লিবিয়ায় দুই গণকবর থেকে প্রায় ৫০ অভিবাসী-শরণার্থীর মরদেহ উদ্ধার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

লিবিয়ায় দুই গণকবর থেকে প্রায় ৫০ অভিবাসী-শরণার্থীর মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ |
লিবিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব মরুভূমির দুটি গণকবর থেকে প্রায় ৫০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব মরদেহ অভিবাসন ও শরণার্থী প্রত্যাশীর, যারা দেশটির মধ্য দিয়ে ইউরোপে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দেশটির নিরাপত্তা অধিদপ্তর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব দিকের কুফরা শহরের একটি খামারের গণকবর থেকে ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার এসব লাশের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। খবর আল জাজিরার কুফরার নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আল-ফাদিল বলেন, শহরটির একটি বন্দিশিবিরে অভিযান চালালে সেখানে আরও একটি গণকবর পাওয়া যায়। এই কবর থেকে অন্তত ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে, এই গণকবরে প্রায়

৭০ ব্যক্তিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। গণকবরটিতে অনুসন্ধান অব্যাহত রাখা হয়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণ লিবিয়ায় অভিবাসন ও শরণার্থী প্রত্যাশীদের সহায়তাদানকারী দাতব্য প্রতিষ্ঠান আল-আবরিন বলেছে, গণকবরে যাদের মরদেহ পাওয়া গেছে, তাদের কাউকে কাউকে মাটিচাপা দেওয়ার আগে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। লিবিয়াতে গণকবর শনাক্তের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। গত বছর রাজধানী ত্রিপোলির দক্ষিণের শুয়ারিফ অঞ্চলের একটি গণকবর থেকে অন্তত ৬৫ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপে যাওয়ার জন্য অভিবাসন ও শরণার্থী প্রত্যাশীদের একটি বড় অংশ লিবিয়াকে বেছে নেন। তাদের নানা ধরনের দুর্বলতার সুযোগ গ্রহণ করে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যরা। অঞ্চলটির চাদ, নাইজার, সুদান, মিসর, আলজেরিয়া এবং তিউনিসিয়াসহ ছয়টি দেশের সীমান্তজুড়ে

এক দশকেরও বেশি ধরে অস্থিতিশীলতা, অভিবাসন এবং শরণার্থী প্রত্যাশীদের পাচার থেকে তারা বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। মানবাধিকার গোষ্ঠী ও জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো লিবিয়ায় পদ্ধতিগতভাবে জোরপূর্বক শ্রম, মারধর, ধর্ষণ এবং নির্যাতনের শিকার শরণার্থী প্রত্যাশীদের ওপর নির্যাতন নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। সাগর থেকে যাদের আটক করে লিবিয়ায় ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাদের সরকার পরিচালিত বন্দিশিবিরে আটক রাখা হয়। সেখানে তারা ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হন। ন্যাটোর সহায়তাপুষ্ট একটি গণঅভ্যুত্থানে ২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতন হয়। এরপর থেকে দেশটি অশান্ত রয়েছে। গত এক দশকের অধিকাংশ সময় উত্তর আফ্রিকার জ্বালানি তেল সমৃদ্ধ দেশটিতে দুটি সরকার রয়েছে। একটি পূর্বে ও আরেকটি

পশ্চিমে। প্রত্যেক সরকারকে একাধিক যোদ্ধা গোষ্ঠী ও বিদেশি সরকার সহায়তা দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মেসি সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়: হ্যারি কেইন সাদিক কায়েমের তীব্র সমালোচনা রাশেদ খাঁনের বিশ্বকাপ জিতবে কারা, জানালো সুপারকম্পিউটার অপ্টা মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর না খেলার ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি সেমিতে গোল না করেও গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ধোঁয়ার চাদরে উত্তর আমেরিকা! আবার বিয়ে করছেন পরীমনি! নতুন ভোটার হওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করলো ইসি পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা আগামী ১২ আগস্ট এপস্টেইন-বিতর্কের জেরে গেটস ফাউন্ডেশনে অনুদান দেওয়া বন্ধ করলেন বাফেট শেষের ঝলকে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা প্রেমের টানে হুটহাট বাংলাদেশে উড়ে যাওয়া নাগরিকদের কঠোর বার্তা চীন সরকারের টি-টোয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়ের কাছে ধরাশায়ী বাংলাদেশ যশোরে আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, বিএনপির ২ নেতাকর্মী আটক দেড় মাসেই উন্নয়নের জোয়ারে পদ্মায় ভেসে গেল ৫২৭ কোটি টাকার প্রকল্প! ডেঙ্গু ঠেকাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যুগান্তকারী সমাধান: বললেন লুঙ্গি লম্বা করে ও পায়জামা পরতে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফরম্যাটে বড় পরিবর্তন আনল আইসিসি আইসিসির নতুন কমিটিতে প্রধান তামিম ইকবাল, পেলেন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিও নরসিংদীর কানখেকো সেই বিএনপি নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুস্থ অবস্থায় কারাগারে যাওয়ার ৯ দিন পর পরিবার পেল যুবলীগ নেতার মরদেহ, পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ