ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কেন ইরান যুদ্ধের চরম মূল্য দিচ্ছে ইউরোপ ও এশিয়ার মার্কিন মিত্ররা?
খাদ্য ও ওষুধ সংকটে পড়তে পারে কোটি মানুষ
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরান-ওমান বৈঠক শুরু
মার্কিন গ্রিন কার্ড বাতিল করে কাসেম সোলেইমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার
ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে ইরানি মিসাইলের ঢেউ
হুথিদের হামলার চোটে সব কর্মীকে বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে নিলো ইসরায়েল
যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে, জানাল ইরান
সৌদি আরবের রিয়াদে আবার বিস্ফোরণ
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পূর্ব দিকে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
আন্তর্জাতিক একটি বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রিয়াদের পূর্বাংশের বাসিন্দারা জানিয়েছেন- তারা বেশ কয়েকটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন।
ওই বার্তা সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের সংবাদদাতারাও বিস্ফোরণের শব্দগুলো শুনেছেন।
এদিকে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্র দেশ ইসরাইল ও সৌদি আরব কয়েক সপ্তাহ ধরে এ হামলার পক্ষে চাপ দিচ্ছিল ট্রাম্পকে। তারই ফল দেখা যাচ্ছে এখন।
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংকটের সমাধান কূটনৈতিকভাবেই হোক, এ বিষয়ে একাধিকবার কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে গত এক মাসে গোপনে তিনি ট্রাম্পকে একাধিকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন
করেন। সেখানে তিনি হামলার পক্ষে মত দেন। একই সময়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। সৌদি নেতা মার্কিন কর্মকর্তাদেরকে সতর্কও করে দেন যে এখনই হামলা না চালালে ভবিষ্যতে ইরান আরও বেপরোয়া, শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। যুবরাজ সালমানের এই অবস্থানকে সমর্থন দিয়েছেন তার ভাই ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান। তিনিও গেল জানুয়ারি মাসে এক বৈঠকে হামলা না চালালে কী কী ঘটতে পারে, তা তুলে ধরেন মার্কিন কর্মকর্তাদের সামনে। সৌদি আরবের এই অবস্থানের পেছনে কাজ করেছে ২টি কারণ। প্রথমটি হলো— নিজেদের তেলের স্থাপনাগুলোর ওপর ইরানের হামলা এড়ানোর ইচ্ছা, আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক
শত্রু দমনের ইচ্ছা।
করেন। সেখানে তিনি হামলার পক্ষে মত দেন। একই সময়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। সৌদি নেতা মার্কিন কর্মকর্তাদেরকে সতর্কও করে দেন যে এখনই হামলা না চালালে ভবিষ্যতে ইরান আরও বেপরোয়া, শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। যুবরাজ সালমানের এই অবস্থানকে সমর্থন দিয়েছেন তার ভাই ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান। তিনিও গেল জানুয়ারি মাসে এক বৈঠকে হামলা না চালালে কী কী ঘটতে পারে, তা তুলে ধরেন মার্কিন কর্মকর্তাদের সামনে। সৌদি আরবের এই অবস্থানের পেছনে কাজ করেছে ২টি কারণ। প্রথমটি হলো— নিজেদের তেলের স্থাপনাগুলোর ওপর ইরানের হামলা এড়ানোর ইচ্ছা, আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক
শত্রু দমনের ইচ্ছা।



