ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুগলের ফ্রি ১৫ জিবি স্টোরেজ বন্ধ হওয়ার খবরটি কি সত্য?
ফেসবুকে কোন কনটেন্টে সবচেয়ে বেশি ভিউ আসে?
মোবাইলে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে পারেন যেভাবে
আর পুরোপুরি গোপনীয় থাকছে না এআই-আড্ডা
১৬ বছরের আগে ফেসবুক-টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা বদলাতে গাড়িতে এআই
রেকর্ড দামে বিক্রি হলো মুঘলদের ‘সুপার কম্পিউটার’, যেসব কাজে ব্যবহার হতো এটি
যুক্তরাষ্ট্রের ‘জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি’ ঘোষণার পর তাইওয়ানে চীনা প্রযুক্তি ‘কালো তালিকায়’
যুক্তরাষ্ট্রের ‘জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির’ পর কয়েকটি চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করেছে তাইওয়ান। এই পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে চীনা প্রযুক্তি পণ্যের ওপর বিধি আরোপ করা হয়েছে।
পুরো বিষয়টিকে চীনের প্রযুক্তি খাতে বড়সড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস ও সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশনকে (এসএমআইসি) ‘কৌশলগত উচ্চপ্রযুক্তি পণ্যের সত্ত্বভুক্ত সংস্থা’র তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার তাইওয়ানও একই পদক্ষেপ নিয়েছে।
শনিবার (১৪ জুন) তাইওয়ানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রশাসন এ সংক্রান্ত একটি হালনাগাদ প্রকাশ করে। এতে হুয়াওয়ে, এসএমআইসি ও তাদের বেশ কয়েকটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যদিও
তাইওয়ান সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। দেশটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে তাইওয়ানি কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে কোনো পণ্য বা প্রযুক্তি রপ্তানির আগে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। এতে চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপ তৈরির অগ্রগতি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হুয়াওয়ে ও এসএমআইসি দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারিতে রয়েছে। ২০২০ সালের জুনে মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) হুয়াওয়ে ও জেডটিইকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর এসব প্রতিষ্ঠানের প্যারেন্ট কোম্পানি, সহযোগী ও অংশীদারদের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া এসএমআইসিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘এন্টিটি লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত করায় তারা বিদেশি প্রযুক্তি কেনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের
প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে। ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে হুয়াওয়ে ও এসএমআইসি তাইওয়ানের উন্নত চিপ কারখানা নির্মাণ প্রযুক্তি, কাঁচামাল এবং যন্ত্রপাতি যেগুলো এনভিআইডিআইএর মতো কোম্পানির জন্য টিএসএমসি উৎপাদন করে, এসব ব্যবহারে কঠোর বাধার মুখে পড়বে। নতুন তালিকায় হুয়াওয়ের জাপান, রাশিয়া ও জার্মানির শাখাগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ব্লুমবার্গই প্রথম জানায়, দক্ষিণ চীনে একাধিক গোপন চিপ কারখানা স্থাপনে হুয়াওয়েকে সহায়তা করছিল কিছু তাইওয়ানি প্রতিষ্ঠান। এবার তাইওয়ানের এই নতুন পদক্ষেপ সেই গোপন কার্যক্রমে বড় রকমের ধাক্কা দিতে পারে। একই বছর হুয়াওয়ে ও এসএমআইসি দেশীয়ভাবে তৈরি ৭-ন্যানোমিটার চিপ উন্মোচন করে, যা মার্কিন নীতিনির্ধারকদের চমকে দেয়। তখন ধারণা করা হয়, বিশ্বজুড়ে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চীনের নিজস্ব প্রযুক্তি
সক্ষমতা বাড়ছে। তবে তাইওয়ানের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত চীনের সেই আশা আবার অনিশ্চয়তার মুখে ফেলছে। চলতি বছর তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের চীনকে ‘বিদেশি শত্রু শক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করার পর থেকে দ্বীপটির নিরাপত্তানীতিতে কড়া পরিবর্তন এসেছে। অবশ্য চীন এ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
তাইওয়ান সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। দেশটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে তাইওয়ানি কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে কোনো পণ্য বা প্রযুক্তি রপ্তানির আগে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। এতে চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপ তৈরির অগ্রগতি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হুয়াওয়ে ও এসএমআইসি দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারিতে রয়েছে। ২০২০ সালের জুনে মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) হুয়াওয়ে ও জেডটিইকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর এসব প্রতিষ্ঠানের প্যারেন্ট কোম্পানি, সহযোগী ও অংশীদারদের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া এসএমআইসিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘এন্টিটি লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত করায় তারা বিদেশি প্রযুক্তি কেনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের
প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে। ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে হুয়াওয়ে ও এসএমআইসি তাইওয়ানের উন্নত চিপ কারখানা নির্মাণ প্রযুক্তি, কাঁচামাল এবং যন্ত্রপাতি যেগুলো এনভিআইডিআইএর মতো কোম্পানির জন্য টিএসএমসি উৎপাদন করে, এসব ব্যবহারে কঠোর বাধার মুখে পড়বে। নতুন তালিকায় হুয়াওয়ের জাপান, রাশিয়া ও জার্মানির শাখাগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ব্লুমবার্গই প্রথম জানায়, দক্ষিণ চীনে একাধিক গোপন চিপ কারখানা স্থাপনে হুয়াওয়েকে সহায়তা করছিল কিছু তাইওয়ানি প্রতিষ্ঠান। এবার তাইওয়ানের এই নতুন পদক্ষেপ সেই গোপন কার্যক্রমে বড় রকমের ধাক্কা দিতে পারে। একই বছর হুয়াওয়ে ও এসএমআইসি দেশীয়ভাবে তৈরি ৭-ন্যানোমিটার চিপ উন্মোচন করে, যা মার্কিন নীতিনির্ধারকদের চমকে দেয়। তখন ধারণা করা হয়, বিশ্বজুড়ে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চীনের নিজস্ব প্রযুক্তি
সক্ষমতা বাড়ছে। তবে তাইওয়ানের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত চীনের সেই আশা আবার অনিশ্চয়তার মুখে ফেলছে। চলতি বছর তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের চীনকে ‘বিদেশি শত্রু শক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করার পর থেকে দ্বীপটির নিরাপত্তানীতিতে কড়া পরিবর্তন এসেছে। অবশ্য চীন এ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।



