ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কন্ডিশনের সুবিধা পাবে আর্জেন্টিনা, তবু ‘অজুহাত না দিয়ে’ সেরা খেলার প্রত্যয় সুইজারল্যান্ডের
“আমাদের জেতাটা কেউ কেউ চায় না”—রেফারির পক্ষপাতিত্ব বিতর্কে মুখ খুললেন স্কালোনি
সান্ত্বনার জয়ে সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ
টানা তৃতীয়বার স্পেন-ফ্রান্স মহারণ- কে এগিয়ে?
শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে সেমিফাইনালে স্পেন
ঘনিষ্ঠ মিত্র আর্জেন্টিনার হাতেই বিশ্বকাপ দেখতে চান নেতানিয়াহু
এমবাপে-দেম্বেলের গোলে মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স
বিশ্বকাপ খেলা দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবলারের রহস্যজনক মৃত্যু
কয়েক সপ্তাহ আগেই বিশ্বমঞ্চে দেশের জার্সি গায়ে লড়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তোলার রূপকথাতেও জড়িয়ে ছিল তার নাম। কিন্তু সেই আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই বিষাদের ছায়া নেমে এলো আফ্রিকান ফুটবলে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দল ও মামেলোডি সানডাউনসের মিডফিল্ডার জেইডেন অ্যাডামস।
শনিবার সকালে কেপ টাউনের কেন্দ্রস্থলের স্কটশেক্লুফ এলাকার একটি বাড়ি থেকে এই তরুণ ফুটবলারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। আকস্মিক এই মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন।
২০২২ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হওয়া অ্যাডামস ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলের আগামীর তারকা। সদ্য সমাপ্ত
২০২৬ বিশ্বকাপে দলটির প্রতিটি গ্রুপ ম্যাচেই মাঝমাঠ সামলেছেন তিনি। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে সহ-আয়োজক কানাডার কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহাসিক নকআউট যাত্রার অন্যতম সারথি ছিলেন এই তরুণ। তার এই অকাল প্রয়াণে স্তব্ধ পুরো দেশ। গভীর শোক প্রকাশ করে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়া, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রী গায়টন ম্যাককেঞ্জি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এক গভীর ধাক্কা এবং ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে জেইডেনের চলে যাওয়ার খবরটি আমাকে শুনতে হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল তাদের অন্যতম সেরা এক প্রতিভাকে হারাল।’ এই কঠিন সময়ে কোনো ধরনের গুজব বা অনুমান ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছেন তিনি। মাঠের ভেতরে অ্যাডামস কতটা লড়াকু ছিলেন, তার প্রমাণ
মেলে এই বিশ্বকাপেই। গ্রুপ পর্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে খবর পান, তার দাদি মারা গেছেন। কিন্তু মানসিক সেই চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও দেশের টানে মাঠে নেমেছিলেন, খেলেছিলেন শুরুর একাদশে। ক্লাব ফুটবলেও দারুণ সফল ছিলেন অ্যাডামস। স্টেলেনবোশ এফসি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করার পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যোগ দেন ঘরোয়া পরাশক্তি মামেলোডি সানডাউনসে। সেখানে লিগ শিরোপার পাশাপাশি জিতেছেন আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নস লিগের খেতাবও। জাতীয় দলের হয়ে ২০২৪ আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে খেলা দলটিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন তিনি। তার এমন চলে যাওয়াকে দেশের ফুটবলের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখছে দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়ন। এক শোকবার্তায় তারা জানায়, যে তরুণ
প্রাণের দেশের ফুটবলকে আরও কত কিছু দেওয়ার বাকি ছিল, তার এভাবে চলে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
২০২৬ বিশ্বকাপে দলটির প্রতিটি গ্রুপ ম্যাচেই মাঝমাঠ সামলেছেন তিনি। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে সহ-আয়োজক কানাডার কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহাসিক নকআউট যাত্রার অন্যতম সারথি ছিলেন এই তরুণ। তার এই অকাল প্রয়াণে স্তব্ধ পুরো দেশ। গভীর শোক প্রকাশ করে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়া, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রী গায়টন ম্যাককেঞ্জি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এক গভীর ধাক্কা এবং ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে জেইডেনের চলে যাওয়ার খবরটি আমাকে শুনতে হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল তাদের অন্যতম সেরা এক প্রতিভাকে হারাল।’ এই কঠিন সময়ে কোনো ধরনের গুজব বা অনুমান ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছেন তিনি। মাঠের ভেতরে অ্যাডামস কতটা লড়াকু ছিলেন, তার প্রমাণ
মেলে এই বিশ্বকাপেই। গ্রুপ পর্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে খবর পান, তার দাদি মারা গেছেন। কিন্তু মানসিক সেই চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও দেশের টানে মাঠে নেমেছিলেন, খেলেছিলেন শুরুর একাদশে। ক্লাব ফুটবলেও দারুণ সফল ছিলেন অ্যাডামস। স্টেলেনবোশ এফসি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করার পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যোগ দেন ঘরোয়া পরাশক্তি মামেলোডি সানডাউনসে। সেখানে লিগ শিরোপার পাশাপাশি জিতেছেন আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নস লিগের খেতাবও। জাতীয় দলের হয়ে ২০২৪ আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে খেলা দলটিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন তিনি। তার এমন চলে যাওয়াকে দেশের ফুটবলের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখছে দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়ন। এক শোকবার্তায় তারা জানায়, যে তরুণ
প্রাণের দেশের ফুটবলকে আরও কত কিছু দেওয়ার বাকি ছিল, তার এভাবে চলে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।



