মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ |
মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেও ভর্তিসহ পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তিথি রানী সাহার। যশোরের কেশবপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের তিথি রানী সাহা এবার মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় নীলফামারী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এ সুখবরে তার পরিবারের সদস্যদের আনন্দের পরিবর্তে চোখেমুখে দুশ্চিন্তা নেমে এসেছে। তিথি রানী সাহার বাবা কালিদাস সাহা একটি দোকানের মালামাল সরবরাহের কাজ করেন। তার মা মাধবী রানী সাহা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পাঁপড় ভাজা বিক্রি করেন। বাবা-মায়ের স্বল্প আয়ে এতদিন তিথিকে পড়াশোনা করিয়ে এসেছেন। তিথি কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগ হতে জিপিএ-৫ ও কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০২৫ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। তিথির এ

সাফল্যের খবর পেয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছোট একটি টিনের চালার ঘরে মা-বাবার সঙ্গে থেকে তারা দুই বোন লেখাপড়া করে। তার মা মাধবী রানী সাহা জানান, এতদিন খেয়ে না খেয়ে তার মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন। তিথির মেডিকেলে পরীক্ষা দেওয়ার আবেদন করার জন্য কেশবপুর শহরের দীনেশ স্যার নামে এক ব্যক্তি বিনামূল্যে পড়ানোসহ তাদের টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। এখন তার মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করাসহ পড়াশোনা করানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অভাব-অনটনের সংসারে তার মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন যেন ফিকে হয়ে যাচ্ছে। তিথি রানী সাহা বলেন, গরিব ও অসহায় মানুষের সেবা করার জন্য তিনি ডাক্তার হতে চান। কিন্তু মা-বাবার পক্ষে তার মেডিকেলে পড়াশোনার খরচ চালানো

কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তিনি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে পারবেন। এ ব্যাপারে তিথি রানী সাহার মা মাধবী রানী সাহা দেশের দানশীল ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিত্তবানদের তার মেয়েকে মেডিকেলে পড়াশোনা চালানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য অনুরোধ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ