ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পহেলা বৈশাখের আগেই সুখবর পাচ্ছেন শিক্ষকরা
চাঁদপুর ও মাদারীপুরে মিড ডে মিলের নিম্নমানের খাবারে প্রাথমিক শিশুরা অসুস্থ
শুরু হচ্ছে অনলাইন ক্লাস, কমে যাচ্ছে সাপ্তাহিক ছুটি
ঢাবি শিক্ষার্থী ও ঢামেক চিকিৎসকদের হাতাহাতি, জরুরি বিভাগ বন্ধ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে বড় পরিবর্তন
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার আলটিমেটাম
স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বড় সুখবর দিলো সরকার
রাজু ভাস্কর্যে ৭২ ঘণ্টার অনশন ভাঙলো আন্দোলনকারীরা: খোজ নেয়নি সরকারি দলীয় কোন মন্ত্রী-সাংসদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জুলাই বিপ্লবের গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে টানা ৭২ ঘণ্টা আমরণ অনশনের পর অবশেষে অনশন ভেঙেছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে জুলাইয়ের শহীদ ফারহান ফাইয়াজ, সাইদুল ইসলাম, জাবের ও সৈকতের পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন প্রত্যাহার করেন।
অনশনকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, গণভোটের রায় সংসদে উত্থাপন ও বাস্তবায়ন, গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত অধ্যাদেশসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোকে বিল আকারে পেশ করা এবং জুলাই সনদের বাকি বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা—এই তিন দফা দাবিতে তারা বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল থেকে অনশনে বসেন। অনশনের ৭২ ঘণ্টা পার হলেও সরকার দলীয় কোনো সাংসদ, মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি বলে অভিযোগ
করেছেন শিক্ষার্থীরা। অনশন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনশনরত শিক্ষার্থীদের দেখতে আসেন এবং তাদের দাবি সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে সরাসরি সরকারি পর্যায় থেকে কোনো প্রতিনিধি না আসায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। অনশনের শেষ পর্যায়ে তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। শহীদ পরিবারের সদস্যরা অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে এসে বলেন, “তোমরা আমাদের সন্তানদের স্বপ্ন বহন করছ। তোমাদের সুস্থ থাকা দরকার, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য শক্তি সঞ্চয় করো।” তাদের আবেগঘন অনুরোধের পর শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙতে রাজি হন। অনশন ভাঙার পর তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া অনশন ভাঙার পর এক শিক্ষার্থী বলেন,
“আমরা জুলাইয়ের রক্তের ঋণ শোধ করতে চেয়েছিলাম। সরকার যদি জনগণের রায়কে সম্মান না করে, তাহলে এ আন্দোলন আরও তীব্র হবে। শহীদ পরিবারের কথা আমরা ফেলতে পারিনি।”এ ঘটনায় বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও সচেতন নাগরিকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি অবহেলার প্রমাণ। অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করেন, রাজনৈতিক ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের এ ধরনের চরম কর্মসূচি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের এ অনশন সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকারের অগ্রগতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
করেছেন শিক্ষার্থীরা। অনশন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনশনরত শিক্ষার্থীদের দেখতে আসেন এবং তাদের দাবি সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে সরাসরি সরকারি পর্যায় থেকে কোনো প্রতিনিধি না আসায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। অনশনের শেষ পর্যায়ে তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। শহীদ পরিবারের সদস্যরা অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে এসে বলেন, “তোমরা আমাদের সন্তানদের স্বপ্ন বহন করছ। তোমাদের সুস্থ থাকা দরকার, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য শক্তি সঞ্চয় করো।” তাদের আবেগঘন অনুরোধের পর শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙতে রাজি হন। অনশন ভাঙার পর তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া অনশন ভাঙার পর এক শিক্ষার্থী বলেন,
“আমরা জুলাইয়ের রক্তের ঋণ শোধ করতে চেয়েছিলাম। সরকার যদি জনগণের রায়কে সম্মান না করে, তাহলে এ আন্দোলন আরও তীব্র হবে। শহীদ পরিবারের কথা আমরা ফেলতে পারিনি।”এ ঘটনায় বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও সচেতন নাগরিকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি অবহেলার প্রমাণ। অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করেন, রাজনৈতিক ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের এ ধরনের চরম কর্মসূচি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের এ অনশন সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকারের অগ্রগতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।



