ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মাখামাখির ফল: বাংলাদেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দেয়নি ইরান
সমঝোতা না হলে ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
হরমুজ দিয়ে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়
আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জানালো ইরান
শেষ পর্যন্ত ইরানের দ্বারস্থ হলো সৌদি আরব
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণ নীতি ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। ইরান সাম্প্রতিক সংঘাতের পর এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন প্রোটোকল প্রস্তাব করেছে, যা ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
হরমুজ প্রণালী, যা পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে, বিশ্বব্যাপী তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। স্বাভাবিক সময়ে এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ পরিবাহিত হয়।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হয়। ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় এই পথ দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে আঘাত হানলে কার্যত পুরো নৌচলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা
বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর ইরান একটি ১০ দফা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে রাখার শর্ত দেয়। এই পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং প্রণালীর উপর ইরানের কর্তৃত্ব বজায় রাখার দাবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই শর্তগুলো স্বীকার করেনি, তবে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ইরান জানিয়েছে, প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে নতুন নির্দেশিত পথ অনুসরণ করতে হবে, যা ইরানের উপকূলের কাছাকাছি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে নিরাপত্তা কারণ দেখানো হয়েছে, কারণ মূল নৌপথে মাইন থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ইরান ভবিষ্যতে জাহাজ চলাচলের জন্য টোল বা ফি আরোপের বিষয়টিও বিবেচনা করছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতি
জাহাজ থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ফি নেওয়া হতে পারে অথবা প্রতি ব্যারেল তেলের ওপর নির্দিষ্ট চার্জ ধার্য করা হতে পারে। এই অর্থ যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। তবে এই প্রস্তাব ইতোমধ্যেই ওমান প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন অনুযায়ী এমন ফি আরোপ বৈধ নয়। বিশেষ করে সমুদ্র আইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক প্রণালী দিয়ে চলাচলের জন্য সরাসরি টোল নেওয়া নিষিদ্ধ, যদিও নির্দিষ্ট সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু চার্জ নেওয়া যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সরাসরি টোলের পরিবর্তে নিরাপত্তা বা মাইন অপসারণের মতো সেবার জন্য ফি দাবি করে, তবে তা কিছুটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে। তবুও এ ধরনের পদক্ষেপের কোনো সুস্পষ্ট
নজির সাম্প্রতিক ইতিহাসে নেই। অন্যদিকে, এই প্রস্তাব আন্তর্জাতিকভাবে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। উপসাগরীয় দেশগুলো প্রণালী দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন অনিশ্চয়তা থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এ নিয়ে একটি প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়, যদিও তা সব দেশের সমর্থন পায়নি। বিশ্বের বড় শক্তিগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, এই ধরনের টোল ব্যবস্থাকে সহজে মেনে নেবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জাহাজ মালিকদের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে, কারণ দীর্ঘ সময় ধরে জাহাজ আটকে থাকলে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। ফলে তারা সাময়িকভাবে হলেও ইরানের শর্ত মেনে নিতে পারে। বর্তমানে প্রণালী দিয়ে খুব সীমিত সংখ্যক জাহাজ চলাচল করছে, এবং
পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত। চলমান আলোচনা সফল হলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে, কিন্তু ব্যর্থ হলে আবারও এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অচলাবস্থা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর ইরান একটি ১০ দফা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে রাখার শর্ত দেয়। এই পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং প্রণালীর উপর ইরানের কর্তৃত্ব বজায় রাখার দাবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই শর্তগুলো স্বীকার করেনি, তবে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ইরান জানিয়েছে, প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে নতুন নির্দেশিত পথ অনুসরণ করতে হবে, যা ইরানের উপকূলের কাছাকাছি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে নিরাপত্তা কারণ দেখানো হয়েছে, কারণ মূল নৌপথে মাইন থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ইরান ভবিষ্যতে জাহাজ চলাচলের জন্য টোল বা ফি আরোপের বিষয়টিও বিবেচনা করছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতি
জাহাজ থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ফি নেওয়া হতে পারে অথবা প্রতি ব্যারেল তেলের ওপর নির্দিষ্ট চার্জ ধার্য করা হতে পারে। এই অর্থ যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। তবে এই প্রস্তাব ইতোমধ্যেই ওমান প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন অনুযায়ী এমন ফি আরোপ বৈধ নয়। বিশেষ করে সমুদ্র আইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক প্রণালী দিয়ে চলাচলের জন্য সরাসরি টোল নেওয়া নিষিদ্ধ, যদিও নির্দিষ্ট সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু চার্জ নেওয়া যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সরাসরি টোলের পরিবর্তে নিরাপত্তা বা মাইন অপসারণের মতো সেবার জন্য ফি দাবি করে, তবে তা কিছুটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে। তবুও এ ধরনের পদক্ষেপের কোনো সুস্পষ্ট
নজির সাম্প্রতিক ইতিহাসে নেই। অন্যদিকে, এই প্রস্তাব আন্তর্জাতিকভাবে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। উপসাগরীয় দেশগুলো প্রণালী দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন অনিশ্চয়তা থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এ নিয়ে একটি প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়, যদিও তা সব দেশের সমর্থন পায়নি। বিশ্বের বড় শক্তিগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, এই ধরনের টোল ব্যবস্থাকে সহজে মেনে নেবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জাহাজ মালিকদের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে, কারণ দীর্ঘ সময় ধরে জাহাজ আটকে থাকলে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। ফলে তারা সাময়িকভাবে হলেও ইরানের শর্ত মেনে নিতে পারে। বর্তমানে প্রণালী দিয়ে খুব সীমিত সংখ্যক জাহাজ চলাচল করছে, এবং
পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত। চলমান আলোচনা সফল হলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে, কিন্তু ব্যর্থ হলে আবারও এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অচলাবস্থা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।



