ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আগ্রাবাদে রমজানের চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে হকার ও বিএনপি-যুবদল কর্মীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: গুলি ও আহত ৩
সাত খুন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হলেন নারায়ণগঞ্জ সিটির প্রশাসক
বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে যেভাবে চলেছে ভোট চুরির মহোৎসব
টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ
ক্ষমতার দাপটে মানবিকতাও আজ বন্দি – মনে রেখো বাংলাদেশ, মিথ্যা মামলাই এই সরকারের রাজনীতি
জামাত-বিএনপির দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, বাইরেই নামজ পড়লো মুসল্লিরা
ক্সবাজারের রামু মায়ের পর এবার বাবাকেও হারালেন কারাবন্দী সেই দুই ভাই
সিইপিজেডে অগ্নিকাণ্ড: আগুন ছড়িয়ে পড়েছে পাশের ৪ তলা ভবনেও, কাজ করছে ১৯টি ইউনিট
চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) ৫ নম্বর রোডে অবস্থিত আল হামিদ টেক্সটাইল নামে একটি তোয়ালে উৎপাদনকারী ৯ তলা বিশিষ্ট কারখানা ভবনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। উল্টো পাশের আরেকটি চার তলা ভবনে ছড়িয়ে পড়েছে।
কিছুক্ষণ পরপর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে, আগুনে লেলিহান শিখা আকাশের বিশাল অংশকে আলোকিত করে ফেলছে। প্রায় অর্ধসহস্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।
আজ ১৬ই অক্টোবর, বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে দক্ষিণ হালিশহরে অবস্থিত এই ভবনটিতে আগুন লাগে। সময় গড়ানোর সাথে সাথে আগুন ধীরে ধীরে নিচের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
৯ তলা বিশিষ্ট ওই কারখানা ভবনে আগুন লাগার সময় প্রায় ৫ শতাধিক শ্রমিক অবস্থান করছিলেন। বেশিরভাগ শ্রমিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
এবং কেউ হতাহত হয়েছেন কি না তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। চারপাশে উৎসুক জনতার উৎপাত নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদেরকে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং নৌবাহিনীর ১৯টি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, আগুন লাগা ভবনে প্যাকেজিং, তুলা, কেমিকেল, ফেব্রিকসসহ বিভিন্ন কারখানা ছিল। স্থানীয় প্রশাসন ও শিল্প এলাকার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দুপুরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি শিল্প পুলিশ ও ইপিজেড কর্তৃপক্ষও সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের সাথে যোগ দিয়েছে
সেনা বাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমান বাহিনী। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রামের উপপরিচালক জসিম উদ্দিন জানান, আগুনের ভয়াবহতা বেড়ে যাচ্ছে। আগুন উপর থেকে লাগায় নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন আগুন যাতে বাইরে ছড়াতে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।
এবং কেউ হতাহত হয়েছেন কি না তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। চারপাশে উৎসুক জনতার উৎপাত নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদেরকে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং নৌবাহিনীর ১৯টি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, আগুন লাগা ভবনে প্যাকেজিং, তুলা, কেমিকেল, ফেব্রিকসসহ বিভিন্ন কারখানা ছিল। স্থানীয় প্রশাসন ও শিল্প এলাকার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দুপুরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি শিল্প পুলিশ ও ইপিজেড কর্তৃপক্ষও সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের সাথে যোগ দিয়েছে
সেনা বাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমান বাহিনী। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রামের উপপরিচালক জসিম উদ্দিন জানান, আগুনের ভয়াবহতা বেড়ে যাচ্ছে। আগুন উপর থেকে লাগায় নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন আগুন যাতে বাইরে ছড়াতে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।



