শহিদ আবরার জাতীয় ঐক্যের প্রতীক: ঢাবি শিবির সভাপতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ অক্টোবর, ২০২৪

শহিদ আবরার জাতীয় ঐক্যের প্রতীক: ঢাবি শিবির সভাপতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ অক্টোবর, ২০২৪ |
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ প্রকৌশলী বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ফেসবুকে ভারতবিরোধী স্ট্যাটাস দেওয়ায় তাকে খুন করা হয়। আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে স্মরণ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েম। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক শহিদ আবরার ফাহাদ। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবং দেশের সার্বভৌমত্বের হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সম্মুখ সেনাপতি আমাদের প্রিয় আবরার ফাহাদ। নির্যাতিত মজলুম ছাত্র-জনতা আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে জাতির এই সূর্যসন্তানকে। ফ্যাসিস্ট খুনি

হাসিনা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে, দেশকে পরিণত করেছিল ভারতের অঘোষিত কলোনিতে। ভারতের হয়ে নিজ দেশের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার ভূলুণ্ঠিত করা এবং দেশের সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক স্বকীয়তাকে পরজীবীকরণ করার হীন কৌশল অবলম্বন করেছিল পতিত স্বৈরাচার হাসিনা। এই আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যারা হুমকি হিসেবে দাঁড়িয়েছিল, তারাই ফ্যাসিস্টের রক্তচক্ষুতে পরিণত হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ হিসেবে যাদেরই আবির্ভাব ঘটেছে, তাদেরকেই বরণ করতে হয়েছে মৃত্যুর মতো নির্মম পরিণতি। আবরার ফাহাদ হত্যার দায় শুধু ওই ঘাতক দলেরই না। এই দায় তাদেরও যারা ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত থাকলেই নিপীড়ন করাকে বৈধতা দিয়েছিল। স্মরণ করিয়ে দিতে চাই- আবরার ফাহাদের পূর্বে ছাত্রলীগের টর্চার সেলে ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বুয়েটের ছাত্র সিরাজুল

ইসলামসহ বহু ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থী নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। কিন্তু ভারতের দোসর ও ইসলামোফোবিক একটা পক্ষ এই নির্মম নিপীড়নে শুধু চুপই থাকে নাই, বরং সক্রিয় সমর্থনও দিয়েছিল। আল্লাহ শহিদ হিসেবে আবরার ফাহাদকে কবুল করুন এবং জান্নাতের উচ্চ মাকামে পুরস্কৃত করুন। আবরার ফাহাদের শাহাদাত যেন নিপীড়নকে বৈধতা দানকারী ওই দোসর গোষ্ঠীর শুভবুদ্ধির উদয় ঘটায়, আল্লাহ তায়ালার কাছে এই কামনা করি। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, আজাদি জিন্দাবাদ’। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি ও গ্যাস চুক্তির বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন আবরার। ওই দিনই শেরেবাংলা হলের গেস্টরুমে আসামিরা সভা করে বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র আবরারকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। স্ট্যাটাসটি

দেওয়ার সময় তিনি কুষ্টিয়ায় গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। পর দিন (৬ অক্টোবর) বিকালে তিনি বাড়ি থেকে বুয়েটের হলে ফেরেন। হলে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মাথায় রাত ৮টার দিকে আবরারসহ দ্বিতীয় বর্ষের সাত-আটজন ছাত্রকে শেরেবাংলা হলের দোতলার ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে পাঠান তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাত-আটজন নেতা। তারা আবরার ফাহাদের মোবাইল নিয়ে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ঘেঁটে দেখেন। এ সময় আবরার শিবিরের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ আনা হয়। আবরার এসব অস্বীকার করলে শুরু হয় স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পেটাতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আসেন। তারা আরেক দফা পেটান আবরারকে। মার খেয়ে একপর্যায়ে আবরার অচেতন হয়ে

পড়লে কোলে করে মুন্নার কক্ষে (২০০৫ নং) নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে দোতলা ও নিচতলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় অচেতন আবরারকে নিয়ে যান তারা। অচেতন আবরারের চিকিৎসার জন্য হল প্রভোস্ট ও চিকিৎসককে খবর দেয় ছাত্রলীগের সেসব কর্মী। কিন্তু এরই মধ্যে প্রাণ হারান আবরার। চিকিৎসক এসে আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন। তখন কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। দায়ের হয় হত্যা মামলা। ওই মামলায় সব মিলিয়ে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত। ঢাকায় পুরোহিতের ওপর নৃশংস হামলা, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সুভাষ দেউরী মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার তদন্ত দাবি পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের রণক্ষেত্র সাতকানিয়া: সশস্ত্র জামায়াত-শিবির কর্মীদের গুলিতে রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ কর্মী, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর বেড়ে ১২৩.৫৫ টাকাঃ দুই সপ্তাহে বেড়েছে ৭০ পয়সা, আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রিপেইড মিটারে ভৌতিক বিল কর্তনের অভিযোগ, মধ্যরাতে বিদ্যুতহীনতার ভোগান্তিতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও) ভারতীয় পেঁয়াজের সাথে প্রতিযোগিতায় ন্যায্যমূল্য না পেয়ে দিশেহারা কৃষক, ক্ষোভে পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন রাস্তায়-ডোবায় মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে বিদ্যুতের লোডশেডিং অতিষ্ট যুবকের প্রধানমন্ত্রী ও জায়মাকে কটুক্তি, ফেনীতে যুবক গ্রেফতার হাসপাতাল চালুর দাবিতে সড়ক অবরোধ, নবম দিনে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বিশ্বজুড়ে ৯১টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে শেখ হাসিনা: “এ বছরই দেশে ফিরব” কোটচাঁদপুরের ডেপুটি রেঞ্জার শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ ঢাবি স্থাপনার নাম পরিবর্তন: সিনেট অধিবেশন থেকে শিবিরের ওয়াকআউট; পছন্দের নাম ‘শহিদ ওসমান হাদি’ পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট