ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
কড়াইল বস্তিতে ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি: তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
প্রতিশ্রুতির রাজনীতি, নীরবতার কমিশন তারেক রহমান, বিএনপি, এনসিপি ও রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার মুখোশ
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
‘শাহ আজিজও যেন জেলে ভালো থাকেন, বঙ্গবন্ধু তা নিশ্চিত করেছিলেন’: রুমিন ফারহানা
বাংলাদেশের রাজনীতির হারানো ঐতিহ্য ও শিষ্টাচার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা মন্তব্য করেছেন, অতীতে রাজনৈতিক বিরোধ থাকলেও প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মানবোধ ছিল প্রবল। এমনকি ঘোরতর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ শাহ আজিজুর রহমানের জেলজীবন যেন স্বস্তিদায়ক হয়, তৎকালীন নেতৃত্ব তা নিশ্চিত করেছিলেন।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
‘শাহ আজিজ ও রাজনৈতিক উদারতা’
টকশোর আলোচনায় রুমিন ফারহানা অতীতের রাজনৈতিক সংস্কৃতির উদাহরণ টানেন। তিনি বলেন, “শাহ আজিজও জেলে যাতে ভালো থাকে, সেটা উনি এনসিওর (ensure) করেছেন।”
রুমিন ফারহানা মূলত এই বক্তব্যের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক মহানুভবতার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বোঝাতে
চেয়েছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও প্রতিপক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার মানসিকতা তখন নেতাদের মধ্যে ছিল না। বঙ্গবন্ধু ও ভাসানীর সম্পর্ক রাজনৈতিক শিষ্টাচারের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মওলানা ভাসানীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। রুমিন বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধু ও মওলানা ভাসানী যখন আলাদা হয়ে গেলেন—মওলানা ভাসানী ন্যাপ গঠন করলেন এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগ নিয়ে থাকলেন—তখনো তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নষ্ট হয়নি। বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়ও রাতের বেলা মওলানা ভাসানীর কাছে যেতেন পরামর্শ (অ্যাডভাইস) নিতে। এটিই ছিল বাংলাদেশের পলিটিক্যাল কালচার বা রাজনৈতিক সংস্কৃতি।’’ বর্তমান রাজনীতির সমালোচনা অতীতের এই সম্প্রীতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের রাজনীতির তুলনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রুমিন। তিনি বলেন, ‘‘বিরোধিতা থাকবেই। কিন্তু পরস্পরের
চামড়া খুলে ফেলা, কুৎসিত স্লোগান দেওয়া এবং ব্যক্তি সম্পর্ককে ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলার মতো সংস্কৃতি আগে ছিল না।’’ নিজের পারিবারিক শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে ভাষা সৈনিক অলি আহাদের কন্যা রুমিন বলেন, তার পরিবার এই সুস্থ রাজনৈতিক ধারার মধ্য দিয়েই এসেছে এবং তিনি সেই সংস্কৃতিকেই ধারণ করেন।
চেয়েছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও প্রতিপক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার মানসিকতা তখন নেতাদের মধ্যে ছিল না। বঙ্গবন্ধু ও ভাসানীর সম্পর্ক রাজনৈতিক শিষ্টাচারের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মওলানা ভাসানীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। রুমিন বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধু ও মওলানা ভাসানী যখন আলাদা হয়ে গেলেন—মওলানা ভাসানী ন্যাপ গঠন করলেন এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগ নিয়ে থাকলেন—তখনো তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নষ্ট হয়নি। বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়ও রাতের বেলা মওলানা ভাসানীর কাছে যেতেন পরামর্শ (অ্যাডভাইস) নিতে। এটিই ছিল বাংলাদেশের পলিটিক্যাল কালচার বা রাজনৈতিক সংস্কৃতি।’’ বর্তমান রাজনীতির সমালোচনা অতীতের এই সম্প্রীতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের রাজনীতির তুলনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রুমিন। তিনি বলেন, ‘‘বিরোধিতা থাকবেই। কিন্তু পরস্পরের
চামড়া খুলে ফেলা, কুৎসিত স্লোগান দেওয়া এবং ব্যক্তি সম্পর্ককে ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলার মতো সংস্কৃতি আগে ছিল না।’’ নিজের পারিবারিক শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে ভাষা সৈনিক অলি আহাদের কন্যা রুমিন বলেন, তার পরিবার এই সুস্থ রাজনৈতিক ধারার মধ্য দিয়েই এসেছে এবং তিনি সেই সংস্কৃতিকেই ধারণ করেন।



