ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ২২৪
‘ইউক্রেন যুদ্ধে আরও ৫ লাখ সেনা নামাচ্ছেন পুতিন’
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান সামরিক চুক্তি ভারতের জন্য কতটা চিন্তার কারণ
সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের মৃত্যুদণ্ড
তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে পারে আরও যেসব দেশ
যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় আর ফিরবে না হরমুজ প্রণালি: ইরান
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণঘাতী ক্যান্সার
সৌদির সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী জাহাজে হুথিদের হামলা
বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী একটি জাহাজে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) হুথি নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা সাবার বরাত দিয়ে এতথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
এর আগে ইয়েমেনের কোস্ট গার্ড জানায়, বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
তবে সৌদি আরবের সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী জাহাজে হুথিদের হামলার পর এর কী প্রতিক্রিয়া আসবে, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। কারণ সম্প্রতি পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক চুক্তি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত চলার সময় তিন মুসলিম দেশের এ সমঝোতা আঞ্চলিক নিরাপত্তার হিসাবেও নতুন পরিবর্তন আনতে পারে।
মক্কায়
সই হওয়া এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে দেশগুলো। এর আগে এপ্রিলে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও সহায়ক উড়োজাহাজ অবতরণ করেছে। দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে এসব উড়োজাহাজ মোতায়েন করা হয়। সে সময় সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, কিং আবদুলআজিজ বিমানঘাঁটিতে এই যুদ্ধবিমান মোতায়েনের লক্ষ্য হলো যৌথ সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্ষমতা বাড়ানো, যেন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
সই হওয়া এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে দেশগুলো। এর আগে এপ্রিলে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও সহায়ক উড়োজাহাজ অবতরণ করেছে। দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে এসব উড়োজাহাজ মোতায়েন করা হয়। সে সময় সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, কিং আবদুলআজিজ বিমানঘাঁটিতে এই যুদ্ধবিমান মোতায়েনের লক্ষ্য হলো যৌথ সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্ষমতা বাড়ানো, যেন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।



