ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ বাতিল : পাকিস্তানপন্থীদের কাছে বাপের পরাজয় উদযাপন বিব্রতকর!
অবৈধ সরকার হটাও — বন্দর রক্ষা করো
আমাদের দল সম্পূর্ণভাবে ইউনাইটেড আছে।” – বিবিসিকে সজীব ওয়াজেদ
হঠাও ইউনুস, বাঁচাও দেশ শেখ হাসিনার নির্দেশ
বাংলাদেশের ওপর অনাস্থা? শিলিগুড়ি করিডর সুরক্ষায় ভারতের নতুন সামরিক ছক ও ভূ-রাজনীতির সমীকরণ
‘সাহস থাকলে প্লেন পাঠান, আমি চলে যাব’—ভাইরাল অডিওতে শেখ হাসিনার হুঙ্কার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ জানিয়ে ৫১২ জন আইনজীবীর বিবৃতি
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা রায়, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, বাংলাদেশের নতুন জাগরণ
ইতিহাস কখনও নীরব নয়; এটি তার নিজের ভাষায় কথা বলে—কখনও রক্তে, কখনও রায়ে, কখনও প্রতিরোধের গর্জনে। ভারত উপমহাদেশে প্রতিটি ফাঁসির রায়ই সাম্রাজ্যবাদকে কাঁপিয়েছে, দখলদারকে তাড়িয়েছে, আর স্বাধীনতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
খুদি রাম বসুর ফাঁসি সেই বিস্ফোরণ ছিল—যেখানে এক কিশোর বিপ্লবীর মৃত্যুদণ্ডই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের গর্ব ভেঙে দিল, ভারতবর্ষকে জাগিয়ে তুলল। ব্রিটিশরা বুঝেছিল—এই রায় কেবল একজনকে হত্যা করেনি, বরং সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে এক ঝড়কে জাগিয়ে তুলেছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসেও একই প্রতিধ্বনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফাঁসির রায় দেওয়া মাত্রই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী তাদের পতনের ঘন্টা শুনেছিল। বাংলার জনগণ সেই রায়কে মৃত্যুর ঘোষণাপত্র নয় স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ করেছিল। কয়েক মাসের লড়াইয়ে পাকিস্তানীদের বিদায়ের পথ নিশ্চিত হয়েছিল।
আজকের
বাস্তবতা আবার সেই ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে মামলা, যে রায়—অনেক বিশ্লেষক বলছেন, এটি আইনের নয়, রাজনীতির সত্যের নয়, ষড়যন্ত্রের প্রতীক। ইতিহাস প্রায়ই এমন সময়ে একটি জাতিকে পরীক্ষা করে—কে সত্যের পাশে, কে স্বার্থের? কে দেশগঠন করে, আর কে ইতিহাস ভাঙতে চায়? বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে এখন প্রশ্ন জাগছে— যখন ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ফাঁসির রায় অন্যায়কে উন্মোচন করে, তখন কি এটি আবারও নতুন জাগরণের সূচনা করবে? বিশ্লেষকদের মতে, এই রায়ের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, জনগণের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, এবং রাজনীতিকে বদলে দিতে “আইনি মুখোশে রাজনৈতিক প্রতিশোধ” চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতদিন যে শক্তি দেশকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছে—ঘৃণার
রাজনীতি, পুরনো পাকিস্তানি দর্শন, রাজাকার মানসিকতার উত্তরাধিকার—তারা এই রায়ে উল্লাস করতে পারে, কিন্তু ইতিহাস তাঁদের কখনও সমর্থন করেনি। এখন প্রশ্নটা স্পষ্ট—বাংলাদেশ কি আবার সেই পুরনো অন্ধকারে ফিরে যাবে, নাকি নতুন জাগরণের পথে এগোবে? দেশের মানুষ সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে খুদি রামের ফাঁসি যেমন বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির রায় যেমন পাকিস্তানীদের শেষ যাত্রার ঘণ্টা বাজিয়েছিল—তেমনই আজকের বাংলাদেশেও একটি নতুন উত্তাল জনআন্দোলনের জন্ম হতে পারে ন্যায়বিচারের দাবিতে। এটি প্রতিহিংসা নয়; এটি ইতিহাসের স্বাভাবিক গতি—যেখানে মিথ্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় না, আর জাতির ইচ্ছাই শেষ কথা বলে। বাংলাদেশের মানুষ আজ স্পষ্ট বলছে: একটি ষড়যন্ত্রমূলক রায় কখনো জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না। দেশের পথে বাধা সৃষ্টি করা, স্বাধীনতার
চেতনাকে আঘাত করা, কিংবা রাজাকার মানসিকতার ধারকরা—ইতিহাসের বিচারে টিকে থাকবে না। বাংলাদেশ টিকে থাকবে, এগিয়ে যাবে—এটাই নিশ্চিত। এই রায় তাই নতুন প্রশ্ন নয়, বরং নতুন জাগরণের আহ্বান। ইতিহাসের তিনটি রায়েরই বার্তা এক—অন্যায়ের রায় কখনোই জাতিকে থামাতে পারেনি, কখনো পারবেও না।
বাস্তবতা আবার সেই ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে মামলা, যে রায়—অনেক বিশ্লেষক বলছেন, এটি আইনের নয়, রাজনীতির সত্যের নয়, ষড়যন্ত্রের প্রতীক। ইতিহাস প্রায়ই এমন সময়ে একটি জাতিকে পরীক্ষা করে—কে সত্যের পাশে, কে স্বার্থের? কে দেশগঠন করে, আর কে ইতিহাস ভাঙতে চায়? বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে এখন প্রশ্ন জাগছে— যখন ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ফাঁসির রায় অন্যায়কে উন্মোচন করে, তখন কি এটি আবারও নতুন জাগরণের সূচনা করবে? বিশ্লেষকদের মতে, এই রায়ের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, জনগণের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, এবং রাজনীতিকে বদলে দিতে “আইনি মুখোশে রাজনৈতিক প্রতিশোধ” চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতদিন যে শক্তি দেশকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছে—ঘৃণার
রাজনীতি, পুরনো পাকিস্তানি দর্শন, রাজাকার মানসিকতার উত্তরাধিকার—তারা এই রায়ে উল্লাস করতে পারে, কিন্তু ইতিহাস তাঁদের কখনও সমর্থন করেনি। এখন প্রশ্নটা স্পষ্ট—বাংলাদেশ কি আবার সেই পুরনো অন্ধকারে ফিরে যাবে, নাকি নতুন জাগরণের পথে এগোবে? দেশের মানুষ সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে খুদি রামের ফাঁসি যেমন বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির রায় যেমন পাকিস্তানীদের শেষ যাত্রার ঘণ্টা বাজিয়েছিল—তেমনই আজকের বাংলাদেশেও একটি নতুন উত্তাল জনআন্দোলনের জন্ম হতে পারে ন্যায়বিচারের দাবিতে। এটি প্রতিহিংসা নয়; এটি ইতিহাসের স্বাভাবিক গতি—যেখানে মিথ্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় না, আর জাতির ইচ্ছাই শেষ কথা বলে। বাংলাদেশের মানুষ আজ স্পষ্ট বলছে: একটি ষড়যন্ত্রমূলক রায় কখনো জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না। দেশের পথে বাধা সৃষ্টি করা, স্বাধীনতার
চেতনাকে আঘাত করা, কিংবা রাজাকার মানসিকতার ধারকরা—ইতিহাসের বিচারে টিকে থাকবে না। বাংলাদেশ টিকে থাকবে, এগিয়ে যাবে—এটাই নিশ্চিত। এই রায় তাই নতুন প্রশ্ন নয়, বরং নতুন জাগরণের আহ্বান। ইতিহাসের তিনটি রায়েরই বার্তা এক—অন্যায়ের রায় কখনোই জাতিকে থামাতে পারেনি, কখনো পারবেও না।



