ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়
জ্বালানি সংকটে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পাহাড়তলী: গণহত্যার কালো অধ্যায়
মুফতি মুহিব্বুল্লাহর অপহরণের দাবি মিথ্যা: সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেল একাই দ্রুত হেঁটে যাচ্ছেন, অ্যাম্বুলেন্সের প্রমাণ মেলেনি
গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজীর গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে অপহরণের দাবিটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি দাবি করেছিলেন, সকাল ৭টার দিকে টঙ্গীর শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভার্সন সেন্টারের সামনে থেকে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে অপহরণ করা হয়।
তবে ঘটনাস্থল এবং তার বাসার আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দেখেছে, তার এজাহারে দেওয়া বর্ণনার সঙ্গে বাস্তব ঘটনার কোনো মিল নেই। বরং ফুটেজে দেখা গেছে, মুফতি মুহিব্বুল্লাহ দ্রুত গতিতে হেঁটে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
গতিবিধি ও সময়ের অসামঞ্জস্যতা
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা আগেই তার
বাসা থেকে বের হন। সকাল ৬টা ৫২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে তিনি ঘর থেকে বের হন। ফুটেজে দেখা যায়, তিনি বাম হাতে দরজা খুলে বের হন এবং পেছন ফিরে না তাকিয়েই টিনের দরজাটি বন্ধ হয়ে যায়। সকাল ৬টা ৫৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে তিনি মসজিদ এলাকা ত্যাগ করেন। প্রায় ৬টা ৫৪ মিনিটে তিনি টঙ্গী টু কালীগঞ্জগামী আঞ্চলিক সড়কে কালীগঞ্জের দিকে রওনা হন। এ সময় তার পরনে ছিল সাদাপাঞ্জাবি-পাজামা ও মাথায় কালো পাগড়ি। এজাহারে উল্লেখিত অপহরণের স্থান, শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভার্সন সেন্টার, তার বাসা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফুটেজে দেখা যায়, ৬টা ৫৪ মিনিটে রওনা হওয়ার পর তিনি হেঁটে সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে
ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছান। ফিলিং স্টেশনের চারটি ভিন্ন এঙ্গেলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে একাই দ্রুত গতিতে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। অ্যাম্বুলেন্সে অপহরণের দাবি মিথ্যা মুহিব্বুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স পথরোধ করে তাকে অপহরণ করেছিল। তবে ফিলিং স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে এমন কোনো ঘটনার দৃশ্য বা অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি দেখা যায়নি। শুধু ফিলিং স্টেশন নয়, সামনের সেতুর উপরে পুলিশের স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজেও একই চিত্র পাওয়া যায়—মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজীকে একাই দ্রুত হাঁটতে দেখা গেছে। এই ফুটেজটি সরাসরি তার অপহরণের দাবিকে নাকচ করে দিচ্ছে। শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভার্সন সেন্টারের ব্যবস্থাপক মো. সোলেইমান নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের নিশ্চিত করেছেন, "তিন দফায় পুলিশের বিভিন্ন শাখা
আমাদের সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে। আমাদের ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে হুজুরকে অপহরণ করা হয়নি।" মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজীর অপহরণের দাবি এবং সিসিটিভি ফুটেজে প্রাপ্ত তথ্যের এই ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা ঘটনার সত্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
বাসা থেকে বের হন। সকাল ৬টা ৫২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে তিনি ঘর থেকে বের হন। ফুটেজে দেখা যায়, তিনি বাম হাতে দরজা খুলে বের হন এবং পেছন ফিরে না তাকিয়েই টিনের দরজাটি বন্ধ হয়ে যায়। সকাল ৬টা ৫৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে তিনি মসজিদ এলাকা ত্যাগ করেন। প্রায় ৬টা ৫৪ মিনিটে তিনি টঙ্গী টু কালীগঞ্জগামী আঞ্চলিক সড়কে কালীগঞ্জের দিকে রওনা হন। এ সময় তার পরনে ছিল সাদাপাঞ্জাবি-পাজামা ও মাথায় কালো পাগড়ি। এজাহারে উল্লেখিত অপহরণের স্থান, শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভার্সন সেন্টার, তার বাসা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফুটেজে দেখা যায়, ৬টা ৫৪ মিনিটে রওনা হওয়ার পর তিনি হেঁটে সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে
ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছান। ফিলিং স্টেশনের চারটি ভিন্ন এঙ্গেলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে একাই দ্রুত গতিতে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। অ্যাম্বুলেন্সে অপহরণের দাবি মিথ্যা মুহিব্বুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স পথরোধ করে তাকে অপহরণ করেছিল। তবে ফিলিং স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে এমন কোনো ঘটনার দৃশ্য বা অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি দেখা যায়নি। শুধু ফিলিং স্টেশন নয়, সামনের সেতুর উপরে পুলিশের স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজেও একই চিত্র পাওয়া যায়—মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজীকে একাই দ্রুত হাঁটতে দেখা গেছে। এই ফুটেজটি সরাসরি তার অপহরণের দাবিকে নাকচ করে দিচ্ছে। শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভার্সন সেন্টারের ব্যবস্থাপক মো. সোলেইমান নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের নিশ্চিত করেছেন, "তিন দফায় পুলিশের বিভিন্ন শাখা
আমাদের সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে। আমাদের ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে হুজুরকে অপহরণ করা হয়নি।" মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজীর অপহরণের দাবি এবং সিসিটিভি ফুটেজে প্রাপ্ত তথ্যের এই ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা ঘটনার সত্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।



