ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বেতন ৪৯ হাজার টাকা, নিজের ও স্ত্রীর নামে গড়েছেন অর্ধশত কোটি টাকার সম্পদের পাহাড়
রাষ্ট্রপতি: হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আবার গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন
কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত
শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু ও এদেশের প্রেমিক’: সাধারণ মানুষের কণ্ঠে উন্নয়নের জয়গান
“শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু, এ দেশের প্রেমিক। এ দেশকে ভালোবাসে সে, কাজ কইরা দেখাইছে সে।”—একজন সাধারণ মানুষের এই সহজ-সরল অথচ শক্তিশালী অভিব্যক্তিটিই আজ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মনের কথা। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং জনবান্ধব নীতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে গভীর আস্থা ও ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে, এই বক্তব্য তারই এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।
কাজের মাধ্যমেই আস্থার প্রতিফলন
বক্তব্যটিতে উঠে এসেছে এক ধ্রুব সত্য—উন্নয়ন কেবল প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। বক্তার মতে, অতীতে অনেকেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বা টেন্ডার নিয়েছেন, কিন্তু শেখ হাসিনার মতো সাহসিকতার সাথে কাজ সম্পন্ন করে দেখাতে পারেননি। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ের রাস্তাঘাট—সবখানেই
এই ‘দৃশ্যমান কাজের’ ছাপ স্পষ্ট। গরীবের অকৃত্রিম বন্ধু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গত এক দশকে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তার সবচেয়ে বড় সুফলভোগী সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের ঘর দেওয়া এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার কারণে শেখ হাসিনা আজ ‘গরীবের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাধারণ মানুষ মনে করে, দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা না থাকলে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ সম্ভব নয়। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক বক্তব্যটির শেষ অংশে উঠে এসেছে জননিরাপত্তার কথা। “কোনো ছিনতাই ছিল না, কোনো আকাল ছিল না”—এই কথাটি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ একটি স্থিতিশীল এবং শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বসবাসের গুরুত্ব কতটুকু অনুভব করে। খাদ্য নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের এই অকপট স্বীকারোক্তি বলে দিচ্ছে, উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা সাধারণ জনগণের মনে আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছে। ক্ষমতার রাজনীতি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ‘দেশপ্রেমিক’ এবং ‘আপনজন’ হিসেবে স্থান করে নেওয়াটাই একজন জননেত্রীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
এই ‘দৃশ্যমান কাজের’ ছাপ স্পষ্ট। গরীবের অকৃত্রিম বন্ধু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গত এক দশকে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তার সবচেয়ে বড় সুফলভোগী সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের ঘর দেওয়া এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার কারণে শেখ হাসিনা আজ ‘গরীবের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাধারণ মানুষ মনে করে, দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা না থাকলে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ সম্ভব নয়। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক বক্তব্যটির শেষ অংশে উঠে এসেছে জননিরাপত্তার কথা। “কোনো ছিনতাই ছিল না, কোনো আকাল ছিল না”—এই কথাটি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ একটি স্থিতিশীল এবং শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বসবাসের গুরুত্ব কতটুকু অনুভব করে। খাদ্য নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের এই অকপট স্বীকারোক্তি বলে দিচ্ছে, উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা সাধারণ জনগণের মনে আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছে। ক্ষমতার রাজনীতি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ‘দেশপ্রেমিক’ এবং ‘আপনজন’ হিসেবে স্থান করে নেওয়াটাই একজন জননেত্রীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা।



