ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ’লীগ ও শেখ হাসিনার হাতেই জব্দ ছিলো জামায়াত
শেখ হাসিনার সরকার পতনে গোপন ভূমিকায় সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআই-এর যেসকল কর্মকর্তা
কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী
কৃষক কার্ড পাবেন ২০,৬৭১ জন: বছরে ২৫০০ টাকা, মাসে ২০৮ টাকা গড়ে
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন
শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতে সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের গোপন ভূমিকা: নর্থ ইস্ট নিউজের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের “কালো আইন” এর প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের মানুষের ভোট বর্জন
দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের নানা অভিযোগ ও অনিয়মের মধ্যে শেষ হয়েছে ছাড়াই সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভোট দিতে যায়নি দেশের অধিকাংশ মানুষ।
ভোটগ্রহণ শেষে রাজনৈতিক মহলে বড় আলোচনা ও কৌতূহলের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভোটের হার কেমন হলো। এ নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেলা দুইটা পর্যন্ত দেশের ৩৬ হাজারের বেশি কিছু কেন্দ্রে গড়ে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে। তারা এখন পর্যন্ত ভোটার হারের নির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানায়নি।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটার হার ছিল খুবই কম। বিশেষ করে গোপালগঞ্জে মানুষ ভোট বর্জন করেছে। ঢাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে অলস সময় পাড় করেছেন
কর্মকর্তারা। দেশের একটি কেন্দ্রে বিজিবি সদস্যদের ক্রিকেট খেলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেছেন যে, “এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল”। তবে বিবিসি জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা, পোলিং এজেন্টদের ওপর হামলা করে জখম করা, নারীদের হেনস্তা করার চেষ্টা হয়েছে এবং বেশ কিছু জায়গায় কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টাও চালানো হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, “যখন একটি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের বাইরে থাকে তখন সেই ভোটের নৈতিক বৈধতা তলানিতে গিয়ে ঠেকে। বিজিবি সদস্যদের ক্রিকেট খেলা বা ফাঁকা কেন্দ্রে কর্মকর্তাদের ঝিমুনি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষের মধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে কোনো আগ্রহ ছিল না। প্রধান উপদেষ্টার ‘শান্তিপূর্ণ’
তকমাটি মূলত ভোটারহীনতার একটি নামান্তর মাত্র। বিশ্লেষকরা আরও মনে করেন, ভোটের হার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অস্পষ্টতা এবং মাঠের বাস্তবতার অমিল ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা আরও কমিয়ে দেবে। বিশেষ করে গোপালগঞ্জের মতো জায়গায় ভোট বর্জন এটাই ইঙ্গিত দেয় যে, তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক অসন্তোষ চরমে।
কর্মকর্তারা। দেশের একটি কেন্দ্রে বিজিবি সদস্যদের ক্রিকেট খেলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেছেন যে, “এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল”। তবে বিবিসি জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা, পোলিং এজেন্টদের ওপর হামলা করে জখম করা, নারীদের হেনস্তা করার চেষ্টা হয়েছে এবং বেশ কিছু জায়গায় কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টাও চালানো হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, “যখন একটি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের বাইরে থাকে তখন সেই ভোটের নৈতিক বৈধতা তলানিতে গিয়ে ঠেকে। বিজিবি সদস্যদের ক্রিকেট খেলা বা ফাঁকা কেন্দ্রে কর্মকর্তাদের ঝিমুনি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষের মধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে কোনো আগ্রহ ছিল না। প্রধান উপদেষ্টার ‘শান্তিপূর্ণ’
তকমাটি মূলত ভোটারহীনতার একটি নামান্তর মাত্র। বিশ্লেষকরা আরও মনে করেন, ভোটের হার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অস্পষ্টতা এবং মাঠের বাস্তবতার অমিল ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা আরও কমিয়ে দেবে। বিশেষ করে গোপালগঞ্জের মতো জায়গায় ভোট বর্জন এটাই ইঙ্গিত দেয় যে, তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক অসন্তোষ চরমে।



