ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
যতদিন বেঁচে থাকবেন, একা হাঁটতে পারবেন না’— ড. ইউনূসকে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের কড়া হুঁশিয়ারি
এক নজরে:
- কঠিন পরিণতি: ড. ইউনূস এবং তাঁর সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাকে নিজেদের কর্মকাণ্ডের
চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি।
- উপদেষ্টাদের প্রতি ইঙ্গিত: আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং প্রেস সচিব
শফিকুল আলমকেও পরিণতির বিষয়ে সতর্কবার্তা।
- প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের অভিযোগ: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দেশের প্রতিটি
প্রতিষ্ঠান, বিশেষত শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি।
- মব জাস্টিসের ভয়াবহতা: প্রায় তিন হাজার শিক্ষক 'মব জাস্টিস'-এর শিকার হয়েছেন;
অনেকেই এখনো কর্মস্থলে যেতে পারছেন না বা বেতন পাচ্ছেন না।
- নৈতিক অবক্ষয়: শিক্ষকদের ওপর
হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ এবং ছাত্রদের নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলার তীব্র সমালোচনা। নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: "যতদিন বেঁচে থাকবেন, একা হাঁটতে পারবেন না। ড. ইউনূসের একা হাঁটা, একা চলা এই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে।"— অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে ঠিক এভাবেই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়ে ড. ইউনূস ও তাঁর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে আনিস আলমগীর শুধু প্রধান উপদেষ্টাকেই নয়, সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাকেও তাঁদের পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, "ডাস্টবিন শফিক (প্রেস সচিব শফিকুল আলম) থেকে শুরু করে আসিফ নজরুল এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান—যারা যারা আছেন, প্রত্যেককেই তাঁদের
কর্মকাণ্ডের পরিণতি ভোগ করতে হবে।" বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অভিযোগ করেন যে, ড. ইউনূসের আমলে শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের মর্যাদার ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে। ‘মব জাস্টিস’ বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার রোষানলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "প্রায় তিন হাজার শিক্ষক মবের শিকার হতে হয়েছে। শিক্ষকদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁদের অনেকে এখনো চাকরিতে যেতে পারছেন না, বেতন পাচ্ছেন না। এমন একটা ভীতিকর ও ভয়াবহ পরিবেশ ড. ইউনূস তৈরি করে দিয়ে গেছেন।" শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতার অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আনিস আলমগীর বলেন, "সামনের দিনে যারা আমাদের ভবিষ্যৎ, তারা কী নীতি-নৈতিকতা শিখল? এরাই তো দেখেছে এদের স্যারকে কীভাবে তাদের সিনিয়ররা নির্যাতন করেছে। শিক্ষাগুরুরা যদি নির্যাতিত হন, শিক্ষকের
যদি মর্যাদা না থাকে, তাহলে সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?" তাঁর দাবি, ড. ইউনূসের প্রশাসন দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "শিক্ষকদের যে অপমান করা হয়েছে, এর থেকে বড় আক্রমণ শিক্ষার ওপর আর কখনো আসেনি। এর থেকে বেশি বিশৃঙ্খলা ছাত্রদের মধ্যে আর কখনো দেখা যায়নি। ছাত্ররা যা ইচ্ছা তা করতে পেরেছে, দেশে তারা মব দিয়ে শাসন করেছে।"
হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ এবং ছাত্রদের নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলার তীব্র সমালোচনা। নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: "যতদিন বেঁচে থাকবেন, একা হাঁটতে পারবেন না। ড. ইউনূসের একা হাঁটা, একা চলা এই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে।"— অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে ঠিক এভাবেই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়ে ড. ইউনূস ও তাঁর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে আনিস আলমগীর শুধু প্রধান উপদেষ্টাকেই নয়, সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাকেও তাঁদের পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, "ডাস্টবিন শফিক (প্রেস সচিব শফিকুল আলম) থেকে শুরু করে আসিফ নজরুল এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান—যারা যারা আছেন, প্রত্যেককেই তাঁদের
কর্মকাণ্ডের পরিণতি ভোগ করতে হবে।" বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অভিযোগ করেন যে, ড. ইউনূসের আমলে শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের মর্যাদার ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে। ‘মব জাস্টিস’ বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার রোষানলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "প্রায় তিন হাজার শিক্ষক মবের শিকার হতে হয়েছে। শিক্ষকদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁদের অনেকে এখনো চাকরিতে যেতে পারছেন না, বেতন পাচ্ছেন না। এমন একটা ভীতিকর ও ভয়াবহ পরিবেশ ড. ইউনূস তৈরি করে দিয়ে গেছেন।" শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতার অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আনিস আলমগীর বলেন, "সামনের দিনে যারা আমাদের ভবিষ্যৎ, তারা কী নীতি-নৈতিকতা শিখল? এরাই তো দেখেছে এদের স্যারকে কীভাবে তাদের সিনিয়ররা নির্যাতন করেছে। শিক্ষাগুরুরা যদি নির্যাতিত হন, শিক্ষকের
যদি মর্যাদা না থাকে, তাহলে সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?" তাঁর দাবি, ড. ইউনূসের প্রশাসন দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "শিক্ষকদের যে অপমান করা হয়েছে, এর থেকে বড় আক্রমণ শিক্ষার ওপর আর কখনো আসেনি। এর থেকে বেশি বিশৃঙ্খলা ছাত্রদের মধ্যে আর কখনো দেখা যায়নি। ছাত্ররা যা ইচ্ছা তা করতে পেরেছে, দেশে তারা মব দিয়ে শাসন করেছে।"



