ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কন্ডিশনের সুবিধা পাবে আর্জেন্টিনা, তবু ‘অজুহাত না দিয়ে’ সেরা খেলার প্রত্যয় সুইজারল্যান্ডের
“আমাদের জেতাটা কেউ কেউ চায় না”—রেফারির পক্ষপাতিত্ব বিতর্কে মুখ খুললেন স্কালোনি
বিশ্বকাপ খেলা দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবলারের রহস্যজনক মৃত্যু
টানা তৃতীয়বার স্পেন-ফ্রান্স মহারণ- কে এগিয়ে?
শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে সেমিফাইনালে স্পেন
ঘনিষ্ঠ মিত্র আর্জেন্টিনার হাতেই বিশ্বকাপ দেখতে চান নেতানিয়াহু
এমবাপে-দেম্বেলের গোলে মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স
সান্ত্বনার জয়ে সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ
প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খোয়া গিয়েছিল। তবে শেষ ম্যাচে এসে জিম্বাবুয়ের মাটিতে জ্বলে উঠল টিম বাংলাদেশ। পেসার শরিফুল ইসলামের বোলিং তোপ আর দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারের জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে ভর করে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ৭ উইকেটের সান্ত্বনার জয় পেয়েছে টাইগাররা। স্বাগতিকদের দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্য ১৪ ওভার বাকি থাকতেই অনায়াসে পেরিয়ে যায় সফরকারীরা।
শনিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে একদমই সময় নেননি বোলাররা। ইনিংসের শুরুতেই জিম্বাবুয়ে শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। বেন কারানকে (২) ও ক্রেগ আরভিনকে (৫) দ্রুত বিদায় করে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন
এই বাঁহাতি পেসার। অন্য প্রান্তে তাসকিন আহমেদও চেপে ধরেন স্বাগতিকদের; তাঁর শিকার হয়ে ফেরেন ব্রায়ান বেনেট (৬)। প্রথম ঘণ্টাতেই চরম বিপাকে পড়া জিম্বাবুয়ের স্কোর একপর্যায়ে দাঁড়ায় ১০৮ রানে ৬ উইকেট। চতুর্থ উইকেটে ইনোসেন্ট কায়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে বাংলাদেশ আবারও দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি মুঠোয় পোরে। জিম্বাবুয়ের পক্ষে একা লড়াই চালান মাধেভেরে। ৭৪ বলে তাঁর লড়াকু ৭৫ এবং শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্সের ৪৩ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে কোনোমতে ১৯৯ রান তুলতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ৪৪ রান খরচায় নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া তাসকিন আহমেদ
ও তানভীর ইসলাম শিকার করেন ২টি করে উইকেট। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে এই জুটি স্কোরবোর্ডে যোগ করে ১৫১ রান, যা বিদেশের মাটিতে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটির নতুন রেকর্ড। ম্যাচের ভাগ্য মূলত এই জুটিই নির্ধারণ করে দেয়। স্বাগতিকদের ক্যাচ মিসের মহড়াও বাংলাদেশের কাজটা সহজ করে দিয়েছিল; পুরো ইনিংসে মোট ৫টি ক্যাচ হাতছাড়া করেন জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা। ব্যক্তিগত ৬৯ রানে তানাকা চিভাঙ্গার বলে সৌম্য সরকার আউট হলে ভাঙে এই রেকর্ড জুটি। সৌম্যর ৮২ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কার মার। ওদিকে
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তানজিদ তামিমকে। ১০১ বলে ৯৪ রানের এক চোখধাঁধানো ইনিংস খেলে আর্নেস্ট মাসুকুর বলে ক্যাচ আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা। এর ঠিক তিন বল পরেই তাওহীদ হৃদয়কে (০) শূন্য রানে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা শুধু জয়ের ব্যবধানই কিছুটা বিলম্বিত করেছে। বাকি কাজটা নাজমুল হোসেন শান্ত ঠান্ডা মাথায় শেষ করেন। ১৮ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। এই জয়ের ফলে ওয়ানডে সিরিজে হারের তিক্ততা কিছুটা হলেও কমল টাইগারদের। ওয়ানডে সংস্করণের লড়াই শেষ, এবার মাঠের ক্রিকেট গড়াবে ২০ ওভারের আন্তর্জাতিক
ম্যাচে। বুলাওয়েতে আগামী বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজকে সামনে রেখে এখন নিজেদের নতুন করে প্রস্তুত করতে মুখিয়ে আছে দুই দল।
এই বাঁহাতি পেসার। অন্য প্রান্তে তাসকিন আহমেদও চেপে ধরেন স্বাগতিকদের; তাঁর শিকার হয়ে ফেরেন ব্রায়ান বেনেট (৬)। প্রথম ঘণ্টাতেই চরম বিপাকে পড়া জিম্বাবুয়ের স্কোর একপর্যায়ে দাঁড়ায় ১০৮ রানে ৬ উইকেট। চতুর্থ উইকেটে ইনোসেন্ট কায়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে বাংলাদেশ আবারও দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি মুঠোয় পোরে। জিম্বাবুয়ের পক্ষে একা লড়াই চালান মাধেভেরে। ৭৪ বলে তাঁর লড়াকু ৭৫ এবং শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্সের ৪৩ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে কোনোমতে ১৯৯ রান তুলতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ৪৪ রান খরচায় নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া তাসকিন আহমেদ
ও তানভীর ইসলাম শিকার করেন ২টি করে উইকেট। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে এই জুটি স্কোরবোর্ডে যোগ করে ১৫১ রান, যা বিদেশের মাটিতে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটির নতুন রেকর্ড। ম্যাচের ভাগ্য মূলত এই জুটিই নির্ধারণ করে দেয়। স্বাগতিকদের ক্যাচ মিসের মহড়াও বাংলাদেশের কাজটা সহজ করে দিয়েছিল; পুরো ইনিংসে মোট ৫টি ক্যাচ হাতছাড়া করেন জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা। ব্যক্তিগত ৬৯ রানে তানাকা চিভাঙ্গার বলে সৌম্য সরকার আউট হলে ভাঙে এই রেকর্ড জুটি। সৌম্যর ৮২ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কার মার। ওদিকে
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তানজিদ তামিমকে। ১০১ বলে ৯৪ রানের এক চোখধাঁধানো ইনিংস খেলে আর্নেস্ট মাসুকুর বলে ক্যাচ আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা। এর ঠিক তিন বল পরেই তাওহীদ হৃদয়কে (০) শূন্য রানে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা শুধু জয়ের ব্যবধানই কিছুটা বিলম্বিত করেছে। বাকি কাজটা নাজমুল হোসেন শান্ত ঠান্ডা মাথায় শেষ করেন। ১৮ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। এই জয়ের ফলে ওয়ানডে সিরিজে হারের তিক্ততা কিছুটা হলেও কমল টাইগারদের। ওয়ানডে সংস্করণের লড়াই শেষ, এবার মাঠের ক্রিকেট গড়াবে ২০ ওভারের আন্তর্জাতিক
ম্যাচে। বুলাওয়েতে আগামী বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজকে সামনে রেখে এখন নিজেদের নতুন করে প্রস্তুত করতে মুখিয়ে আছে দুই দল।



