
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

প্রয়াণের তিন দশক পর খোলা হলো প্রিন্সেস ডায়ানার টাইম ক্যাপসুল

মালয়েশিয়ায় দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা সম্মেলন সম্পন্ন

চলতি বছর মালয়েশিয়া থেকে ২৮ হাজারেরও বেশি অভিবাসী বহিষ্কার

গোপন চিঠি থেকে যেভাবে বরফ গলল ভারত-চীন সম্পর্ক

‘গাজা দখল ইসরাইলের জন্য ভয়াবহ অভিশাপে পরিণত হবে’

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

ফোনকল ফাঁস, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত
সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় ট্রাম্পের মৃত্যু, গুজব না সত্যি?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোথায়? তিনি কি সুস্থ আছেন? নাকি মারা গিয়েছেন? – এই প্রশ্নগুলোতে সরগরম সামাজিক মাধ্যম। বিশেষ করে এক্সে (সাবেক টুইটার) ছড়িয়ে পড়েছে নানা রকম গুজব।
ট্রাম্পকে গত ২৪ ঘণ্টায় একবারও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এ নিয়ে সন্দেহ বাড়ায় ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি পত্রিকা ‘রোল কল’-এর খবর। সেখানে বলা হয়, ৩০ ও ৩১ আগস্ট ট্রাম্পের কোনো প্রকাশ্য সভা বা কর্মসূচি নেই।
বিষয়টি সামনে আসতেই ‘ট্রাম্প নিখোঁজ’ গুজব আরও জোর পায়। এর সঙ্গে যোগ হয় তার সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত উদ্বেগ আর হাতে বারবার দেখা যাওয়া কালশিটের দাগ। এরই মধ্যে এক সাক্ষাৎকারে তার অনুপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্পের
ডেপুটি জে ডি ভ্যান্স। নেটিজেনরা বিষয়টিকে দ্রুত ‘ট্রাম্প মারা গেছেন’ গল্পে রূপান্তর করেন। কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেন, কেউ আবার রসিকতা ও মিমে মেতে ওঠেন। তবে অনেকেই বলেছেন, ‘ট্রাম্পের মৃত্যু’ কথাটা অতিরিক্ত কল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়। হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ট্রাম্প নিজে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ সক্রিয় আছেন। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক শন বারবাবেলা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের হাতে যে কালশিটে দাগ দেখা যাচ্ছে, তা আসলে নিয়মিত হাত মেলানো আর অ্যাসপিরিন সেবনের কারণে। বারবাবেলা বলেন, ‘এটি সাধারণ টিস্যুর হালকা জ্বালাপোড়া। প্রেসিডেন্ট অন্যথায় চমৎকার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় আছেন।’ সামাজিক মাধ্যমে অবশ্য তুমুল আলোচনা চলছে। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘স্ট্রিটস আর সেয়িং ট্রাম্প ডেড।’ আরেকজন
লিখেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মঙ্গলবারের পর আর দেখা যায়নি। পুরো সপ্তাহান্তে তার কোনো কর্মসূচি নেই। কী হচ্ছে আসলে?’ কেউ লিখেছেন, ‘#ট্রাম্পইজডেড চলছে। কিন্তু আমার মনে হয় ট্রাম্প একদম ভালো আছেন। স্বাস্থ্যের সমস্যা থাকতে পারে। তবে মৃত্যু খুবই অতিরঞ্জিত কথা।’ আরেকজন মজা করে লিখেছেন, ‘আমি অপেক্ষা করছি কবে পপ বেস টুইট করবে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেড অ্যাট ৭৯।’ সব মিলিয়ে প্রকাশ্যে না আসা ও গুঞ্জনের জেরে ট্রাম্পকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় তোলপাড় অবস্থা।
ডেপুটি জে ডি ভ্যান্স। নেটিজেনরা বিষয়টিকে দ্রুত ‘ট্রাম্প মারা গেছেন’ গল্পে রূপান্তর করেন। কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেন, কেউ আবার রসিকতা ও মিমে মেতে ওঠেন। তবে অনেকেই বলেছেন, ‘ট্রাম্পের মৃত্যু’ কথাটা অতিরিক্ত কল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়। হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ট্রাম্প নিজে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ সক্রিয় আছেন। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক শন বারবাবেলা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের হাতে যে কালশিটে দাগ দেখা যাচ্ছে, তা আসলে নিয়মিত হাত মেলানো আর অ্যাসপিরিন সেবনের কারণে। বারবাবেলা বলেন, ‘এটি সাধারণ টিস্যুর হালকা জ্বালাপোড়া। প্রেসিডেন্ট অন্যথায় চমৎকার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় আছেন।’ সামাজিক মাধ্যমে অবশ্য তুমুল আলোচনা চলছে। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘স্ট্রিটস আর সেয়িং ট্রাম্প ডেড।’ আরেকজন
লিখেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মঙ্গলবারের পর আর দেখা যায়নি। পুরো সপ্তাহান্তে তার কোনো কর্মসূচি নেই। কী হচ্ছে আসলে?’ কেউ লিখেছেন, ‘#ট্রাম্পইজডেড চলছে। কিন্তু আমার মনে হয় ট্রাম্প একদম ভালো আছেন। স্বাস্থ্যের সমস্যা থাকতে পারে। তবে মৃত্যু খুবই অতিরঞ্জিত কথা।’ আরেকজন মজা করে লিখেছেন, ‘আমি অপেক্ষা করছি কবে পপ বেস টুইট করবে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেড অ্যাট ৭৯।’ সব মিলিয়ে প্রকাশ্যে না আসা ও গুঞ্জনের জেরে ট্রাম্পকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় তোলপাড় অবস্থা।