ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি
১১ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থীদের প্রতি জামায়াতের অসহযোগিতা: অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও মুনাফেকির অভিযোগ
চট্টগ্রামের অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে ধানের শীষ
‘রাজাকার, আলবদর, কিছুই রবে নারে’, স্লোগানে ঢাবি ক্যাম্পাসে ঘুরল পিকআপ
গুলশানে শতকোটি টাকার জমি দখল করলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা
ডিসিরা বাসায়, গণভোটের ফল ঝুলছে : কী বানানো হয়েছে রাতভর?
ভোট প্রত্যাখান করায় দেশবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা শান্তি ও অগ্রগতির এক দৃঢ় প্রতীক
শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন এক নেতৃত্বের নাম, যাঁর শাসনামলে দেশ একাধিক ঐতিহাসিক মোড় অতিক্রম করেছে। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত পার্বত্য শান্তি চুক্তি ছিল জাতির জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। দীর্ঘ দুই দশকের সংঘাত, অস্থিরতা ও রক্তক্ষয়ের পর পাহাড়ে শান্তির বার্তা পৌঁছে দেওয়া সহজ কাজ ছিল না।
তিনি সংলাপ ও রাজনৈতিক সাহসের মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন সহিংসতার চেয়ে আলোচনাই হতে পারে স্থায়ী সমাধানের পথ। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য অঞ্চলে উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার হয়, প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষের জীবনে স্থিতিশীলতার পরিবেশ তৈরি হয়।
শুধু শান্তি প্রতিষ্ঠাই নয়, উন্নয়ন অভিযাত্রায়ও তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতির
আত্মবিশ্বাসকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এসব ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান অগ্রগতি ঘটেছে। “ডিজিটাল বাংলাদেশ” ধারণা দেশের প্রশাসন, শিক্ষা ও অর্থনীতিকে নতুন গতিতে এগিয়ে নিয়েছে। নিশ্চয়ই মতভেদ ও সমালোচনা থাকবে এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারায় এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তাঁর রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি, সাহসী সিদ্ধান্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তাঁকে অনেকের কাছে শান্তি ও অগ্রগতির প্রতীকে পরিণত করেছে। ইতিহাসের পাতায় তাঁর অবদান তাই সহজে মুছে ফেলার নয়।
আত্মবিশ্বাসকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এসব ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান অগ্রগতি ঘটেছে। “ডিজিটাল বাংলাদেশ” ধারণা দেশের প্রশাসন, শিক্ষা ও অর্থনীতিকে নতুন গতিতে এগিয়ে নিয়েছে। নিশ্চয়ই মতভেদ ও সমালোচনা থাকবে এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারায় এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তাঁর রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি, সাহসী সিদ্ধান্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তাঁকে অনেকের কাছে শান্তি ও অগ্রগতির প্রতীকে পরিণত করেছে। ইতিহাসের পাতায় তাঁর অবদান তাই সহজে মুছে ফেলার নয়।



