সাত হাজার বছর পুরোনো গ্রামের খোঁজ মিলল ইরানে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

সাত হাজার বছর পুরোনো গ্রামের খোঁজ মিলল ইরানে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
ইরানের দেহদাশত শহরের ঐতিহাসিক বেলাদশাপুর এলাকার নিচে প্রায় ৭ হাজার বছরের প্রাগৈতিহাসিক এক গ্রাম আবিষ্কার করেছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। এ আবিষ্কার অঞ্চলের নবপাথরিক যুগের ইতিহাস ও প্রাচীন নগরবসতির বিকাশ সম্পর্কে নতুন ভাবনার দুয়ার খুলেছে। মেহের নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, দেহদাশতে চলমান প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের প্রধান জবিহুল্লাহ মাসউদিনিয়া শনিবার সকালে জানান, ৫ম ও ৬ষ্ঠ সহস্রাব্দ খ্রিস্টপূর্ব সময়কার একটি প্রাগৈতিহাসিক গ্রাম শহরের কেন্দ্রে আবিষ্কৃত হয়েছে। তিনি বলেন, এর আগে দেহদাশতের ঐতিহাসিক নগর এলাকায় কখনো আনুষ্ঠানিক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা হয়নি। প্রথমবারের মতো অনুমতি নিয়ে বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষামূলক খনন চালানো হলে উপরের মধ্যযুগীয় ও পরবর্তী ইসলামী যুগের স্তরগুলো সরাতেই মিলেছে বিস্ময়কর প্রাগৈতিহাসিক নিদর্শন। প্রাথমিক গবেষণায় এসব স্তরের বয়স ৫ম

সহস্রাব্দ খ্রিস্টপূর্ব বলে ধারণা মিলেছে। মাসউদিনিয়া জানান, এই আবিষ্কার দেহদাশতের ইতিহাসকে নতুন মাত্রা দিতে পারে। ওপরের অংশে ইসলামী যুগের শেষ দিকের স্থাপত্য দেখা গেলেও নিচের স্তর পরীক্ষা করতে একটি ছোট গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। এতে সম্ভাব্য সেলজুক ও সাফাভি যুগের কাঠামোর নিচে আরও গভীরে ৬ষ্ঠ ও ৫ম সহস্রাব্দ খ্রিস্টপূর্বের মৃৎপাত্র ও সাংস্কৃতিক উপাদান মেলে। প্রত্নতত্ত্ববিদ আরও জানান, উত্তপ্ত পাথরের টুকরো পাওয়া গেছে—যা দিয়ে সে সময়ের মানুষ দুধ বা পানি গরম করতে বিশেষ পদ্ধতিতে পাথর আগুনে গরম করে পাত্রে ফেলে ব্যবহার করত। এটি সে যুগের প্রযুক্তি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৫৬ সালের আকাশছবি বিশ্লেষণে দেহদাশত কারাভানসারাইয়ের পাশে একটি ঐতিহাসিক টিলা দেখা

গেলেও আধুনিক নগরায়ণে তা অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তবুও এবারকার খননে সেই নিওলিথিক গ্রামের অস্তিত্ব উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া খননকাজে শহরের উত্তরাংশে প্রাচীন কানাত পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ধ্বংসাবশেষও মিলেছে। গবেষকেরা জানান, বর্তমান দেহদাশতের ঘরবাড়ি, রাস্তা ও অলিগলোর বেশিরভাগই আসলে এই প্রাগৈতিহাসিক টিলার ওপর গড়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ভারত থেকে ২০০ রেলকোচ ক্রয়: শেখ হাসিনা সরকারের করা চুক্তি বাতিল নয়, বাস্তবায়ন করছে বিএনপি, এ মাসেই আসছে ২০টি কোচ ঋণ খেলাপিদের ১ লাখ কোটি টাকা সুদ মওকুফ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের সমালোচনা সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল যা-ই ঘটুক না কেন, মাথা উঁচু করে বিদায় নেব: রোনালদো নাহিদের রেকর্ড ম্লান, হারারেতে বেহাল ব্যাটিংয়ে হারল বাংলাদেশ ইয়ামাল: মুসলিম হওয়ায় আমি শরীরে ট্যাটু আঁকাতে পারব না প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনায় রাজনীতির চর্চা: বাধ্যতামূলক হচ্ছে জিয়া পরিবারের ৩ বই পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩ ৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব ব্যালোগানের শাস্তি স্থগিতের ঘটনায় ফিফা ‘সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে’: উয়েফা রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে আওয়ামী লীগ আমলে গুরুত্বপূর্ণ পদে অবদান রাখা ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দুই বিদেশি নারীকে অপহরণের পর গণধর্ষণে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যসহ আটক ৪ একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ! পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার মালয়েশিয়ায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ২০০ রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার জুলাই নিয়ে মন্তব্য: আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ট্রাম্পের এক ফোন কলেই বদলে গেল ফিফার নিয়ম, বিতর্কের ঝড়