ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বেতন ৪৯ হাজার টাকা, নিজের ও স্ত্রীর নামে গড়েছেন অর্ধশত কোটি টাকার সম্পদের পাহাড়
রাষ্ট্রপতি: হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আবার গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন
কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত
সিলেট-৫: ভোটার ২৫৩৮, ভোট পড়ল ২৭৫৪! ফলাফলে ‘১০৮ শতাংশ’ ভোটের নজির
ভোটার তালিকায় নাম আছে ২ হাজার ৫৩৮ জনের। কিন্তু দিন শেষে সেই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২ হাজার ৭৫৪টি। অর্থাৎ মোট ভোটারের চেয়েও ২১৬টি ভোট বেশি দেখানো হয়েছে ফলাফলের বিবরণীতে। গাণিতিক হিসাবে ওই কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ১০৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে এমন অবিশ্বাস্য অসঙ্গতির চিত্র উঠে এসেছে। কানাইঘাট পৌরসভার একটি ভোটকেন্দ্রে ঘটা এই ‘ভৌতিক’ কাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় চলছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্থানীয় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং আজকের কন্ঠের হাতে আসা ‘ইউনিয়ন ভিত্তিক ফলাফল বিবরণী’ শিটে দেখা যায়,
কানাইঘাট পৌরসভার ৪ নম্বর ক্রমিকে থাকা ‘রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মহিলা)’ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৫৩৮। অথচ ওই কেন্দ্রের পাশের কলামে ‘মোট কাস্ট’ (প্রদত্ত ভোট) সংখ্যা লেখা হয়েছে ২ হাজার ৭৫৪। কাগজটিতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার সিল বা স্বাক্ষর অস্পষ্ট থাকলেও এটি যে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল বিবরণীর অংশ, তা স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। ফলাফলের এই শিটে খেজুর গাছ, দেওয়াল ঘড়ি, ফুটবল ও হারিকেন প্রতীকের কলামও দেখা গেছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ১০০ শতাংশ ভোট পড়া প্রায় অসম্ভব। সেখানে মোট ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট কাস্টিং হওয়া স্পষ্টত জালিয়াতির ইঙ্গিত দেয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে
কানাইঘাটের স্থানীয় এক স্কুলশিক্ষক বলেন, ‘মৃত বা অনুপস্থিত ভোটার বাদ দিলেও ১০০ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয় না। সেখানে ১০৮ শতাংশ ভোট কীভাবে পড়ল? হয় ব্যালট বাক্স ভরাতে গিয়ে অন্ধের মতো সিল মারা হয়েছে, নয়তো দায়িত্বরত কর্মকর্তারা যোগ-বিয়োগের সাধারণ জ্ঞানটুকুও হারিয়ে ফেলেছিলেন।’ এ বিষয়ে জানতে কানাইঘাট উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে জেলা নির্বাচন অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ‘এটি টাইপিং মিস্টেক বা করণিক ভুল হতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। এমন ভুল নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’ ফলাফলের এই কাগজটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে
ক্ষোভের পাশাপাশি হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। রায়গড় এলাকার ভোটার আবদুল করিম (ছদ্মনাম) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা জানতাম গায়েবি মামলায় মানুষ আসামি হয়। এখন দেখছি গায়েবি মানুষ ভোটও দেয়। নির্বাচন ব্যবস্থার কফিনে এর মাধ্যমে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া হলো।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত অবিলম্বে এই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করে তদন্ত করা। ১০৮ শতাংশ ভোট পড়ার এই ঘটনা কেবল একটি সংখ্যাগত ভুল নয়, বরং পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গলদকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।
কানাইঘাট পৌরসভার ৪ নম্বর ক্রমিকে থাকা ‘রায়গড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মহিলা)’ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৫৩৮। অথচ ওই কেন্দ্রের পাশের কলামে ‘মোট কাস্ট’ (প্রদত্ত ভোট) সংখ্যা লেখা হয়েছে ২ হাজার ৭৫৪। কাগজটিতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার সিল বা স্বাক্ষর অস্পষ্ট থাকলেও এটি যে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল বিবরণীর অংশ, তা স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। ফলাফলের এই শিটে খেজুর গাছ, দেওয়াল ঘড়ি, ফুটবল ও হারিকেন প্রতীকের কলামও দেখা গেছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ১০০ শতাংশ ভোট পড়া প্রায় অসম্ভব। সেখানে মোট ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট কাস্টিং হওয়া স্পষ্টত জালিয়াতির ইঙ্গিত দেয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে
কানাইঘাটের স্থানীয় এক স্কুলশিক্ষক বলেন, ‘মৃত বা অনুপস্থিত ভোটার বাদ দিলেও ১০০ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয় না। সেখানে ১০৮ শতাংশ ভোট কীভাবে পড়ল? হয় ব্যালট বাক্স ভরাতে গিয়ে অন্ধের মতো সিল মারা হয়েছে, নয়তো দায়িত্বরত কর্মকর্তারা যোগ-বিয়োগের সাধারণ জ্ঞানটুকুও হারিয়ে ফেলেছিলেন।’ এ বিষয়ে জানতে কানাইঘাট উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে জেলা নির্বাচন অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ‘এটি টাইপিং মিস্টেক বা করণিক ভুল হতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। এমন ভুল নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’ ফলাফলের এই কাগজটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে
ক্ষোভের পাশাপাশি হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। রায়গড় এলাকার ভোটার আবদুল করিম (ছদ্মনাম) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা জানতাম গায়েবি মামলায় মানুষ আসামি হয়। এখন দেখছি গায়েবি মানুষ ভোটও দেয়। নির্বাচন ব্যবস্থার কফিনে এর মাধ্যমে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া হলো।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত অবিলম্বে এই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করে তদন্ত করা। ১০৮ শতাংশ ভোট পড়ার এই ঘটনা কেবল একটি সংখ্যাগত ভুল নয়, বরং পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গলদকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।



