয়ে রাখতে, এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে এনসিপির ভেতর থেকে।
এনসিপির আসন বণ্টন অনুযায়ী দলটি প্রায় ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, হাতে গোনা ৮-১০টি আসনে—যেখানে হাসনাত আবদুল্লাহ, নাহিদ ইসলাম, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সার্জিস আলমসহ হেভিওয়েট প্রার্থীরা রয়েছেন—সেখানেই জামায়াত পূর্ণ সাপোর্ট দিয়েছে বলে জানা যায়।
অন্যান্য
আসনে জোটের নামে ‘মুনাফিকি’র পরিচয় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে এনসিপির নেতাকর্মিদের তরফ থেকে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জুবায়রুল আরিফের মতো প্রার্থীর ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী আমির ও নেতা কর্মিরা চরম অসহযোগিতা ও দুর্ব্যাবহারের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সারোয়ার তুষারের আসনেও জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা না করার খবর পাওয়া গেছে, যিনি জামায়াত কে গ্রহনযোগ্য করতে রাজনৈতিক বয়ান স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে—এনসিপি কি দলের স্বার্থ ও আদর্শের জন্য জোটে যোগ দিয়েছে, নাকি শুধুমাত্র গুটিকয়েক সিটের বিনিময়ে? প্রতিদিন নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে জামায়াতের নীতিনির্ধারকদের বৈঠক হচ্ছে। সম্প্রতি ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আসিফের সাক্ষাৎ হয়েছে, যা নিয়ে
কিছু মহলে খুশির আমেজ দেখা গেলেও, সমালোচকরা বলছেন—এতে পুরো এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে। একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, জোটে যোগ দেওয়ার পরও এনসিপির তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। তারা অভিযোগ করছেন, শুধু ৫-৭ জন নেতা সংসদে গেলেই হবে—বাকিদের অবস্থা দেখার দরকার নেই—এমন মানসিকতা কাজ করছে কি না। লক্ষ লক্ষ যুবক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে এনসিপির জন্য বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন মহলে শত্রুতা কিনে নিয়েছেন, সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষতি মেনে নিয়েছেন—শুধু আদর্শ ও দলের প্রতি ভালোবাসায়। যদি প্রমাণিত হয় যে, গুটিকয়েক নেতার চেয়ার পাকাপোক্ত করার জন্য তাদের ব্যবহার করা হয়েছে, তাহলে পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। একজন সমর্থকের ভাষায়—“যারা গদিতে বসাতে জানে, তারাই
গদি টেনে নামাতেও জানে।” তবে এখনো নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস রয়েছে যে, তারা ছাত্র-জনতার সঙ্গে এমন নিমকহারামি করবেন না। যেসব আসনে জামায়াত সহযোগিতা করে নাই, সেসব এনসিপি প্রার্থীদের প্রতি দলের নেতা কর্মিরা আহ্বান জানিয়েছে, যেন সংবাদ সম্মেলন করে জোটের আড়ালে এই মুনাফেকির পর্দা উন্মোচনের। নির্বাচনের ফল প্রকাসের একদিনের মাথাতে জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে কন্ঠ জড়ালো হচ্ছে এনসিপির ভেতরে, যাতে ঠাকুরঘরের বিড়াল আর লুকিয়ে থাকতে না পারে। এই অভ্যন্তরীণ অসহযোগিতা জোটের ঐক্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, এবং নির্বাচন-পরবর্তী রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
আসনে জোটের নামে ‘মুনাফিকি’র পরিচয় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে এনসিপির নেতাকর্মিদের তরফ থেকে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জুবায়রুল আরিফের মতো প্রার্থীর ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী আমির ও নেতা কর্মিরা চরম অসহযোগিতা ও দুর্ব্যাবহারের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সারোয়ার তুষারের আসনেও জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা না করার খবর পাওয়া গেছে, যিনি জামায়াত কে গ্রহনযোগ্য করতে রাজনৈতিক বয়ান স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে—এনসিপি কি দলের স্বার্থ ও আদর্শের জন্য জোটে যোগ দিয়েছে, নাকি শুধুমাত্র গুটিকয়েক সিটের বিনিময়ে? প্রতিদিন নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে জামায়াতের নীতিনির্ধারকদের বৈঠক হচ্ছে। সম্প্রতি ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আসিফের সাক্ষাৎ হয়েছে, যা নিয়ে
কিছু মহলে খুশির আমেজ দেখা গেলেও, সমালোচকরা বলছেন—এতে পুরো এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে। একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, জোটে যোগ দেওয়ার পরও এনসিপির তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। তারা অভিযোগ করছেন, শুধু ৫-৭ জন নেতা সংসদে গেলেই হবে—বাকিদের অবস্থা দেখার দরকার নেই—এমন মানসিকতা কাজ করছে কি না। লক্ষ লক্ষ যুবক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে এনসিপির জন্য বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন মহলে শত্রুতা কিনে নিয়েছেন, সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষতি মেনে নিয়েছেন—শুধু আদর্শ ও দলের প্রতি ভালোবাসায়। যদি প্রমাণিত হয় যে, গুটিকয়েক নেতার চেয়ার পাকাপোক্ত করার জন্য তাদের ব্যবহার করা হয়েছে, তাহলে পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। একজন সমর্থকের ভাষায়—“যারা গদিতে বসাতে জানে, তারাই
গদি টেনে নামাতেও জানে।” তবে এখনো নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস রয়েছে যে, তারা ছাত্র-জনতার সঙ্গে এমন নিমকহারামি করবেন না। যেসব আসনে জামায়াত সহযোগিতা করে নাই, সেসব এনসিপি প্রার্থীদের প্রতি দলের নেতা কর্মিরা আহ্বান জানিয়েছে, যেন সংবাদ সম্মেলন করে জোটের আড়ালে এই মুনাফেকির পর্দা উন্মোচনের। নির্বাচনের ফল প্রকাসের একদিনের মাথাতে জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে কন্ঠ জড়ালো হচ্ছে এনসিপির ভেতরে, যাতে ঠাকুরঘরের বিড়াল আর লুকিয়ে থাকতে না পারে। এই অভ্যন্তরীণ অসহযোগিতা জোটের ঐক্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, এবং নির্বাচন-পরবর্তী রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।



