যমুনায় বসে গবেষণার বিলাসিতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রির নীল নকশা: কার স্বার্থে এই মহাপরিকল্পনা? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:২০ অপরাহ্ণ

যমুনায় বসে গবেষণার বিলাসিতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রির নীল নকশা: কার স্বার্থে এই মহাপরিকল্পনা?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:২০ 76 ভিউ
বিশেষ কলাম । মোঃ রনি হোসেন । বাংলাদেশে যখন বিদ্যুৎ বিলের রিচার্জ করলেই টাকা উধাও হয়, যখন গ্যাসের সিলিন্ডার সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, ঠিক তখনই রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় বসে গবেষণা ইনস্টিটিউশন গঠনের নির্দেশ দেন দেশের প্রধান বাটপার সুদখোর ইউনূস। এই বাটপারের কর্মকাণ্ড দেখতে ও শুনতে মহৎ মনে হলেও বাস্তবে তা ভয়ংকর কারণ বাংলাদেশে মহাপরিকল্পনা, রিফর্ম আর গবেষণা এই শব্দগুলো দীর্ঘ দেড় বছর ধরে ব্যবহার হয়েছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেসরকারিকরণ ও বিদেশি স্বার্থের দরজা খুলতে। তাহলে প্রশ্ন একটাই এই গবেষণা কাদের জন্য? নুনুস সরকারের ঘোষিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা (২০২৬–২০৫০) কাগজে কলমে দেশীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের কথা বললেও বাস্তবে এর ভেতরে লুকিয়ে আছে এক

ভয়াবহ চক্রান্ত। এগুলো হলো বন্দর বিক্রি, জ্বালানি আমদানি নির্ভরতা বৃদ্ধি, এবং কৌশলগত সম্পদে বিদেশি নিয়ন্ত্রণ। এই দেশ দেড় বছরে ইতোমধ্যে দেখেছে, ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট। নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান উপেক্ষা করে LNG আমদানির দাসত্ব। বন্দরের ব্যবস্থাপনা বিদেশি কনসোর্টিয়ামের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা। এখন প্রশ্ন হলো এই নতুন গবেষণা ইনস্টিটিউশন কি সেই একই এজেন্ডার আরেকটি নতুন সংস্করণ? ৫ই আগস্ট পরবর্তী ইউনূস মডেলের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো দেশের জনগণের মতামতকে অপ্রয়োজনীয় মনে করা ও দেশকে আন্তর্জাতিক এনজিও, দাতা সংস্থা ও কর্পোরেট কনসালট্যান্টদের হাতে নীতি তুলে দেওয়া। রাষ্ট্র কি কোনো গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ডরুম? দেশের বন্দর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি কি তার বাপের সম্পত্তি? ২০২৬

থেকে ২০৫০ এই দীর্ঘ সময়সীমার পরিকল্পনা মানে হলো; আজকের অনির্বাচিত সিদ্ধান্ত দিয়ে আগামী প্রজন্মকে চুক্তি, ঋণ ও নির্ভরতার জালে বন্দি করা। বাটপার ইউনুস ক্ষমতা দখলের পর থেকেই এমন মহাপরিকল্পনা হচ্ছে দেশে। চাহিদা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে, নবায়নযোগ্য শক্তিকে সাইডলাইনে রাখা হয়েছে, বিদেশিদের প্রেস্ক্রিপশন হুবহু নীতিতে পরিণত করেছে এই বাটপার৷ তাহলে এবার কী যাওয়ার আগে ইউনুস পরিবেশের কথা বলে কর্পোরেট জায়ান্টসদের হাতে দেশ দিয়ে বিদায় নিতে চাচ্ছে? বিশ্ববাসী দেখেছে পরিবেশগত দায়বদ্ধতা এই শব্দ এখন আন্তর্জাতিক কর্পোরেট আগ্রাসনের সবচেয়ে সুন্দর মোড়ক। কার্বন ক্রেডিট, গ্রিন ফান্ড, ক্লাইমেট ফাইন্যান্স এসবের আড়ালে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে নতুনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ইউনূসের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এই ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এটা

কোনো গুজব নয়। তাই প্রশ্নটা সরাসরি পরিবেশ রক্ষার নামে কি বাংলাদেশের জ্বালানি সার্বভৌমত্ব বিক্রি হচ্ছে? বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যা গবেষণার অভাবে নয়। সমস্যা হলো গোপন চুক্তি, বিদেশি চাপ, রাজনৈতিক দায়হীনতা এবং এলিটদের রাষ্ট্রকে কর্পোরেট সম্পত্তি ভাবা। বাটপার ইউনূস যদি সত্যিই জনগণের পক্ষে হয়, তবে তার সব চুক্তি প্রকাশ করতে হবে, দেশের জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বন্দর ও জ্বালানি খাতে বিদেশি নিয়ন্ত্রণের পরিসীমা স্পষ্ট করতে হবে। সভাপতি রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগ ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি রাস্তা থেকে যুদ্ধবিমান আর টকশো থেকে যুদ্ধাপরাধী: দুই প্রতিবেশী, দুই বাস্তবতা দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছেন ইউনূস জুলাই সনদ, এনসিপি আর শেষ বিকেলের আনুগত্য: হিসাব মিলে গেলে যখন নীতিও মেলে ভোটার তাড়ানো, জাল ভোট, আগাম সিল: সংসদ নির্বাচন নিয়ে টিআইবির ভয়াবহ প্রতিবেদন সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে। ছেলে ছাত্রলীগ করায় যারা বৃদ্ধ মানুষের রক্ত ঝরায়, তারা ক্ষমতার নয়, ঘৃণার উত্তরাধিকার বাংলাদেশে আবার ২০০১-২০০৬ এর দিনগুলো ফেরত আসছে গণতন্ত্রের সংকট কি বাড়ছে? সরকারের অবসান ঘটলেও কমেনি প্রভাব; ‘বিদেশি স্বার্থ রক্ষায়’ বহাল থাকছে বিতর্কিত সব চুক্তি: সাবেক এনএসআই কর্মকর্তার দাবি “বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি. “বিল” মিলামের মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি ভোট কেন্দ্র নাকি চোরের মেলা? বোঝা বড্ড দায়; একের পর এক সিল মারতে থাকা ভোটচোর ক্যামেরা দেখেই দিলেন চম্পট! সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিলুপ্তির একদিন পরই সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম চাকরি পেয়ে গেছেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চালু করা হয় এবং পতাকা উত্তোলন করা হয়। যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে। গণমাধ্যমে অস্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ: চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট’ তৈরির অভিযোগ ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’—মব ও ইউনূস সরকার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় খলিলুর রহমান ‘ডিপ স্টেটের’ চাপে, আলী রিয়াজ ও জামায়াতের কঠোর সমালোচনায় অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ